বিমান ছিনতাইকারীর স্ত্রী নায়িকা সিমলা এখন কোথায়?

বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:৪১ পিএম, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

ঢাকা থেকে দুবাইগামী বাংলাদেশ বিমানের ‘ময়ূরপঙ্খী’ উড়োজাহাজ ছিনতাইকারী কথিত মাহাদীর পরিচয় মিলেছে। তার নাম মাহমুদ পলাশ বলে জানা গেছে। ২৪ বছর বয়সী পলাশের গ্রামের বাড়ি নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের দুধঘাটা গ্রামে।

তার দ্বিতীয় স্ত্রী ঢাকাই চলচ্চিত্রে জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত নায়িকা সিমলা। রোববার সন্ধ্যায় বিমান ছিনতাইয়ের সময়ই জানা যায় পলাশের সঙ্গে সিমলার সম্পর্কের কথা। তিনি নিজেই পুলিশকে বলেছিলেন, নায়িকা সিমলার প্রেমে ব্যর্থ হয়ে তিনি বিমান ছিনতাই করতে এসেছেন।

অবশেষে জানা গেল, সিমলা পলাশের দ্বিতীয় স্ত্রী। অনুমান করা হচ্ছে তাদের দাম্পত্যে ফাটল ধরেছিলো। হয়তো বিচ্ছেদও হয়ে গেছে আনুষ্ঠানিকভাবে। সেই বিচ্ছেদ হয়েছে সিমলার আগ্রহেই। সেটি মেনে নিতে পারেননি পলাশ। হতাশায় মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে তিনি বিমান ছিনতাইয়ের মতো কাণ্ড ঘটাতে চেয়েছেন।

তবে এই বিচ্ছেদের খবর জানেন না পলাশের পরিবারের সদস্যরা। কোনো তথ্য নেই সিমলার কাছের মানুষ ও চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের কাছেও। তাই সিমলাকে খুঁজছে সবাই। কিন্তু কোথায় সিমলা? যে নাম্বারে সবসময়ই পাওয়া যেত ‘ম্যাডাম ফুলি’ খ্যাত নায়িকা সিমলাকে সেই নাম্বারটি রয়েছে বন্ধ।

এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেল, তিনি দেশে নেই। বর্তমানে রয়েছেন ভারতের মুম্বাইয়ে। সেখানে মীরা রোড নামে এলাকায় অনেকদিন ধরেই বাস করছেন তিনি।

দশ বছরের বেশি সময় ধরে ক্যারিয়ারে ভাটা চলছে সিমলার। অনেকদিন হয় নতুন সিনেমাতে কাজ করেননি। সর্বশেষ তাকে দেখা যায় ‘নিষিদ্ধ প্রেমের গল্প’ নামের একটি ছবিতে। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী একজন নায়িকা হয়ে ক্যারিয়ারের এই পতন হতাশায় নিমজ্জিত করেছে সিমলাকে। হয়তো সেই অভিমান মনে নিয়েই বিদেশে থিতু হওয়ার চেষ্টা করছেন তিনি।

পলাশের বাবা পি আর জাহানের দেয়া তথ্যে, প্রায় ১০ মাস আগে চিত্রনায়িকা সিমলাকে গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যায় পলাশ। বাবা-মায়ের সঙ্গে তার পরিচয় করিয়ে দেয়। এর এক-দেড় মাসের ব্যবধানে আরও দু’বার আসে পলাশ ও সিমলা। তারপর থেকেই পুত্রবধু সিমলার কোনো খবর জানেন না তিনি।

এলএ/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।