সহ অভিনেত্রীকে তানজিন তিশার চড়, আসল ঘটনা জানালেন নির্মাতা

বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:৩৮ পিএম, ০৪ মার্চ ২০২৬
তানজিন তিশা ও সামিয়া অথৈ

মানিকগঞ্জে রাফাত মজুমদার রিংকু পরিচালিত ‘পুতুলের বিয়ে’ নাটকের শুটিং সেটে অভিনেত্রী তানজিন তিশার বিরুদ্ধে ‘অপ্রয়োজনে মারধর’-এর অভিযোগ তুলেছেন অভিনেত্রী সামিয়া অথৈ। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ফেসবুক লাইভে এসে কান্নাজড়িত কণ্ঠে অভিযোগ করেন তিনি।

এ নিয়ে চলছে তোলপাড়া। সোশ্যাল মিডিয়াতে বিষয়টি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। এসব ঘটনা শোবিজের উপর এর নেগেটিভ প্রভাব ফেলছে বলেও মনে করেন অনেকে।

এদিকে ঘটনাটি সম্পর্কে পরিচালক রাফাত মজুমদার বলেন, নাটকের একটি দৃশ্যে চড়ের অংশ ছিল এবং চরিত্রের প্রয়োজনে সেটি রাখা হয়। তার ভাষ্য, ‘দুজন দুজনকে আস্তে করে চড় দিতে গিয়েই হয়তো ভুল-বোঝাবুঝি হয়েছে। কেউ বলেছে জোরে লেগেছে। বিষয়টি তেমন গুরুতর নয়। এ নিয়েই সামিয়া অথৈ মন খারাপ করে শুটিং ছেড়ে চলে গেছেন। অন্য শিল্পীরা শুটিংয়ে রয়েছেন।’

নাটকটিতে আরও অভিনয় করছেন শহীদুজ্জামান সেলিম, মোমেনা চৌধুরী ও মীর রাব্বীসহ অনেকে। শহীদুজ্জামান সেলিম বলেন, ‘ছোট কোনো ঘটনা অনেক সময় বড় করে দেখা হয়। আমরা চাইলে কথা বলে বিষয়টি সমাধান করতে পারতাম। সে দিকেই যাচ্ছিলাম। পরে শুনি, সামিয়া অথৈ চলে গেছে। আমি তাকে ফোন দিয়েছিলাম। প্রথমবার ফোন ধরে কেঁদেছে, পরে কেটে দিয়েছে। এরপর আর ফোন ধরেনি। পেশাগত জায়গায় এমন ঝামেলা হতেই পারে।’


রাফাত মজুমদার রিংকু

এর আগে ফেসবুক লাইভে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন সামিয়া অথৈ। তিনি জানান, একটি দৃশ্যে তাকে সহশিল্পী তানজিন তিশাকে চড় মারতে বলা হয়েছিল। ‘আমি আলতোভাবে চড় মারি। কিন্তু ঘটনার পর তিশা আপু আমাকে পাল্টা চড় মারেন। শুধু তাই নয়, সবার সামনে একের পর এক মারেন’,- দাবি করেন তিনি।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে অথৈ আরও বলেন, আগের দিন একটি দৃশ্য ধারণের সময়ও তার হাতে আঘাত লাগে। তবে তখন কিছু বলেননি। তার ভাষ্য, ‘আজকের ঘটনা কোনোভাবেই মানতে পারছি না। তিনি সিনের মধ্যেই আমাকে মেরেছেন। আমার গাল ও চোখ ফুলে গেছে। শুটিংয়ে এমন অভিজ্ঞতা আগে কখনও হয়নি। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।’

 

এমআই/এলআইএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।