জবানবন্দী দিতে গিয়ে বোম ফাটালেন সালমান


প্রকাশিত: ১০:২৮ এএম, ২৮ মার্চ ২০১৫

এক যুগ পেরিয়ে গেছে। এখনও ঝুলছে ২০০২ সালের হিট অ্যান্ড রান মামলার অভিযোগ। সেই অভিযোগে শনিবার প্রথমবারের জন্য বয়ান নথিভুক্ত করতে আদালতে যান বলিউড সুপারস্টার সালমান খান।

আদালতে নিজের উপর আনা সকল অভিযোগ অস্বীকার করে এ নায়ক বোম ফাটানো জবানবন্দী দিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, ২৮ সেপ্টেম্বরে দূর্ঘটনার সেই রাতে তিনি গাড়ি-ই চালান নি। এমনকী সে রাতে তিনি মাতালও ছিলেন না।

সালমানের এই জবানবন্দীতে অবাক হয়েছে আদালতসহ সবাই। কারণ এই মামলায় সমস্ত প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি ছিল সালমান নিজে মাতাল অবস্থায় গাড়ি চালাতে গিয়ে চাপা দিয়ে মেরেছিলেন এক ফুটপাতবাসীকে। আর আহত করেছিলেন চার ব্যাক্তিকে।

এই সাক্ষীদের মধ্যে সালমনের নিরাপত্তারক্ষীও রয়েছে। তিনিও সাক্ষ দিয়েছিলেন যে সেই রাতে চালকের সিটে সালমনই বসেছিলেন এবং তিনি মদ্যপ ছিলেন।

এদিকে সালমনের দাবি, তাঁর গাড়ি টয়োটা ল্যান্ড ক্রুসারের বাঁদিকের দরজাটা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তাই তাঁকে বাধ্য হয়ে ড্রাইভারের দিক দিয়ে বাইরে আসতে হয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, অন্য একজন চালক আসার অপেক্ষায় তিনি চালকের সিটে বসেছিলেন। তবে তিনি যে পার্কিং স্পেস থেকে গাড়ি বের করেছিলেন, সেখানকার নিরাপত্তারক্ষী জানায়, সেই রাতে দুর্ঘটনার কিছুক্ষণ আগে সালমন গাড়ি বের করে নিয়ে যান, এবং তাঁকে ৫০০টাকা বকশিস দেন। এই কথা অবশ্য ভুলে গেছেন বলে দাবি করেছেন অভিনেতা।

এছাড়াও আদালত যখন তাঁর কাছে জানতে চায়, দুর্ঘটনার ঠিক পরেই তিনি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন কেন? সেই প্রসঙ্গে সালমনের দাবি, তিনি দুর্ঘটনার পর পনেরো মিনিট সেখানে ছিলেন এবং নিজের চালককে পুলিশে খবর দিতে বলেন।

অভিনেতার দাবি মতো, তাঁরই এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু তাঁকে ঘটনাস্থল থেকে চলে যেতে বলেন। সালমন সেই রাতে বারে যাওয়ার কথা স্বীকার করলেও, বলেন তিনি সেখানে গিয়ে জল খেয়েছিলেন, মদ নয়!

সলমনের দাবি যদি বিশ্বাস করতে হয়, তাহলে সেই রাতে দুর্ঘটনাস্থলে উপস্থিত সমস্ত প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান মিথ্যা, সেটাই প্রমাণ করে।

এদিকে জানা গেছে এই ঘটনায় যদি সালমনের দোষ প্রমাণিত হলে তার দশ বছরের জেল হতে পারে।

এলএ/আরআই

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।