করোনা: চিকিৎসকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লড়ছেন

আইরিন রুবিনা হক লিয়া
আইরিন রুবিনা হক লিয়া আইরিন রুবিনা হক লিয়া , শিক্ষক ও প্রাবন্ধিক
প্রকাশিত: ১২:০৪ পিএম, ০১ এপ্রিল ২০২০

আজকের এ জাতীয় দুর্যোগে যেভাবে মানুষের বিপদে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিপন্ন মানবতার পাশে দাঁড়িয়েছে দেশের চিকিৎসক সমাজ, জীবন পণ করে মানুষের জন্য লড়ে যাচ্ছেন, তাদের প্রতি বিনম্র কৃতজ্ঞতা। তারাই আজকের যুদ্ধাবস্থার হিরো। এসব চিকিৎসাবীরদের প্রতি আপনার মানসিক প্রেরণা, একটু সহযোগিতা ও শুভ কামনা হয়তো ম্রিয়মান প্রাণে আশার আলো সঞ্চার করবে। ক্লিনিকের দায়িত্ব ছাড়াও মানুষের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে স্বাস্থ্যসেবার এ মহান দায়িত্বটুকু পালন করছেন দেশের চিকিৎসকরা। বিশ্বব্যাপী মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস। দিন দিন মৃ্ত্যুর মিছিল দীর্ঘতর হচ্ছে। মানুষের বিপন্ন ও অসহায় জীবন আজ যেন কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি। তাদের পাশে দেবদূতের মতো যারা জীবন জলাঞ্জলি দিয়ে লড়ছেন, তাদের প্রতি অনিমেষ শুভ কামনা ও সশ্রদ্ধ অভিবাদন।

করোনাকে রুখতে বিশ্বব্যাপী যে শ্রেণিটি সবার সামনে থেকে যুদ্ধ করছে, সে শ্রেণির মানুষগুলো সবার সামনে থেকে বন্দুকবিহীন নিরস্ত্র ঝাঁপিয়ে পড়ছে মৃত্যুর মুখে, যুদ্ধ করছে লাখো মুখে হাসি ফোটানোর জন্য, সে শ্রেণির মানুষগুলোই আজ সবচেয়ে বেশি বিপদে। দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করছে যারা, যাদের নাওয়া, খাওয়া, ঘুম সবই ভেস্তে গেল এ নতুন নীরব যুদ্ধে, সেই যোদ্ধাদের জীবনই আজ হুমকির মুখে। এ যুদ্ধ কঠিন যুদ্ধ। পৃথিবীতে বিরল। এ যুদ্ধ পালাবার নয়। এ যুদ্ধে জয়ী হতেই হবে। এ জয়ের পেছনে প্রধানতম কারিগর হলেন দেশের চিকিৎসক সমাজ। বাংলাদেশের ডাক্তাররা অনেক সাহসী। তাদের কাজ করতে দিন, তাদেরকে নিজের জীবনের নিরাপত্তা প্রদানের লক্ষ্যে শুধু সরকার নয়, সরকারের পাশাপাশি দাতব্য সংস্থা ও অন্যান্য সামাজিক সংস্থাগুলো এবং দেশের সব বড় বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর উচিত হবে এ দুর্যোগে এগিয়ে এসে সবার আগে দেশের চিকিৎসকদের বাঁচিয়ে রাখার কাজে হাত বাড়ানো। সবার জীবন বাঁচানোর কাজে যারা নিজের জীবনের শঙ্কাকে সাথে নিয়েই, ভয়কে জয় করে, নিজে ও নিজ পরিবারের জীবনের ঝুঁকিকে উপেক্ষা করে যারা লড়ে যাচ্ছেন এক অকুতোভয় জীবন সংগ্রামে, যারা দিন-রাত সাধারণ মানুষের জীবন রক্ষার্থে বেগার খেটে যাচ্ছে, তাদের সেফটি ইক্যুইপমেন্ট, পিপিই ইত্যাদি সরবরাহের জন্য এগিয়ে আসুন।

আমি আমার ক্ষুদ্র চিন্তা থেকে অনেকটা দুঃসাহস করেই বলছি- হে জনাব, হে জনাবা, হে মহাশয়, হে বিত্তবিভব, হে সামন্ত প্রভু-দেশের আপামর বিত্তবানদের বলছি- আমার এ গোস্তাখি মাফ করবেন জনাব, আপনার বিবেককে জাগ্রত করুন। এগিয়ে আসুন চিকিৎসকদের বাঁচাতে। দেশের সব চিকিৎসকরা বাঁচলে দেশবাসী বাঁচবে। তাদেরকে সুস্থভাবে বেঁচে থেকে জনগণের চিকিৎসা করার সুযোগ দিন। তাদের নিরাপত্তার প্রয়োজনীয় ইক্যুইপমেন্ট সংগ্রহ ফান্ডিং করুন। মেলে দিন আপনার উদারহস্ত, আপনার বা আপনাদের সহযোগিতার হাতকে সম্প্রসারিত করুন। আপনারাই জাতির ভরসা। বিপদের দিনে পাশে থাকুন। সুযোগ থাকলে অসহায় দিনমজুরের সংসারের এ সংকটকালীন দায়িত্বটুকু নিন, যাদের কাজ বন্ধ হয়ে গেছে। যার পক্ষে যতটুকু সম্ভব। দেশের বিত্তবানরা এগিয়ে এলে এ বিপদ মোকাবেলা করা সম্ভব।

doc

জীবনযুদ্ধে হার না মানা পথিকৃৎ আমাদের চিকিৎসকরা। একের পর এক নিজেরা আক্রান্ত হচ্ছেন, তবু হার মানেননি। তবুও পথ ছাড়েনি। যদিও জাতির এ চরম ক্রান্তিলগ্নে এটাই তাদের দায়িত্ব। কিন্তু এ দায়িত্ব পালনের সাথে যেহেতু নিজের জীবনের ঝুঁকি জড়িত, রয়েছে মৃত্যুর ভয়, সেখানে তাদের এ দায়িত্বটুকু আজ যুদ্ধ জয়ের সামিল। দেশে যেন নেমে এসেছে আরেক যুদ্ধ। অস্ত্র ছাড়াই যুদ্ধ। কোনো যুদ্ধাস্ত্র ছাড়াই বাংলার বীর চিকিৎসকরা জীবন-মরণ যুদ্ধ করছে। একুটু পেছন ফিরে তাকাই। তাকাই একটু একাত্তর সালের দিকে। বাংলার সেদিনকার জাতীয় পতাকার লালের যেই রক্তক্ষরণ হচ্ছিল, সেই রক্তক্ষরণ বন্ধ করে সবুজ-শ্যামল বাংলা বিজয়ের অসাধারণ ভূমিকায় ছিলেন এ ডাক্তাররাই। ঠিক তেমনি লড়ে যাচ্ছেন আজও সেই অকুতোভয় মেডিক্যাল সৈনিকরাই। লড়ে যাও তোমরা হে অগ্রপথিক। তোমাদের মাঝে জাতি দেখতে পায় ডা. ফজলে রাব্বী, একাত্তরের মেডিক্যাল ছাত্র সেদিনের রণাঙ্গনের বীর সেনা সিরাজুল ইসলাম, ণীপা লাহিড়ী, হুমায়ুন ফরিদী, হাসান শহীদের প্রমুখ।

আমরা মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি, বাবা মায়ের মুখে শুনেছি, বীর মুক্তিযোদ্ধা মামা, চাচাগণ, আত্মীয়-স্বজনদের মুখে শুনেছি। যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্রদ্ধেয় শ্বশুরের মুখে সেদিনের ভয়াবহতা ও মুক্তিযুদ্ধে মেডিক্যাল সৈনিকদের অকুতোভয় ভূমিকার কথা শুনেছি, শুনেছি তাদের আত্মত্যাগের করুণ কাহিনি, কিভাবে ডাক্তাররা যুদ্ধাহত, বিপর্যস্ত, পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধাদের সেবা করেছে, কতটা ভয়াল রজনী পার করেছে, কত বিনিদ্র রজনী পার করেছে সেদিনের চিকিৎসকরা। কত ডাক্তার মারা গিয়েছে। জীবনকে বাজি রেখে কিভাবে তারা চিকিৎসা দিয়েছে মুক্তিযোদ্ধাদের। এসব লোমহর্ষক ঘটনা জেনেছি সেদিনের কলেজ ছাত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রিয় শ্বশুরের কাছ থেকে। আর আজ নিজ চোখে দেখছি। আসলেই তোমরা মহান। তোমরা চুপ থাক, তোমরা নৈঃশব্দবতী, তোমাদের অব্যক্ত আর্তনাদ আমরা শুনতে পাই না, কিন্তু তোমরা এগিয়ে আস এমনি দুর্দিনে। তোমাদের প্রণমি জানাই। তোমাদের জানাই সশ্রদ্ধ সালাম। You are the Crisis Manager. You are the trouble shooter. We pay our heartfelt tribute to you. We pour our fullest and deepest good wishes to our brave heroes, You are the unsung heroes of the country. May you find flowers upon your path. May your every footstep discover new gateway of recovery.

আমরা যখন ঘরে বসে টিভি, সিনেমা, নাটক, সিরিয়াল দেখে অলস সময় কাটাচ্ছি। আমরা যখন চায়ের পেয়ালায় চুমুকে চুমুকে অবসরের ও স্বস্তির স্বাদ উপভোগ করছি। আমরা যখন মুহূর্তে মুহূর্তে শঙ্কায় ও হতাশায় ‘ইয়া নাফসি ইয়া নাফসি’ করছি, তখন একদল অ্যাপ্রোনে ঢাকা বীর সেনানি মৃত্যুকে জয় করার যুদ্ধ করছে। মানুষকে মৃত্যুর কাছ থেকে টেনে হিচড়ে ছিনিয়ে আনার সংগ্রাম করছে। লড়াই যখন যমদূতের সাথে, তখন কে বা থাকে তার সাথে। একাই লড়ে যাচ্ছে এ সৈন্যদল। তাদের আপনি কী বলবেন? কোন অখ্যায় আখ্যায়িত করবেন। সবাই যখন নিজ গৃহে অন্তরীণ, তখন যমদূত নামক মৃত্যুর দৈত্যকে সামনে দেখেও না ডরায়ে এগিয়ে যাচ্ছে এসব ফিজিশিয়ানরা। স্যালুট তোমাদের হে জাতীয় বীরেরা।

doctor-in

কোথায় ঘুম, কোথায় খাওয়া, কোথায় বিশ্রাম, কোথায় স্ত্রী, কোথায় সন্তান! পরাজয়ে ডরে না বীর। একজন ব্যক্তি তার জীবনের সবচেয়ে কঠিন মুহূর্তটিতেই ডাক্তারের শরণাপন্ন হন। আর ডাক্তাররাও ঠিক সে সময়ে যেন আল্লাহর প্রতিনিধি। একজন রোগীর জীবনে একজন ডাক্তার ক্রান্তিকালে ঠিক যেন সে রকমই। মাঝে মাঝে অসুস্থতার সময়ে মনে হয় জীবনের সব কিছুর বিনিময়েও যদি সুস্থ হতাম, সেই সুস্থতা এনে দেওয়ার জন্য যে ব্যক্তিটি লড়ে যান, তিনি একজন ডাক্তার। ধন-দৌলত, টাকা-পয়সা সব কিছুর বিনিময়ে হলেও মানুষ জীবন ফিরে পেতে চায়, মানুষ সুস্থতা চায়। মানুষ চায় অমরত্ব। জন্ম-মৃত্যু আল্লাহর হাতে। কিন্তু একটি অসহায় রোগীকে বাঁচানোর যে প্রাণান্ত চেষ্টা, সেটা করে একজন ডাক্তারই।

উল্টো ঘটনা যে নেই, তা কিন্তু নয়। ডাক্তারের আবহেলায়, ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু, ডাক্তারের দুর্ব্যবহারে দুঃসহ ঘটনা। এমন ঘটনা আমার পরিবারেই আছে। সেটা নিয়েও আমার একটি গবেষণা আছে। সেগুলো ব্যতিক্রম। এ সময়ে জাতির ক্রান্তিলগ্নে জাতির পাশে দাঁড়িয়েছে ডাক্তারগণ, সেই সাথে দেশ সেবায় অক্লান্ত পরিশ্রম করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী পুলিশ, সেনা বাহিনী ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ, জেলা প্রশাসন, স্থানীয় সরকার ও স্থানীয় প্রশাসন। সবার প্রতি বিনম্র কৃতজ্ঞতা, যারা জাতির দুর্দিনে কাজ করে যাচ্ছেন। ইমার্জেন্সি সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান, যেমন- হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, ঔষধালয় এবং ইমার্জেন্সি আর্থিক সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান ব্যাংক, ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ; যারা নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়েও জনগণের এ দুর্দিনে আর্থিক সেবা দিয়ে যাচ্ছেন, তাদের প্রতিও বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করছি।

এসইউ/পিআর

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

১০,০৪,২২,৮৫৮
আক্রান্ত

২১,৫৩,৫৯৯
মৃত

৭,২৪,৫৮,৫২৭
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৫,৩২,৯১৬ ৮,০৫৫ ৪,৭৭,৪২৬
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২,৫৮,৭০,৮১৪ ৪,৩১,৮১৮ ১,৫৬,২১,৫৮৬
ভারত ১,০৬,৮২,৯০৯ ১,৫৩,৭০৩ ১,০৩,৫১,১৮৬
ব্রাজিল ৮৮,৭২,৯৬৪ ২,১৭,৭১২ ৭৭,০৯,৬০২
রাশিয়া ৩৭,৫৬,৯৩১ ৭০,৪৮২ ৩১,৭৪,৫৬১
যুক্তরাজ্য ৩৬,৬৯,৬৫৮ ৯৮,৫৩১ ১৬,৪৮,২১৮
ফ্রান্স ৩০,৫৭,৮৫৭ ৭৩,৪৯৪ ২,১৭,৭০৮
স্পেন ২৬,৯৭,২৯৪ ৫৬,২০৮ ১,৯৬,৯৫৮
ইতালি ২৪,৭৫,৩৭২ ৮৫,৮৮১ ১৮,৯৭,৮৬১
১০ তুরস্ক ২৪,৩৫,২৪৭ ২৫,২১০ ২৩,১৪,৪০৩
১১ জার্মানি ২১,৫৭,৪৩৪ ৫৩,৭৬৫ ১৮,৪৪,০০০
১২ কলম্বিয়া ২০,২৭,৭৪৬ ৫১,৭৪৭ ১৮,৪৯,১৯৪
১৩ আর্জেন্টিনা ১৮,৭৪,৮০১ ৪৭,০৩৪ ১৬,৬৬,৫২৭
১৪ মেক্সিকো ১৭,৭১,৭৪০ ১,৫০,২৭৩ ১৩,৩৫,৮৭৬
১৫ পোল্যান্ড ১৪,৮২,৭২২ ৩৫,৬৬৫ ১২,৪৩,৫৭৫
১৬ দক্ষিণ আফ্রিকা ১৪,১৭,৫৩৭ ৪১,১১৭ ১২,৪১,৪২১
১৭ ইরান ১৩,৮৫,৭০৬ ৫৭,৫৬০ ১১,৭৭,৩৬৭
১৮ ইউক্রেন ১১,৯৭,১০৭ ২২,০৫৭ ৯,৬৫,৮৩৫
১৯ পেরু ১০,৯৯,০১৩ ৩৯,৭৭৭ ১০,১২,৪৫০
২০ ইন্দোনেশিয়া ১০,১২,৩৫০ ২৮,৪৬৮ ৮,২০,৩৫৬
২১ নেদারল্যান্ডস ৯,৫৬,৮৬৭ ১৩,৬৬৫ ২৫০
২২ চেক প্রজাতন্ত্র ৯,৪৬,৯৪৬ ১৫,৬১৮ ৮,৩১,৩৯৪
২৩ কানাডা ৭,৫৪,৭৫১ ১৯,৩০১ ৬,৭৩,৫৮৮
২৪ রোমানিয়া ৭,১৫,৪৩৮ ১৭,৯৩৮ ৬,৫৮,৫৯৫
২৫ চিলি ৭,০৬,৫০০ ১৮,০২৩ ৬,৬২,৪৬০
২৬ বেলজিয়াম ৬,৯৪,৮৫৮ ২০,৮১৪ ৪৮,১৮৭
২৭ পর্তুগাল ৬,৫৩,৮৭৮ ১১,০১২ ৪,৭৫,৪৮৫
২৮ ইরাক ৬,১৫,৩৮০ ১৩,০১০ ৫,৮৪,৭৫২
২৯ ইসরায়েল ৬,০৬,৩৬৫ ৪,৪৯৮ ৫,২৯,৮৩৪
৩০ সুইডেন ৫,৫৬,২৮৯ ১১,২৪৭ ৪,৯৭১
৩১ পাকিস্তান ৫,৩৫,৯১৪ ১১,৩৭৬ ৪,৯০,১২৬
৩২ ফিলিপাইন ৫,১৬,১৬৬ ১০,৩৮৬ ৪,৭৫,৬১২
৩৩ সুইজারল্যান্ড ৫,১৫,৪৮৩ ৯,১৮৭ ৩,১৭,৬০০
৩৪ মরক্কো ৪,৬৬,৬২৬ ৮,১৭২ ৪,৪৩,৪৭২
৩৫ অস্ট্রিয়া ৪,০৭,১৪০ ৭,৫১৫ ৩,৮৪,৯২৬
৩৬ সার্বিয়া ৩,৮৭,২০৬ ৩,৯২৪ ৩১,৫৩৬
৩৭ সৌদি আরব ৩,৬৬,৮০৭ ৬,৩৫৯ ৩,৫৮,৩৪০
৩৮ জাপান ৩,৬৪,৮১৩ ৫,০৮৪ ২,৯৫,৪২৬
৩৯ হাঙ্গেরি ৩,৬০,৮৭৭ ১২,১১৩ ২,৪৪,৬৮১
৪০ জর্ডান ৩,২২,২৪১ ৪,২৪৮ ৩,১০,০০৫
৪১ পানামা ৩,১২,১৫৮ ৫,০৯৮ ২,৬১,২৯১
৪২ সংযুক্ত আরব আমিরাত ২,৮৫,১৪৭ ৮০৫ ২,৫৯,১৯৪
৪৩ লেবানন ২,৮২,২৪৯ ২,৩৭৪ ১,৬৮,১৪২
৪৪ নেপাল ২,৭০,০৯২ ২,০১৭ ২,৬৪,৮২৩
৪৫ জর্জিয়া ২,৫৪,৮২২ ৩,০৯৬ ২,৪৪,৪৪৬
৪৬ ইকুয়েডর ২,৪১,৫৬৭ ১৪,৬৩৯ ২,০৪,০৭১
৪৭ বেলারুশ ২,৩৯,৪৮২ ১,৬৬৮ ২,২৪,৯২৫
৪৮ স্লোভাকিয়া ২,৩৮,৬১৭ ৪,২৬০ ১,৯৭,১৯১
৪৯ ক্রোয়েশিয়া ২,২৯,৫০২ ৪,৮৮২ ২,২২,১১০
৫০ আজারবাইজান ২,২৯,৩৫৮ ৩,১০০ ২,২১,১১৬
৫১ বুলগেরিয়া ২,১৫,৫৮৯ ৮,৮৮০ ১,৮০,১২৭
৫২ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ২,০৬,৩০৫ ২,৫৬৪ ১,৪৯,৮১২
৫৩ বলিভিয়া ২,০২,৮১৮ ১০,০৫১ ১,৫১,৪৬৯
৫৪ তিউনিশিয়া ১,৯৮,৬৩৬ ৬,২৮৭ ১,৪৬,৭৪০
৫৫ ডেনমার্ক ১,৯৫,৯৪৮ ২,০৩০ ১,৮২,৪২০
৫৬ কোস্টারিকা ১,৯০,৭৪৫ ২,৫৫৮ ১,৪৯,১৪৯
৫৭ মালয়েশিয়া ১,৯০,৪৩৪ ৭০০ ১,৪৯,১৬০
৫৮ আয়ারল্যান্ড ১,৮৮,৯২৩ ২,৯৭৭ ২৩,৩৬৪
৫৯ কাজাখস্তান ১,৭৯,৭২০ ২,৪০৩ ১,৬১,৭৫৮
৬০ লিথুনিয়া ১,৭৭,৯৩৪ ২,৬৮৮ ১,২১,৯০৭
৬১ আর্মেনিয়া ১,৬৬,২৩২ ৩,০৫২ ১,৫৫,৪০৪
৬২ মিসর ১,৬২,৪৮৬ ৯,০১২ ১,২৭,০০১
৬৩ কুয়েত ১,৬২,২৮২ ৯৫৭ ১,৫৫,৩০৩
৬৪ স্লোভেনিয়া ১,৫৯,৮১২ ৩,৪০৬ ১,৩৮,২৭২
৬৫ মলদোভা ১,৫৬,৯৭২ ৩,৩৮১ ১,৪৭,৩৮০
৬৬ ফিলিস্তিন ১,৫৬,৩৯৩ ১,৮০৩ ১,৪৬,২৭৯
৬৭ গুয়াতেমালা ১,৫৪,৪৩০ ৫,৪৬৯ ১,৩৯,১১৩
৬৮ গ্রীস ১,৫৩,২২৬ ৫,৬৯২ ১,৪১,৬১২
৬৯ কাতার ১,৪৯,৫৯৫ ২৪৮ ১,৪৫,১২৪
৭০ হন্ডুরাস ১,৪১,৯৮৪ ৩,৪৬২ ৬০,৪৭৭
৭১ মায়ানমার ১,৩৮,৩৬৮ ৩,০৮২ ১,২২,৭৮১
৭২ ইথিওপিয়া ১,৩৪,১৩২ ২,০৭১ ১,২০,১৯৯
৭৩ ওমান ১,৩৩,৪০৭ ১,৫২৪ ১,২৬,৪০৯
৭৪ প্যারাগুয়ে ১,২৮,৩৬৬ ২,৬৩২ ১,০৩,৮১১
৭৫ ভেনেজুয়েলা ১,২৪,১১২ ১,১৫৪ ১,১৬,৩৬৫
৭৬ নাইজেরিয়া ১,২২,৯৯৬ ১,৫০৭ ৯৮,৩৫৯
৭৭ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ১,২০,১৪৩ ৪,৫৯৩ ৯২,৬০৫
৭৮ লিবিয়া ১,১৫,২৯৯ ১,৭৮৯ ৯৪,২৮৭
৭৯ আলজেরিয়া ১,০৫,৮৫৪ ২,৮৬৬ ৭২,১৪৩
৮০ বাহরাইন ১,০০,২৩০ ৩৬৯ ৯৬,৭৬১
৮১ কেনিয়া ১,০০,১৯৩ ১,৭৫০ ৮৩,৬২৫
৮২ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ৯০,৭১৭ ২,৭৯১ ৭৮,৭২৭
৮৩ চীন ৮৯,১৯৭ ৪,৬৩৬ ৮২,৬৭৬
৮৪ কিরগিজস্তান ৮৪,০৬৮ ১,৪৯৮ ৮০,১৮২
৮৫ উজবেকিস্তান ৭৮,৪৭১ ৬২১ ৭৬,৯১২
৮৬ দক্ষিণ কোরিয়া ৭৫,৮৭৫ ১,৩৭১ ৬৪,৭৯৩
৮৭ আলবেনিয়া ৭২,৮১২ ১,৩২৪ ৪৪,২৯১
৮৮ ঘানা ৬২,১৩৫ ৩৭২ ৫৮,১৫০
৮৯ লাটভিয়া ৬১,৯২৪ ১,১২৬ ৪৯,০৩৫
৯০ নরওয়ে ৬১,৩১৫ ৫৫০ ৫৩,২৯৯
৯১ শ্রীলংকা ৫৯,৫৩৬ ২৮৭ ৫১,০৪৬
৯২ সিঙ্গাপুর ৫৯,৩৬৬ ২৯ ৫৯,০৮৬
৯৩ মন্টিনিগ্রো ৫৮,৬৯৭ ৭৭০ ৫০,২২১
৯৪ আফগানিস্তান ৫৪,৮৫৪ ২,৩৮৯ ৪৭,৪৫৯
৯৫ এল সালভাদর ৫৩,৪৭৯ ১,৫৮৩ ৪৭,০৭৩
৯৬ লুক্সেমবার্গ ৪৯,৭৩৩ ৫৬৬ ৪৭,১০৯
৯৭ জাম্বিয়া ৪৭,৬২২ ৬৭২ ৪০,৩৬২
৯৮ ফিনল্যাণ্ড ৪৩,১২০ ৬৫৫ ৩১,০০০
৯৯ এস্তোনিয়া ৪১,৩৩০ ৩৯২ ৩১,০৩৯
১০০ উগান্ডা ৩৯,১৮৮ ৩১৮ ১৪,০৫১
১০১ উরুগুয়ে ৩৮,০৪১ ৩৯০ ৩০,১৪৩
১০২ নামিবিয়া ৩২,৯৫৭ ৩২৮ ৩০,৪৩২
১০৩ মোজাম্বিক ৩২,৭৮১ ৩৬৩ ২১,০১১
১০৪ জিম্বাবুয়ে ৩১,৬৪৬ ১,০৭৫ ২২,৮৭৭
১০৫ সাইপ্রাস ৩০,১৪৩ ১৮৮ ২,০৫৭
১০৬ ক্যামেরুন ২৯,৬১৭ ৪৬২ ২৮,০৪৫
১০৭ অস্ট্রেলিয়া ২৮,৭৮০ ৯০৯ ২৬,০০৩
১০৮ আইভরি কোস্ট ২৭,০৯৬ ১৪৬ ২৫,০০০
১০৯ সুদান ২৬,৫৯৬ ১,৭৫০ ২০,৬৮০
১১০ সেনেগাল ২৫,১২৭ ৫৯২ ২০,৮৭০
১১১ কিউবা ২২,৬১৪ ২০০ ১৭,৭০৩
১১২ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ২২,০৪৮ ৬৬১ ১৪,৯৬৮
১১৩ বতসোয়ানা ২০,৬৫৮ ১২৪ ১৬,৭৯৪
১১৪ মালাউই ১৯,৯৮৭ ৫১৮ ৬,৭৮০
১১৫ অ্যাঙ্গোলা ১৯,৪৭৬ ৪৬১ ১৭,৩২৭
১১৬ মাদাগাস্কার ১৮,৭৪৩ ২৭৯ ১৭,৯৩০
১১৭ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ১৭,৯১২ ১২৯ ৪,৮৪২
১১৮ মালটা ১৬,৯৯৯ ২৫৫ ১৪,১০৪
১১৯ মৌরিতানিয়া ১৬,৪২১ ৪১৭ ১৫,৩০৫
১২০ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ১৫,৭০২ ৭৬ ৯,৯৯৫
১২১ জ্যামাইকা ১৫,১৫৩ ৩৩৯ ১১,৯১১
১২২ মালদ্বীপ ১৫,১০২ ৫১ ১৩,৮৮৪
১২৩ থাইল্যান্ড ১৪,৬৪৬ ৭৫ ১০,৮৯২
১২৪ ইসওয়াতিনি ১৪,৬২২ ৪৯৩ ৯,৩৯৪
১২৫ গিনি ১৪,৩৭৫ ৮১ ১৩,৭৪৬
১২৬ সিরিয়া ১৩,৬৯৭ ৮৯০ ৭,১২১
১২৭ কেপ ভার্দে ১৩,৫৫৭ ১২৭ ১২,৭৫১
১২৮ রুয়ান্ডা ১৩,৩১১ ১৭৭ ৮,৬৮১
১২৯ তাজিকিস্তান ১৩,৩০৮ ৯০ ১৩,২১৮
১৩০ বেলিজ ১১,৭৭০ ২৯৩ ১১,১৩১
১৩১ হাইতি ১১,২৮৬ ২৪৩ ৮,৯৯৭
১৩২ গ্যাবন ১০,৪১১ ৬৭ ১০,০১৩
১৩৩ হংকং ১০,২২৩ ১৭২ ৯,১০১
১৩৪ বুর্কিনা ফাঁসো ১০,১০৩ ১১৭ ৮,৩৮৮
১৩৫ রিইউনিয়ন ৯,৮৪৩ ৪৫ ৯,২৬১
১৩৬ এনডোরা ৯,৫৯৬ ৯৭ ৮,৭২৪
১৩৭ গুয়াদেলৌপ ৮,৯৮০ ১৫৪ ২,২৪২
১৩৮ বাহামা ৮,১৩৩ ১৭৫ ৬,৭২০
১৩৯ সুরিনাম ৮,১১২ ১৪৯ ৭,৩০৪
১৪০ লেসোথো ৮,০৪৭ ১৪৬ ২,৩৯৮
১৪১ মালি ৭,৯৯৫ ৩২৪ ৫,৭৩১
১৪২ কঙ্গো ৭,৮৮৭ ১১৭ ৫,৮৪৬
১৪৩ মায়োত্তে ৭,৫৯০ ৫৯ ২,৯৬৪
১৪৪ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৭,৪৯০ ১৩৪ ৭,০৩৩
১৪৫ গায়ানা ৭,৩১৭ ১৭২ ৬,৪৩১
১৪৬ আরুবা ৬,৭৪২ ৫৭ ৬,২৯৪
১৪৭ মার্টিনিক ৬,৩২৭ ৪৪ ৯৮
১৪৮ নিকারাগুয়া ৬,২০৪ ১৬৮ ৪,২২৫
১৪৯ আইসল্যান্ড ৫,৯৯২ ২৯ ৫,৯০৪
১৫০ জিবুতি ৫,৯২০ ৬১ ৫,৮৪০
১৫১ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৫,৪৫৪ ৮৬ ৫,২১৯
১৫২ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,৯৮০ ৬৩ ৪,৮৮৫
১৫৩ সোমালিয়া ৪,৭৫৪ ১৩০ ৩,৬৬৬
১৫৪ টোগো ৪,৬৮২ ৭৬ ৪,০০৫
১৫৫ কিউরাসাও ৪,৫৪৮ ২০ ৪,৪৩৮
১৫৬ নাইজার ৪,৩৭৪ ১৫১ ৩,৪৯৪
১৫৭ গাম্বিয়া ৪,০০৮ ১২৮ ৩,৭২২
১৫৮ জিব্রাল্টার ৩,৯৯২ ৬৫ ৩,৩৪৯
১৫৯ দক্ষিণ সুদান ৩,৭৮৮ ৬৪ ৩,৫৪২
১৬০ বেনিন ৩,৬৪৩ ৪৮ ৩,৩১৭
১৬১ চ্যানেল আইল্যান্ড ৩,৪৮৬ ৭৯ ৩,১৮৬
১৬২ চাদ ৩,১৮২ ১১৬ ২,২৬০
১৬৩ সিয়েরা লিওন ৩,১৭৩ ৭৭ ২,২২২
১৬৪ সান ম্যারিনো ২,৮৮৯ ৬৫ ২,৬২৮
১৬৫ গিনি বিসাউ ২,৫৩২ ৪৫ ২,৪২১
১৬৬ লিচেনস্টেইন ২,৪৫৫ ৫২ ২,৩২২
১৬৭ ইয়েমেন ২,৪৩৬ ৬৬০ ১,৫৮০
১৬৮ কমোরস ২,৩৫০ ৭৬ ১,৪২৪
১৬৯ নিউজিল্যান্ড ২,২৯০ ২৫ ২,২০০
১৭০ ইরিত্রিয়া ১,৯৭০ ১,৫৩০
১৭১ লাইবেরিয়া ১,৯৩২ ৮৪ ১,৭৩৩
১৭২ সিন্ট মার্টেন ১,৭৫৮ ২৭ ১,৫৯৮
১৭৩ মঙ্গোলিয়া ১,৬৫৬ ১,২১১
১৭৪ ভিয়েতনাম ১,৫৫১ ৩৫ ১,৪৩০
১৭৫ বুরুন্ডি ১,৪৭৯ ৭৭৩
১৭৬ বার্বাডোস ১,৪০১ ১০ ৬৪৯
১৭৭ মোনাকো ১,৩৬৮ ১,১৪০
১৭৮ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ১,২৮৭ ১,০০০
১৭৯ সেন্ট মার্টিন ১,১৪৬ ১২ ১,০০৬
১৮০ সিসিলি ১,১১৬ ৭৫৪
১৮১ সেন্ট লুসিয়া ৯২১ ১৩ ৪৭০
১৮২ তাইওয়ান ৮৯০ ৭৯৭
১৮৩ ভুটান ৮৫৬ ৭৩৪
১৮৪ পাপুয়া নিউ গিনি ৮৫০ ৮১২
১৮৫ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৭৪৬ ১৪৭
১৮৬ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৯৯
১৮৭ বারমুডা ৬৮৬ ১২ ৬৪০
১৮৮ ফারে আইল্যান্ড ৬৫৪ ৬৪৫
১৮৯ মরিশাস ৫৬৮ ১০ ৫২৫
১৯০ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৯১ কম্বোডিয়া ৪৬০ ৪১২
১৯২ আইল অফ ম্যান ৪৩২ ২৫ ৪৫১
১৯৩ কেম্যান আইল্যান্ড ৩৮৩ ৩৪৬
১৯৪ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ৩৬০ ২৪৪
১৯৫ সেন্ট বারথেলিমি ৩০০ ২০৪
১৯৬ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ২০১ ১৭০
১৯৭ ব্রুনাই ১৭৬ ১৬৯
১৯৮ গ্রেনাডা ১৪৮ ১৩৫
১৯৯ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ১১৪ ৯৫
২০০ ডোমিনিকা ১১৩ ১০৫
২০১ পূর্ব তিমুর ৬৭ ৫০
২০২ ফিজি ৫৫ ৫৩
২০৩ ম্যাকাও ৪৭ ৪৬
২০৪ নিউ ক্যালেডোনিয়া ৪৪ ৪৩
২০৫ লাওস ৪৪ ৪১
২০৬ সেন্ট কিটস ও নেভিস ৩৫ ৩৫
২০৭ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ৩৫ ২৯
২০৮ গ্রীনল্যাণ্ড ৩০ ৩০
২০৯ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ১৫
২১০ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ২৩ ১৬
২১১ সলোমান আইল্যান্ড ১৭ ১০
২১২ এ্যাঙ্গুইলা ১৬ ১৫
২১৩ মন্টসেরাট ১৩ ১৩
২১৪ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৫ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৬ ওয়ালিস ও ফুটুনা
২১৭ মার্শাল আইল্যান্ড
২১৮ সামোয়া
২১৯ ভানুয়াতু
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]