৬ বছরের প্রস্তুতি শেষে নুহাশের সিনেমার শুটিং শুরু

বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:০৪ পিএম, ১০ এপ্রিল ২০২৬

নিজের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করলেন নির্মাতা নুহাশ হুমায়ূন। দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা ও প্রস্তুতির পর অবশেষে শুরু হয়েছে তার বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘মুভিং বাংলাদেশ’-এর শুটিং। গতকাল থেকে দৃশ্যধারণের কাজ শুরু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন নির্মাতা নিজেই।

জানা গেছে, প্রায় ছয় বছর ধরে এই সিনেমার গল্প, চিত্রনাট্য ও সামগ্রিক প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করে আসছেন নুহাশ। নানা পরিকল্পনা, গবেষণা এবং সময়োপযোগী প্রস্তুতির মধ্য দিয়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে এনেছেন এই প্রজেক্টটিকে। অবশেষে সেই দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ক্যামেরার সামনে শুরু হলো ‘মুভিং বাংলাদেশ’-এর শুটিং। বৃহস্পতিবার থেকে ঢাকার ২০টি ভিন্ন লোকেশনে সিনেমাটির দৃশ্যধারণ শুরু হয়েছে।

সিনেমাটির গল্প আবর্তিত হয়েছে একজন বাইক রাইডারের সংগ্রাম, স্বপ্ন এবং জীবনের নানা চড়াই-উতরাইকে ঘিরে। নির্মাতা জানিয়েছেন, এটি কেবল একটি ব্যক্তিগত সংগ্রামের গল্প নয়; বরং এর ভেতর দিয়ে উঠে আসবে সমসাময়িক বাস্তবতা, তরুণ প্রজন্মের লড়াই এবং সমাজের নানা দিক।

তবে সিনেমাটির অভিনয়শিল্পীদের বিষয়ে এখনই বিস্তারিত জানাতে রাজি নন নুহাশ। তিনি জানান, পুরো শুটিং শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই বিষয়টি গোপন রাখতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন। তার ভাষ্য, “আমরা টানা শুটিং শেষ করতে চাই। এরপর ধীরে ধীরে সবাইকে পরিচয় করিয়ে দেব।”

সিনেমাটি নির্মাণ শুরুর আগেই বিদেশের বিভিন্ন চলচ্চিত্র উৎসবে সমাদৃত হয়েছে। ২০২১ সালে তাইওয়ান ফিল্ম কমিশন থেকে বড় অঙ্কের তহবিল পাওয়ার পাশাপাশি এটি ভারতের ‘ফিল্ম বাজার’, কানের ‘মার্শে দ্যু ফিল্ম’ এবং লোকার্নো চলচ্চিত্র উৎসবের মতো নামকরা প্ল্যাটফর্মগুলো থেকে নানাভাবে সহযোগিতা ও অনুদান পেয়েছে।

সিনেমাটির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘গুপী বাঘা’ গত এপ্রিলের শুরু থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বিশেষ কাউন্টডাউন শুরু করেছিল। আট দিনব্যাপী সেই অপেক্ষার পালা শেষ হলো। নির্মাতা নুহাশ হুমায়ূন জানিয়েছেন, মে মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত চলবে এই শুটিং পর্ব, যার পরপরই শুরু হবে পোস্ট-প্রোডাকশনের কাজ।

এমআই/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।