দেশকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন ৫০০ তরুণের

ফিচার ডেস্ক
ফিচার ডেস্ক ফিচার ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৪:৪৫ পিএম, ১৪ মার্চ ২০১৯

সমাজের অবনতি শুধু খারাপ মানুষের জন্য ঘটে না। এর পেছনে ভালো মানুষের নিষ্ক্রিয়তাও দায়ি। তাই এখনো অসংখ্য অদম্য ভালো মানুষ জেগে আছেন নতুন স্বপ্ন বুননের জন্য। আর তখনই একটি দেশ ঘুরে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা করে। সেই স্বপ্ন বুননে এগিয়ে আসে তরুণরা। বিস্তারিত জানাচ্ছেন মেহেদী শামীম-

জাগো ফাউন্ডেশন ঘুরে দাঁড়ানো সেসব তরুণ তৈরির কারখানা। আর তাই হতাশার এ শহর ছেড়ে ৪ দিনের জন্য তারা একত্রিত হয়েছে কক্সবাজারে। সেখানে প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও অনুষ্ঠিত হয় ন্যাশনাল ইয়ুথ অ্যাসেম্বলি। এতে সারাদেশ থেকে অংশগ্রহণ করেছে ৫০০ অদম্য তরুণ। যাদের চোখে-মুখে উজ্জ্বলতম দিনের স্বপ্ন। যাদের মধ্যে রয়েছে মানবিক পৃথিবী তৈরির আকাঙ্ক্ষা।

youth-in

তরুণরা ৪ দিন নিজেদের প্রস্তুত করার জন্য একত্রিত হয়েছে। তারা দেশকে সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে নিরন্তর কাজ করে যাবে। শুধু তরুণরাই নয়, সেখানে অংশগ্রহণ করেছে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ। অভিজ্ঞতা বিনিময়, আলোচনা, বিষয়ভিত্তিক কৌশল নির্মাণসহ নানা ধরনের আয়োজনে ভরপুর ছিল পুরো ৪ দিন।

কখনো তারা প্রশ্নের ঝড় তুলেছে নিরাপদ সড়কের দাবিতে, আবার কখনো নিজেদের আইডিয়া দিয়ে কিভাবে পাল্টে দেওয়া যায় সমাজের অসঙ্গতি, আবার কখনো সাংগঠনিক প্রচেষ্টা কিভাবে কঠিন কাজকে খুব সহজ করে দেয়- এসব কর্মযজ্ঞে উচ্ছ্বল ছিল সময়গুলো।

youth-in

এ তরুণরাই স্বস্তির গল্পের বাহক। এরাই আমাদের নিয়ে যাবে গৌরবতম দিনে। এরাই মনে করিয়ে দেয়, একদিন আমরা এ দেশে লড়াই করেছি মাতৃভাষার জন্য। স্বাধীনতার মাসে সত্যি মনে পড়ে যায়, এ দেশের তরুণরা বুক-পকেটে নিজের নাম-ঠিকানা লিখে বেরিয়ে আসতো অধিকার আদায়ের মিছিলে। শত্রুর গুলিতে মরে গেলেও যাতে মৃত শরীর নিজের মায়ের কাছে পৌঁছায়।

সে দেশের তরুণ আমরা। সে দেশের উত্তরসূরী আমরা। আমরাই তো অস্থিরতা ভেঙে সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার সাহস দেখাতে পারি। আমরাই তো নিরাপদ সড়ক আদায় করে নিতে পারি। আমরাই তো নারীর নিরাপত্তা এনে দিতে পারি। আমরাই তো মানবিক ও গণতান্ত্রিক দেশ গড়তে পারি।

youth-in

৫০০ তরুণ আশায় বুক বাঁধেন। তারা আলো ছড়াতে চান। তারা ভয় পান না। তারা শক্ত হাতে লড়বেন। কারণ তারা কৌশলী। তারাই নতুন বাংলাদেশের গল্প লিখবে। নতুন সময়ে নতুনভাবে নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে। আমরা কোন এক জোয়ারের স্রোতে ভেসে যাবো না। নিজের জায়গা থেকে সুন্দর একটি দিনের জন্য লড়ে যাবো। আমাদের বিজয়, আমাদের হাতেই।

লেখক: কবি, কথাশিল্পী ও মিডিয়াকর্মী।

এসইউ/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]