অটোপাস দিয়ে জাতিকে ধ্বংস করে দিচ্ছি : ডা. জাফরুল্লাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:৫২ পিএম, ২৪ অক্টোবর ২০২০

কল্যাণকর রাষ্ট্র চাইলে পরীক্ষা দিয়েই উত্তীর্ণ হতে হবে। সে ক্ষেত্রে রাজনীতির দল কিংবা পরীক্ষার হল, কোথাও কোনোভাবেই অটোপাস কাম্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

তিনি বলেন, এই অটোপাস দিয়ে আমরা জাতিকে ধ্বংস করে দিচ্ছি। রাজনৈতিক উত্থান স্তব্ধ করে দিচ্ছি। এই পরিবর্তনটা খুবই জরুরি।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাসে ‘করোনাকালীন পরীক্ষায় অটোপাস : শিক্ষার বর্তমান ও ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব বলেন।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, আমরা একটা কল্যাণকর রাষ্ট্র চাচ্ছি। এখানে পরীক্ষা দিয়েই এগোতে হবে। রাজনীতির ক্ষেত্রে আগে ধাপে ধাপে পরীক্ষা দিয়ে এগোতে হতো। এখন সেটা নেই। আর শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেন নেয়া যাবে না? করোনা হবে? স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিভিন্ন উপায়ে পরীক্ষা নেয়া যেতে পারে। এই পরিবর্তনগুলো সহজেই করতে পারি।

প্রতিবছর নতুন বই ছাপানোর বিষয়ে তিনি বলেন, একই বই দ্বিতীয় বছর কেন ব্যবহার করা যাবে না? প্রতিবছর কেন নতুন বই ছাপাতে হবে? সে ক্ষেত্রে দু-চারটা বই পরিবর্তন হতে পারে।

এছাড়া বইয়ে বিষয়বস্তুর ক্ষেত্রে এক কাহিনীতেই ফোকাস না করে সেখানেও পরিবর্তন আনার বিষয়ে বলেন তিনি।

ধর্ষণকাণ্ডে ফাঁসির ব্যবস্থা নেয়া ঠিক হয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, ফাঁসি মধ্যযুগীয় ব্যবস্থা। সামগ্রিকভাবে চিন্তা করে কাজ করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিয়ে মেয়েদের আত্মরক্ষার কৌশল শেখাতে হবে।

করোনার প্রভাব আছে তবুও স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখার কোনো কারণ নেই বলেও জানান তিনি।

সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও এডুকেশন রিফর্ম ইনিশিয়েটিভের (ইআরআই) চেয়ারম্যান ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন সাবেক উপমন্ত্রী অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, শাবিপ্রবির সাবেক ভিসি ড. মুসলেহ উদ্দিন, ড. আবদুল লতিফ মাসুম, ড. খলিলুর রহমান, ড. আমিনুর রহমান পাটোয়ারী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. ওবায়দুল হক, কবি আবদুল হাই শিকদার, আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া প্রমুখ।

এমএইচএম/বিএ/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]