স্কুল-কলেজেও চালু হচ্ছে র‍্যাঙ্কিং

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:১৩ পিএম, ০৫ মার্চ ২০২৬
শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে ডিআইএ কর্মকর্তাদের মতবিনিময়/ ছবি: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সৌজন্যে

গুণগত মান বৃদ্ধি ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি করতে স্কুল ও কলেজের জন্যও র‍্যাঙ্কিং সিস্টেম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এ ব্যবস্থার মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গুণগত মান, পরিচালনা ব্যবস্থা, শিক্ষার পরিবেশ এবং ফলাফলের ভিত্তিতে সূচক নির্ধারণ করা হবে।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (ডিআইএ) কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, দেশের শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতার ভিত্তি রচিত হয়েছিল শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় থেকেই। জিয়াউর রহমান অল্প সময়ের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনকালে শিক্ষকদের জন্য ৫০ শতাংশ বেতন চালু করেন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে অডিট ব্যবস্থার সূচনা করেন। এ উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষা প্রশাসনে শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতার শক্ত ভিত তৈরি হয়। তার সন্তান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের শিক্ষাখাত বাস্তবমুখীভাবে আরও সামনে এগিয়ে যাবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি অত্যন্ত চ্যালেঞ্জপূর্ণ। বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক চাপ, জ্বালানি সংকট এবং নানা ধরনের অনিশ্চয়তা দেখা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সরকারি দপ্তরসমূহকে মিতব্যয়ী ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।

তিনি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য অফিসিয়াল কার্যক্রমে গাড়ি শেয়ারিং, বিদ্যুৎ ব্যবহারে সংযম এবং এয়ার কন্ডিশনারের তাপমাত্রা নির্ধারিত মাত্রায় রাখার মতো নির্দেশনার কথা উল্লেখ করেন।

পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, শিক্ষাব্যবস্থায় দুর্নীতি ও অনিয়ম প্রতিরোধে এই অধিদপ্তরের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সবচেয়ে পবিত্র দায়িত্বগুলোর একটি হলো তদারকি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। তিনি কর্মকর্তাদের সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করার আহ্বান জানান।

সভায় তিনি কর্মকর্তাদের নিজ নিজ দায়িত্ব ও কার্যক্রমের বিস্তারিত বিবরণ লিখিতভাবে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। অতীতে তারা কি কাজ করেছেন, বর্তমানে কি করছেন এবং ভবিষ্যতে শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে কী ধরনের পরিবর্তন প্রয়োজন-এসব বিষয়ে তাদের মতামত লিখিত আকারে মন্ত্রণালয়ে জমা দিতে বলা হয়।

কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখার কথা উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে সবার সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

তিনি ভবিষ্যতে নিয়মিতভাবে অধিদপ্তর পরিদর্শন করবেন বলেও জানান। সভায় পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (ডিআইএ) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এএএইচ/এমআইএইচএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।