শিক্ষামন্ত্রী

নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে সন্তান চান্স না পেলে সেই শিক্ষকের পদত্যাগ করা উচিত

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০২:৫৬ পিএম, ১২ এপ্রিল ২০২৬
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন

বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব শিক্ষকের সন্তান বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় পাস করতে পারে না; চান্সও পায় না, সেসব শিক্ষকদের পদত্যাগ করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষক তাদের সন্তানদের জন্য কোটা চান, তদবির করেন যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের সন্তান, তার বাবার চাকরি করা বিশ্ববিদ্যায়ে ভর্তি পরীক্ষায় পাস করতে পারে না, চান্সও পায় না; তার তো পদত্যাগ করা উচিত।

রোববার (১২ এপ্রিল) রাজধানীর আজিমপুর সরকারি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আরও পড়ুন
লটারি মেধাবী ঠিক করে না, ধনী-গরিবের বৈষম্যও কমায় না: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষা বোর্ডের, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনেক কর্মকর্তা তার সন্তানদের বিভিন্ন নামকরা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করাতে একটা কোটা চান। এগুলো আর চলবে না। অনেক সময় খবর পাওয়া যায়, শিক্ষকের ছেলে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে। তবে কীভাবে ভর্তি হয়েছে, বলা হয় ওয়েটিং লিস্ট থেকে ভর্তি হয়েছে। আসলে তো কোটায়...। সত্যিকারের খোঁজ কেউই পায় না।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান পদ্ধতির সমালোচনা করে এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষকরা কী শেখাবেন, এটাই এখন আমাদের আগামীর প্রায়োরিটি (অগ্রাধিকার)। আমাদের শিক্ষকরা ঠিকমতো পড়ান না। তখন অভিভাবকরা সন্তানদের জন্য বাসায় একজন শিক্ষক বা দুইজন টিউশন শিক্ষক দেন। তা না হলে তখন কোচিং সেন্টারে পাঠান। এটা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

স্কুল-কলেজের ম্যানেজিং কমিটি প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নিয়ে একটা কমিশন করা যেতে পারে। সেখান থেকে দেশের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদরাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচন করা যায়, তাহলে শিক্ষাব্যবস্থার আরও উন্নতি হবে। বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়নি। এটি প্রক্রিয়াধীন। তবে করতে পারলে খুবই ভালো হবে। আমরা চেষ্টা করছি।

এএএইচ/ইএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।