চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে যাচ্ছেন অভিনেতা সোহেল রানা, চাইলেন দোয়া

বিনোদন ডেস্ক
বিনোদন ডেস্ক বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৩:৩০ পিএম, ০৩ এপ্রিল ২০২৬
সোহেল রানা

বাংলা চলচ্চিত্রের প্রখ্যাত অভিনেতা ও প্রযোজক সোহেল রানা চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে যাবেন। দীর্ঘদিন ধরে চোখের সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। অবশেষে উন্নত চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আগামী (৫ এপ্রিল) রোববার সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা দেন এই বর্ষীয়ান শিল্পী।

নিজের শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক আবেগঘন পোস্ট করেন সোহেল রানা। সেখানে তিনি লিখেছেন, ইনশাআল্লাহ আগামী ৫ তারিখ রাতে অসুস্থতার চেকআপের জন্য সিঙ্গাপুরে যাচ্ছেন। একই সঙ্গে ভক্ত, শুভানুধ্যায়ী ও সহকর্মীদের কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি। তার এই পোস্টের পর থেকেই দেশের চলচ্চিত্রাঙ্গনসহ ভক্তদের মাঝে উদ্বেগ ও সহমর্মিতা দেখা গেছে। অনেকেই তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করে সামাজিক মাধ্যমে শুভকামনা জানিয়েছেন।

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসে সোহেল রানার অবদান অনস্বীকার্য। ১৯৭২ সালে প্রযোজক হিসেবে চলচ্চিত্র জগতে তার যাত্রা শুরু হয়। সেই সময় তিনি প্রযোজনা করেন বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ওরা ১১ জন, যা পরিচালনা করেন বিশিষ্ট নির্মাতা চাষী নজরুল ইসলাম। এই চলচ্চিত্রটি দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসকে বড় পর্দায় তুলে ধরে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করে।

পরবর্তীতে ১৯৭৩ সালে অভিনয়ে আত্মপ্রকাশ করেন সোহেল রানা। জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক কাজী আনোয়ার হোসেনের সৃষ্ট মাসুদ রানা সিরিজ অবলম্বনে নির্মিত মাসুদ রানা সিনেমার মাধ্যমে তিনি নায়ক হিসেবে দর্শকের সামনে আসেন। শুধু অভিনয়ই নয়, এই চলচ্চিত্রের মাধ্যমেই পরিচালক হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। ফলে একসঙ্গে অভিনেতা, প্রযোজক ও পরিচালক-এই তিন ভূমিকাতেই তিনি নিজের দক্ষতার স্বাক্ষর রাখেন।

আরও পড়ুন:
দুই সন্তান অসুস্থ, দোয়া চেয়েছেন ক্লোজআপ ওয়ান তারকা নোলক 
শাকিব খান ও তার ভক্তদের গান উৎসর্গ করলেন এস আই টুটুল 

দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অসংখ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনি দেশের চলচ্চিত্রপ্রেমীদের মনে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছেন। তার অভিনয়, ব্যক্তিত্ব ও অবদান তাকে বাংলা চলচ্চিত্রের এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

এমআই/এমএমএফ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।