করোনা রোধে মাস্ক না পরা একটি ‘বড় ভুল’

ফিচার ডেস্ক
ফিচার ডেস্ক ফিচার ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:৫০ পিএম, ৩১ মার্চ ২০২০

চীনে কোভিড-১৯ মহামারীর একদম শুরুর দিকে বিদেশি মিডিয়াগুলো চীনা গবেষকদের সাথে সেইভাবে যোগাযোগ করার সুযোগ পাননি। সেই সময় চীনা গবেষকদের বেশিরভাগই তাদের এই মহামারী এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে লড়াই করা যায়, সেই বিষয়ে গবেষণায় পুরোপুরি ডুবে ছিলেন। সে জন্যই মিডিয়াগুলোর অনুরোধে সাড়া দেওয়া, বিশেষত বিদেশি সাংবাদিকদের সুযোগ দিতে পারেননি তারা। গত দুই মাস ধরে ‘সায়েন্স জার্নাল’ চীনের সেন্টার ফর ডিজিস কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) মহাপরিচালক জর্জ গাও-এর সাক্ষাৎকার নেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল। গত সপ্তাহে তিনি তাদের অনুরোধে সাড়া দিলেন। ২৭ মার্চ সাক্ষাৎকারটি প্রকাশিত হয় সায়েন্স জার্নালের অনলাইন ভার্সনে। জাগো নিউজের পাঠকদের জন্য সাক্ষাৎকারটি অনুবাদ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জিন প্রকৌশল ও জীবপ্রযুক্তি বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী মাহমুদা কবির শাওন। এতে সহযোগিতা করেছেন একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মুশতাক ইবনে আয়ূব—

ড. জর্জ গাও-এর তত্ত্বাবধানে ২০০০ গবেষক ও বিজ্ঞানী কাজ করেন। তিনি নিজেও একজন গবেষক বটে। জানুয়ারিতে চীনের যে গবেষক দল সর্বপ্রথম করোনাভাইরাসকে (সার্স-কভ-২) আলাদা করে এর জিন বিন্যাস (সিকোয়েন্সিং) করেন, গাও সেই দলেরই একজন ছিলেন। কোভিড-১৯ নিয়ে প্রকাশিত পেপারগুলোর মধ্যে ‘দা নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অব মেডিসিন’ এ প্রকাশিত হওয়া সর্বাধিক পঠিত দুইটি পেপার; যেগুলো সর্বপ্রথম কোভিড-১৯ এর মহামারী সংক্রান্তবিদ্যা এবং ক্লিনিক্যাল বৈশিষ্ট্যগুলো সম্পর্কে আলোকপাত করে। সেখানে তিনি কো-অথর (সহ লেখক বা সহ রচয়িতা) হিসেবে ছিলেন। এছাড়াও ‘দা ল্যানসেট’ জার্নালে কোভিড-১৯ নিয়ে তাঁর আরও ৩টি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।

এ মহামারীর প্রতিক্রিয়া বোঝার জন্য চীন এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার যৌথ উদ্যোগে চীনা গবেষক এবং আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানীদের একটি দল পুরো চীনের বিভিন্ন অঞ্চল ঘুরে তথ্য সংগ্রহ করেন এবং এ মহামারী সংক্রান্ত একটি যুগান্তকারী প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। গাও-এর গবেষকদল এ প্রতিবেদনে অনেক তথ্য দিয়ে সাহায্য করেন।

জর্জ গাও প্রথমে পশু-চিকিৎসক হিসেবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হলেও পরবর্তীতে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাণরসায়নে (বায়োকেমিস্ট্রি) পিএইচডি করেন। এছাড়া ইম্যুনোলজি এবং ভাইরোলজি নিয়ে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পোস্টডক করেন। তিনি মূলত দুর্বল লিপিড ঝিল্লি দিয়ে আবৃত ভাইরাস নিয়ে–বিশেষত কোষের মধ্যে এসব ভাইরাসের প্রবেশ এবং এক প্রজাতি থেকে অন্য প্রজাতিতে এদের স্থানান্তর কীভাবে হয়, সেই বিষয়ে গবেষণা করেন। নতুন করোনাভাইরাস এ দুর্বল লিপিড ঝিল্লিযুক্ত ভাইরাস গ্রুপের মধ্যে পড়ে।

jagonews24

সায়েন্স’র সাক্ষাৎকারের প্রশ্নগুলো গাও বেশকিছুদিন ধরে মেসেজ, ভয়েস মেইল এবং ফোন কলের মাধ্যমে দিয়েছেন। পাঠকের সুবিধার জন্য সাক্ষাৎকারটি স্পষ্ট এবং সংক্ষিপ্তরূপে প্রকাশ করেছে সায়েন্স। নিচে তার বঙ্গানুবাদ দেওয়া হলো—

প্রশ্ন: চীন যেভাবে কোভিড-১৯ এর মোকাবেলা করেছে, সেখান থেকে অন্যান্য দেশগুলো কী শিখতে পারে?
ড. জর্জ গাও: যেকোনো ধরনের সংক্রামক রোগ মোকাবেলার জন্য সামাজিক দূরত্বায়ন একটি আবশ্যিক কৌশল, বিশেষত রোগটি যদি শ্বসনতন্ত্রের সংক্রমণ হয়ে থাকে। সর্বপ্রথম আমরা ওষুধবিহীন কৌশলগুলো ব্যবহার করি। কারণ কোভিড-১৯ এর বিরুদ্ধে কোনো নির্দিষ্ট বাঁধাদানকারী বা ওষুধ নেই, এমনকি কোনো ভ্যাকসিনও নেই। দ্বিতীয়ত, আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে আপনি প্রতিটি আক্রান্ত ব্যক্তিকে আলাদা করেছেন। তৃতীয়ত, আক্রান্ত ব্যক্তিদের সংস্পর্শে যারা এসেছে তাদেরকে অবশ্যই কোয়ারেন্টাইন বা আলাদা করে রাখতে হবে, আক্রান্ত ব্যক্তিদের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগে যারা এসেছে তাদেরকে খুঁজে বের করতে এবং কোয়ারেন্টাইনে আলাদা করতে আমরা অনেক সময় ব্যয় করেছি। চতুর্থত, সব জনসমাগম স্থগিত করুন। চলাচল সীমিত করে দিন, আর সীমাবদ্ধ চলাচলের জন্যই লকডাউন করা হয়-ফরাসি ভাষায় যাকে cordon sanitaire বলা হয়।

প্রশ্ন: চীনে লকডাউন শুরু হয় ২৩ জানুয়ারি থেকে প্রথম উহান শহরে। পরবর্তীতে এটি হুবেই প্রদেশের উহানের প্রতিবেশী শহরগুলোতেও প্রসারিত হয়। অন্যান্য প্রদেশগুলোতে এ নিষেধাজ্ঞা সীমিত ছিল। এ সব বিষয় কিভাবে সমন্বয় করা হয়েছিল এবং এ ক্ষেত্রে পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলোর প্রচেষ্টা পর্যবেক্ষণে ‘তত্ত্বাবধায়নকারীদের’ ভূমিকা কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল?
ড. জর্জ গাও: এ ক্ষেত্রে অবশ্যই নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং একতা থাকতে হবে। সে জন্য প্রয়োজন আঞ্চলিক এবং জাতীয় পর্যায়ে দৃঢ় নেতৃত্ব। জনগণের খুব কাছে থেকে কাজ করে এমন তত্ত্বাবধায়ক এবং সমন্বয়কারী খুবই দরকার। তত্ত্বাবধায়কদের জানতে হবে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ এবং সন্দেহভাজন আক্রান্ত ব্যক্তি কে হতে পারে। আঞ্চলিক তত্ত্বাবধায়কদের অবশ্যই খুব সতর্ক থাকতে হবে। তারাই হলো মূল চাবি।

প্রশ্ন: অন্য দেশগুলো কী ভুল করছে?
ড. জর্জ গাও: আমার মতে, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপ সবচেয়ে বড় যে ভুলটি করছে, সেটি হলো মাস্ক না পরা। করোনাভাইরাস ড্রপলেট (বাতাসের ক্ষুদ্র কণা) এবং ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শের মাধ্যমে ছড়ায়। এ ভাইরাসের বিস্তার লাভে ড্রপলেট খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে। কেননা আমরা যখন কথা বলি; তখন সব সময় আমাদের মুখ থেকে ড্রপলেট বের হয়। অনেকেরই উপসর্গহীন এবং প্রাথমিক উপসর্গসহ সংক্রমণ রয়েছে। তারা মাস্ক পরিধান করলে মুখ থেকে ভাইরাস সম্বলিত এ ড্রপলেটগুলো বের হওয়া এবং অন্যদেরকে সংক্রমণ করা রোধ করতে পারবে।

প্রশ্ন: অন্যান্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা কী হতে পারে? যেমন চায়না বিভিন্ন স্টোর, বাড়ি এবং গণপরিবহনের স্টেশনের প্রবেশপথে থার্মোমিটারের বহুল ব্যবহার করছে।
ড. জর্জ গাও: হ্যাঁ। চায়নার ভেতরে আপনি যেখানেই যান না কেন থার্মোমিটার দেখতে পাবেন। আপনাকে যতবার সম্ভব মানুষের তাপমাত্রা নেওয়ার চেষ্টা করতে হবে। যাতে খুব বেশি জ্বরে আক্রান্ত লোককে অবশ্যই আলাদা করা যায় এবং জনসমাগমে প্রবেশ থেকে বাধা দেওয়া যায়। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং বিশেষভাবে লক্ষণীয় একটি প্রশ্ন হলো- ভাইরাসটি পরিবেশে ঠিক কতটা স্থিতিশীল। এটি লিপিড আবরণীযুক্ত ভাইরাস হওয়ায় মানুষ ভাবছে এটি দুর্বল বা ক্ষণস্থায়ী এবং বিশেষ করে পৃষ্ঠের তাপমাত্রা বা আর্দ্রতার প্রতি সংবেদনশীল। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের ফলাফল এবং চীনের পর্যবেক্ষণ উভয় থেকেই দেখা যায়, ভাইরাসটি কোনো কিছুর পৃষ্ঠে নিজের ধ্বংস হওয়া প্রতিরোধ করে টিকে থাকতে পারে।। ভাইরাসটি অনেক পরিবেশেই বাঁচতে সক্ষম। এ বিষয়ে এখনো আমাদের বিজ্ঞান ভিত্তিক উত্তর দরকার।

jagonews24

প্রশ্ন: চীনের উহানে কোভিড-১৯ আক্রান্ত ব্যক্তিদের, এমনকি মৃদু উপসর্গযুক্ত ব্যক্তিদেরও বৃহৎ ব্যবস্থাপনায় নেওয়া হয়েছে এবং পরিবারের সাথে দেখা করার অনুমতি দেওয়া হয়নি। বিষয়টি কি অন্য দেশগুলোর বিবেচনায় নেওয়া উচিত?
ড. জর্জ গাও: আক্রান্ত ব্যক্তিদের অবশ্যই আলাদা করতে হবে। এ বিচ্ছিন্নকরণ সর্বত্র হওয়া উচিত। কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ তখনই সম্ভব হবে; যখন সংক্রমণের উৎসকে আলাদা করা সম্ভব হবে। আর এজন্যই আমরা আলাদা হাসপাতাল তৈরি করেছি এবং স্টেডিয়ামগুলোকে হাসপাতালে রূপান্তরিত করেছি।

প্রশ্ন: চীনে কোভিড-১৯ সংক্রমণের উৎস নিয়ে অনেক জিজ্ঞাসা আছে। চীনা গবেষকগণের প্রতিবেদন অনুযায়ী সর্বপ্রথম কোভিড-১৯ ধরা পড়ে ২০১৯ সালের ১ ডিসেম্বর। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীন সরকারের তথ্য অনুযায়ী ২০১৯ সালের নভেম্বরেই কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগী পাওয়া গিয়েছিল এবং প্রথম কেস ছিল ১৭ নভেম্বর ২০১৯। এ প্রতিবেদনের বিষয়ে আপনি কী মনে করেন?
ড. জর্জ গাও: নভেম্বরে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়ে এখনো কোনো শক্ত প্রমাণ নেই। আমরা এখনো ভাইরাসটির উৎস ভালোভাবে বোঝার চেষ্টা করে যাচ্ছি।

প্রশ্ন: উহানের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা হুয়ানান সামুদ্রিক খাবারের বাজারের সাথে আক্রান্ত ব্যক্তিদের একটি বড় অংশের সম্পৃক্ততা বের করতে পেরেছিলেন এবং ১ জানুয়ারি সেটি বন্ধ করে দেন। তাদের ধারণা ছিল বাজারে বিক্রি করা এবং নৃশংসভাবে হত্যা করা কোনো প্রাণি থেকে ভাইরাসটি মানুষের মাঝে সংক্রমিত হয়েছে। কিন্তু এনইজেএমে আপনার প্রকাশিত পেপার, যেখানে কেসগুলোর পূর্বাপর ঘটনাগুলো বিশ্লেষণ অন্তর্ভুক্ত ছিল। সেখানে আপনি বলেছেন, প্রথম পাঁচজন আক্রান্ত ব্যক্তির চারজনের সাথেই হুয়ানান সামুদ্রিক খাবারের বাজারের কোনো সম্পর্ক নেই। আপনার কি মনে হয়, এ সামুদ্রিক খাবারের বাজার এ ভাইরাসের সম্ভাব্য উৎস হতে পারে? নাকি এটি কেবলই একটি বিভ্রান্তিমূলক তথ্য-একটি বিবর্ধিত ফ্যাক্টর কিন্তু মূল উৎস নয়?
ড. জর্জ গাও: খুবই ভালো প্রশ্ন। একদম শুরু থেকে সবাই বাজারটিকে ভাইরাসের উৎস হিসেবে ভেবেছে। এ মুহূর্তে আমি ভাবছি বাজারটি সংক্রমণের প্রাথমিক স্থান হতে পারে অথবা হতে পারে এখানে সংক্রমণের বিবর্ধন হয়েছে। তার মানে এটি একটি বৈজ্ঞানিক প্রশ্ন এবং এ ক্ষেত্রে দুটি সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রশ্ন: ভাইরাসটির জিন বিন্যাস (সিকোয়েন্স) সাথে সাথে প্রকাশ না করায় চীন সমালোচনার মুখোমুখি হয়েছিল। দি ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে ৮ জানুয়ারি নতুন করোনাভাইরাস নিয়ে একটি লেখা প্রকাশিত হয়। কিন্তু এটি চীনা সরকারের বিজ্ঞানীদের থেকে আসেনি। কেন এমনটি হলো?
ড. জর্জ গাও: দি ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের খুবই ভালো অনুমান ছিল এটি। জিন বিন্যাস সম্পর্কে হু’কে জানানো হয়েছিল এবং আমার মনে হয় নিবন্ধটি প্রকাশিত হওয়া এবং সরকারিভাবে সিকোয়েন্স শেয়ার করার মধ্যকার সময়ের পার্থক্য কেবল কয়েক ঘণ্টা। আমি মনে করি না, একদিনের বেশি পার্থক্য আছে এর মাঝে।

প্রশ্ন: কিন্তু ভাইরাল সিকোয়েন্সের একটি পাবলিক ডাটাবেজ অনুযায়ী পরবর্তীতে জানা যায় যে, ৫ জানুয়ারি প্রথম সিকোয়েন্সটি চীনা গবেষকরা জমা দিয়েছিলেন। সুতরাং এর মাঝে কমপক্ষে ৩ দিন ছিল; যার মাঝে আপনারা এ নতুন করোনাভাইরাস সম্পর্কে জানতেন। যদিও প্রশ্নটি মহামারীর গতিপথ বদলাবে না। কিন্তু সত্যি কথা বলতে, সিকোয়েন্সটি প্রকাশ্যে জানানোর আগে কিছু একটা ঘটেছিল।
ড. জর্জ গাও: আমার তা মনে হয় না। আমরা তাৎক্ষণিকভাবে বৈজ্ঞানিক সহকর্মীদের সাথে তথ্যটি শেয়ার করেছি। তবে এটি জনস্বাস্থ্যের সাথে সম্পর্কিত বলে নীতিনির্ধারকদের মাধ্যমে এটি জনসম্মুখে প্রকাশ করার জন্য আমাদের অপেক্ষা করতে হয়েছিল। আপনি নিশ্চয়ই জনসাধারণকে আতঙ্কিত করতে চান না, তাই না? কোনো দেশের কোনো মানুষই ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারেনি যে, ভাইরাসটি মহামারী সৃষ্টি করবে। এটি এখন পর্যন্ত প্রথম নন-ইনফ্লুয়েঞ্জা মহামারী।

প্রশ্ন: মানুষ থেকে মানুষে সংক্রমণের সুস্পষ্ট প্রমাণ সম্পর্কে চীনা বিজ্ঞানীরা ২০ জানুয়ারির আগে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দিতে পারেননি। এটি যে মহামারী হবে তা কি বুঝতে চীনের বিজ্ঞানীদের অসুবিধা হয়েছিল? এ বিষয়ে আপনি কী ভাবেন?
ড. জর্জ গাও: তখন পর্যন্ত মহামারী সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। প্রথম থেকে আমরা খুবই উন্মত্ত এবং অজানা একটি ভাইরাসের মুখোমুখি হয়েছি। ইতালি, ইউরোপের অন্যান্য জায়গায় এবং যুক্তরাষ্ট্রেও একই অবস্থা। একদম শুরু থেকেই বিজ্ঞানীরা, জনসাধারণ সবাই ভেবেছে- ‘ঠিক আছে, এটি তো কেবল একটি ভাইরাস।’

প্রশ্ন: চীনে সংক্রমণের হার এখন কমে খুবই ধীর হয়ে গিয়েছে এবং নতুন আক্রান্ত ব্যক্তিদের সবাই মূলত দেশে প্রবেশকারী, এ তথ্য কি সঠিক?
ড. জর্জ গাও: হ্যাঁ। এ মুহূর্তে চীনে কোনো আঞ্চলিক সংক্রমণ নেই। কিন্তু চীনের জন্য এখন নতুন সমস্যা হচ্ছে আগমনকারী আক্রান্ত ব্যক্তি। অনেক আক্রান্ত ভ্রমণকারী ব্যক্তি চীনে আসছে।

প্রশ্ন: তবে চীন যখন স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে; তখন কী হবে? আপনি কি ভাবেন যে, এখন পর্যন্ত পর্যাপ্ত লোক সংক্রমিত হয়েছে। যাতে herd immunity ভাইরাসটিকে দূরে রাখতে পারে?
ড. জর্জ গাও: এখনো অবশ্যই আমাদের herd immunity নেই। কিন্তু আমরা অ্যান্টিবডি পরীক্ষা থেকে আরও সুনির্দিষ্ট ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করছি। যাতে প্রকৃতপক্ষে কত লোক সংক্রমিত হয়েছে, তা জানতে পারি।

প্রশ্ন: তাহলে বর্তমানে কৌশল কী হবে? কার্যকর ওষুধ খুঁজে বের করতে সময় নেওয়া?
ড. জর্জ গাও: হ্যাঁ। আমাদের বিজ্ঞানীরা ভ্যাকসিন এবং ওষুধ-দু’টো নিয়েই কাজ করছে।

jagonews24

প্রশ্ন: এখন পর্যন্ত পরীক্ষিত সব ওষুধের মধ্যে রেমডেসিভিরকে বিজ্ঞানীরা এ ভাইরাসের বিরুদ্ধে সবচেয়ে কার্যকর মনে করছেন। ঠিক কবে নাগাদ চীনে এ ওষুধের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের তথ্য আসবে বলে মনে করেন আপনি?
ড. জর্জ গাও: এপ্রিলে।

প্রশ্ন: চীনের বিজ্ঞানীরা কি এমন কোনো প্রাণির মডেল তৈরি করেছেন, যা প্যাথোজেনেসিস অধ্যয়ন এবং ওষুধ ও ভ্যাকসিন পরীক্ষার ক্ষেত্রে যথেষ্ট শক্তিশালী হবে বলে আপনি মনে করেন?
ড. জর্জ গাও: এ মুহূর্তে আমরা বানর এবং ট্রান্সজেনিক ইঁদুর-উভয় মডেলই ব্যবহার করছি। এদের ACE2 (মানুষের দেহে ভাইরাসের যে রিসেপ্টর) জিন আছে। ইঁদুর মডেল চায়নাতে ওষুধ এবং ভ্যাকসিন তৈরিতে প্রচুর ব্যবহৃত হয়। আমার মনে হয়, বানর মডেলের উপর গবেষণার বেশ কিছু পেপার শিগগিরই সামনে আসছে। আমদের বানর মডেল আসলেই কাজ করে এ বিষয়ে আমি আপনাকে নিশ্চয়তা দিয়ে বলতে পারি।

প্রশ্ন: প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন করোনাভাইরাসকে ‘চায়না ভাইরাস’ বা ‘চাইনিজ ভাইরাস’ হিসেবে উল্লেখ করার বিষয়ে আপনার মতামত কী?
ড. জর্জ গাও: একে ‘চাইনিজ ভাইরাস’ বলা অবশ্যই খুব একটা ভালো বিষয় নয়। ভাইরাসটি এ পৃথিবীর অন্তর্ভুক্ত। এটি সবার জন্যই সাধারণ শত্রু, কোনো ব্যক্তি বা দেশ বিশেষের নয়।

মূল সাক্ষাৎকার: জন কোহেন

এসইউ/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৫৮,২৪,৯৫২
আক্রান্ত

৩,৫৮,২০০
মৃত

২৫,২৩,০০৯
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৪০,৩২১ ৫৫৯ ৮,৪২৫
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৭,৪৯,৭১৯ ১,০২,২৪৮ ৪,৯০,২৫৬
ব্রাজিল ৪,১৪,৬৬১ ২৫,৬৯৭ ১,৬৬,৬৪৭
রাশিয়া ৩,৭৯,০৫১ ৪,১৪২ ১,৫০,৯৯৩
স্পেন ২,৮৩,৮৪৯ ২৮,৭৫২ ১,৯৬,৯৫৮
যুক্তরাজ্য ২,৬৭,২৪০ ৩৭,৪৬০ ৩৪৪
ইতালি ২,৩১,১৩৯ ৩৩,০৭২ ১,৪৭,১০১
ফ্রান্স ১,৮২,৯৪২ ২৮,৫৯৬ ৬৬,৫৮৪
জার্মানি ১,৮২,১৫০ ৮,৫৪৮ ১,৬৩,২০০
১০ ভারত ১,৬০,৩১০ ৪,৫৬০ ৬৮,৭১৩
১১ তুরস্ক ১,৫৯,৭৯৭ ৪,৪৩১ ১,২২,৭৯৩
১২ ইরান ১,৪৩,৮৪৯ ৭,৬২৭ ১,১২,৯৮৮
১৩ পেরু ১,৩৫,৯০৫ ৩,৯৮৩ ৫৬,১৬৯
১৪ কানাডা ৮৭,৫১৯ ৬,৭৬৫ ৪৬,১৬৪
১৫ চীন ৮২,৯৯৫ ৪,৬৩৪ ৭৮,২৮৮
১৬ চিলি ৮২,২৮৯ ৮৪১ ৩৩,৫৪০
১৭ সৌদি আরব ৮০,১৮৫ ৪৪১ ৫৪,৫৫৩
১৮ মেক্সিকো ৭৮,০২৩ ৮,৫৯৭ ৫৪,৩৮৩
১৯ পাকিস্তান ৬১,২২৭ ১,২৬০ ২০,২৩১
২০ বেলজিয়াম ৫৭,৮৪৯ ৯,৩৮৮ ১৫,৫৭২
২১ কাতার ৫০,৯১৪ ৩৩ ১৫,৩৯৯
২২ নেদারল্যান্ডস ৪৫,৯৫০ ৫,৯০৩ ২৫০
২৩ বেলারুশ ৩৯,৮৫৮ ২১৯ ১৬,৬৬০
২৪ ইকুয়েডর ৩৮,১০৩ ৩,২৭৫ ১৮,৪২৫
২৫ সুইডেন ৩৫,৭২৭ ৪,২৬৬ ৪,৯৭১
২৬ সিঙ্গাপুর ৩৩,২৪৯ ২৩ ১৭,২৭৬
২৭ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৩২,৫৩২ ২৫৮ ১৬,৬৮৫
২৮ পর্তুগাল ৩১,৫৯৬ ১,৩৬৯ ১৮,৬৩৭
২৯ সুইজারল্যান্ড ৩০,৭৯৬ ১,৯১৯ ২৮,৩০০
৩০ দক্ষিণ আফ্রিকা ২৫,৯৩৭ ৫৫২ ১৩,৪৫১
৩১ আয়ারল্যান্ড ২৪,৮০৩ ১,৬৩১ ২২,০৮৯
৩২ ইন্দোনেশিয়া ২৪,৫৩৮ ১,৪৯৬ ৬,২৪০
৩৩ কুয়েত ২৪,১১২ ১৮৫ ৮,৬৯৮
৩৪ কলম্বিয়া ২৪,১০৪ ৮০৩ ৬,১১১
৩৫ পোল্যান্ড ২২,৬০০ ১,০৩০ ১০,৫৬০
৩৬ ইউক্রেন ২২,৩৮২ ৬৬৯ ৮,৪৩৯
৩৭ মিসর ১৯,৬৬৬ ৮১৬ ৫,২০৫
৩৮ রোমানিয়া ১৮,৭৯১ ১,২৩১ ১২,৬২৯
৩৯ ইসরায়েল ১৬,৮০৯ ২৮১ ১৪,৬০২
৪০ জাপান ১৬,৬৫১ ৮৫৮ ১৩,৯৭৩
৪১ অস্ট্রিয়া ১৬,৬২৮ ৬৬৮ ১৫,২৮৬
৪২ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১৫,৭২৩ ৪৭৪ ৮,৭৯০
৪৩ ফিলিপাইন ১৫,৫৮৮ ৯২১ ৩,৫৯৮
৪৪ আর্জেন্টিনা ১৩,৯৩৩ ৫০০ ৪,৩৪৯
৪৫ আফগানিস্তান ১৩,০৩৬ ২৩৫ ১,২০৯
৪৬ পানামা ১১,৭২৮ ৩১৫ ৭,৩৭৯
৪৭ ডেনমার্ক ১১,৫১২ ৫৬৮ ১০,১৮০
৪৮ দক্ষিণ কোরিয়া ১১,৩৪৪ ২৬৯ ১০,৩৪০
৪৯ সার্বিয়া ১১,৩০০ ২৪১ ৬,৪৩৮
৫০ বাহরাইন ৯,৯৭৭ ১৫ ৫,২৯৫
৫১ কাজাখস্তান ৯,৫৭৬ ৪৮৯ ৪,৮৯৩
৫২ চেক প্রজাতন্ত্র ৯,১০৩ ৩১৭ ৬,৩৭৭
৫৩ ওমান ৯,০০৯ ৪০ ২,১৭৭
৫৪ আলজেরিয়া ৮,৮৫৭ ৬২৩ ৫,১২৯
৫৫ নাইজেরিয়া ৮,৭৩৩ ২৫৪ ২,৫০১
৫৬ নরওয়ে ৮,৪০৬ ২৩৬ ৭,৭২৭
৫৭ আর্মেনিয়া ৮,২১৬ ১১৩ ৩,২৮৭
৫৮ বলিভিয়া ৭,৭৬৮ ২৮০ ৬৮৯
৫৯ মলদোভা ৭,৭২৫ ২৮২ ৪,১২৩
৬০ মরক্কো ৭,৬৩৬ ২০২ ৫,১০৯
৬১ মালয়েশিয়া ৭,৬২৯ ১১৫ ৬,১৬৯
৬২ ঘানা ৭,৩০৩ ৩৪ ২,৪১২
৬৩ অস্ট্রেলিয়া ৭,১৫০ ১০৩ ৬,৫৮০
৬৪ ফিনল্যাণ্ড ৬,৭৪৩ ৩১৩ ৫,৫০০
৬৫ ইরাক ৫,৪৫৭ ১৭৯ ২,৯৭১
৬৬ ক্যামেরুন ৫,৪৩৬ ১৭৫ ১,৯৯৬
৬৭ হন্ডুরাস ৪,৬৪০ ১৯৪ ৫০৬
৬৮ আজারবাইজান ৪,৫৬৮ ৫৪ ২,৮৯৭
৬৯ সুদান ৪,৩৪৬ ১৯৫ ৭৪৯
৭০ গুয়াতেমালা ৪,১৪৫ ৬৮ ৪৯৩
৭১ লুক্সেমবার্গ ৪,০০১ ১১০ ৩,৭৯১
৭২ হাঙ্গেরি ৩,৮১৬ ৫০৯ ১,৯৯৬
৭৩ তাজিকিস্তান ৩,৫৬৩ ৪৭ ১,৬৭৪
৭৪ উজবেকিস্তান ৩,৪৩৭ ১৪ ২,৬৯৪
৭৫ সেনেগাল ৩,৩৪৮ ৩৯ ১,৬৮৬
৭৬ গিনি ৩,২৭৫ ২০ ১,৬৭৩
৭৭ থাইল্যান্ড ৩,০৬৫ ৫৭ ২,৯৪৫
৭৮ জিবুতি ২,৯১৪ ২০ ১,২৪১
৭৯ গ্রীস ২,৯০৩ ১৭৩ ১,৩৭৪
৮০ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ২,৬৬০ ৬৯ ৩৮১
৮১ আইভরি কোস্ট ২,৫৫৬ ৩১ ১,৩০২
৮২ বুলগেরিয়া ২,৪৭৭ ১৩৪ ৯৬৫
৮৩ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২,৪৬২ ১৫৩ ১,৭৮১
৮৪ গ্যাবন ২,৩১৯ ১৪ ৬৩১
৮৫ ক্রোয়েশিয়া ২,২৪৫ ১০২ ২,০৫১
৮৬ এল সালভাদর ২,১৯৪ ৩৯ ১,০০২
৮৭ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ২,০৭৭ ১২১ ১,৪৮৬
৮৮ কিউবা ১,৯৮৩ ৮২ ১,৭৩৪
৮৯ এস্তোনিয়া ১,৮৫১ ৬৬ ১,৫৭৪
৯০ আইসল্যান্ড ১,৮০৫ ১০ ১,৭৯২
৯১ সোমালিয়া ১,৭৩১ ৬৭ ২৬৫
৯২ মায়োত্তে ১,৬৭০ ২১ ১,৩১৫
৯৩ লিথুনিয়া ১,৬৫৬ ৬৮ ১,১৯৩
৯৪ কেনিয়া ১,৬১৮ ৫৮ ৪২১
৯৫ কিরগিজস্তান ১,৫৯৪ ১৬ ১,০৬৬
৯৬ স্লোভাকিয়া ১,৫২০ ২৮ ১,৩৩২
৯৭ নিউজিল্যান্ড ১,৫০৪ ২২ ১,৪৭৪
৯৮ শ্রীলংকা ১,৫০৩ ১০ ৭৪৫
৯৯ স্লোভেনিয়া ১,৪৭৩ ১০৮ ১,৩৫৬
১০০ মালদ্বীপ ১,৪৫৭ ১৯৭
১০১ হাইতি ১,৩২০ ৩৪ ২৯
১০২ ভেনেজুয়েলা ১,২৪৫ ১৬ ৩০২
১০৩ গিনি বিসাউ ১,১৯৫ ৪২
১০৪ লেবানন ১,১৬৮ ২৬ ৬৯৯
১০৫ মালি ১,১১৬ ৭০ ৬৩২
১০৬ আলবেনিয়া ১,০৭৬ ৩৩ ৮২৩
১০৭ তিউনিশিয়া ১,০৬৮ ৪৮ ৯৩৮
১০৮ হংকং ১,০৬৭ ১,০৩৫
১০৯ লাটভিয়া ১,০৬১ ২৪ ৭৪১
১১০ জাম্বিয়া ১,০৫৭ ৭৭৯
১১১ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১,০৪৩ ১২ ১৬৫
১১২ নেপাল ১,০৪২ ১৮৭
১১৩ দক্ষিণ সুদান ৯৯৪ ১০
১১৪ কোস্টারিকা ৯৮৪ ১০ ৬৩৯
১১৫ নাইজার ৯৫৫ ৬৪ ৭৯৬
১১৬ সাইপ্রাস ৯৩৯ ১৭ ৫৯৪
১১৭ উরুগুয়ে ৮৮৭ ২২ ৬৫০
১১৮ প্যারাগুয়ে ৮৮৪ ১১ ৩৯২
১১৯ বুর্কিনা ফাঁসো ৮৪৫ ৫৩ ৬৭২
১২০ ইথিওপিয়া ৮৩১ ১৯১
১২১ সিয়েরা লিওন ৮১২ ৪৫ ৩৬১
১২২ এনডোরা ৭৬৩ ৫১ ৬৭৬
১২৩ নিকারাগুয়া ৭৫৯ ৩৫ ৩৭০
১২৪ জর্জিয়া ৭৩৮ ১২ ৫৭৩
১২৫ জর্ডান ৭২০ ৫৮৬
১২৬ চাদ ৭১৫ ৬৪ ৩৫৯
১২৭ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫১
১২৮ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৭০২ ২৩
১২৯ সান ম্যারিনো ৬৭০ ৪২ ৩২২
১৩০ মাদাগাস্কার ৬৫৬ ১৫৪
১৩১ মালটা ৬১৬ ৫০১
১৩২ ফিলিস্তিন ৫৭৭ ৩৬৫
১৩৩ কঙ্গো ৫৭১ ১৯ ১৬১
১৩৪ জ্যামাইকা ৫৬৯ ২৭৯
১৩৫ চ্যানেল আইল্যান্ড ৫৬০ ৪৫ ৫১৭
১৩৬ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৩৭ রিইউনিয়ন ৪৬০ ৪১১
১৩৮ তাইওয়ান ৪৪১ ৪২০
১৩৯ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৪০৬ ১৫০
১৪০ টোগো ৩৯৫ ১৩ ১৮৩
১৪১ কেপ ভার্দে ৩৯০ ১৫৫
১৪২ রুয়ান্ডা ৩৪৬ ২৪৫
১৪৩ বেনিন ৩৩৯ ১৩৪
১৪৪ আইল অফ ম্যান ৩৩৬ ২৪ ৩০৬
১৪৫ মরিশাস ৩৩৪ ১০ ৩২২
১৪৬ ভিয়েতনাম ৩২৭ ২৭৮
১৪৭ মন্টিনিগ্রো ৩২৪ ৩১৫
১৪৮ মৌরিতানিয়া ২৯২ ১৬ ১৫
১৪৯ উগান্ডা ২৮১ ৬৯
১৫০ ইসওয়াতিনি ২৭২ ১৬৮
১৫১ লাইবেরিয়া ২৬৯ ২৭ ১৪৪
১৫২ ইয়েমেন ২৫৬ ৫৩ ১১
১৫৩ মোজাম্বিক ২২৭ ৭১
১৫৪ মায়ানমার ২০৬ ১২৬
১৫৫ মার্টিনিক ১৯৭ ১৪ ৯১
১৫৬ ফারে আইল্যান্ড ১৮৭ ১৮৭
১৫৭ গুয়াদেলৌপ ১৬১ ১৪ ১১৫
১৫৮ মঙ্গোলিয়া ১৬১ ৪৩
১৫৯ জিব্রাল্টার ১৫৮ ১৪৭
১৬০ ব্রুনাই ১৪১ ১৩৮
১৬১ কেম্যান আইল্যান্ড ১৪০ ৬৭
১৬২ বারমুডা ১৩৯ ৯১
১৬৩ গায়ানা ১৩৯ ১১ ৬৭
১৬৪ জিম্বাবুয়ে ১৩২ ২৫
১৬৫ কম্বোডিয়া ১২৪ ১২২
১৬৬ সিরিয়া ১২১ ৪৩
১৬৭ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ১১৬ ১০৮
১৬৮ আরুবা ১০১ ৯৭
১৬৯ মালাউই ১০১ ৩৭
১৭০ বাহামা ১০০ ১১ ৪৬
১৭১ লিবিয়া ৯৯ ৪০
১৭২ মোনাকো ৯৮ ৯০
১৭৩ বার্বাডোস ৯২ ৭৬
১৭৪ কমোরস ৮৭ ২৪
১৭৫ লিচেনস্টেইন ৮২ ৫৫
১৭৬ সিন্ট মার্টেন ৭৭ ১৫ ৬০
১৭৭ অ্যাঙ্গোলা ৭১ ১৮
১৭৮ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৬০ ৬০
১৭৯ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৫৪
১৮০ ম্যাকাও ৪৫ ৪৫
১৮১ বুরুন্ডি ৪২ ২০
১৮২ সেন্ট মার্টিন ৪০ ৩৩
১৮৩ ইরিত্রিয়া ৩৯ ৩৯
১৮৪ বতসোয়ানা ৩৫ ২০
১৮৫ ভুটান ৩১
১৮৬ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ২৫ ১৯
১৮৭ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ২৫ ১৪
১৮৮ গাম্বিয়া ২৫ ১৯
১৮৯ পূর্ব তিমুর ২৪ ২৪
১৯০ গ্রেনাডা ২৩ ১৮
১৯১ নামিবিয়া ২২ ১৪
১৯২ লাওস ১৯ ১৬
১৯৩ নিউ ক্যালেডোনিয়া ১৮ ১৮
১৯৪ সেন্ট লুসিয়া ১৮ ১৮
১৯৫ কিউরাসাও ১৮ ১৪
১৯৬ ফিজি ১৮ ১৫
১৯৭ বেলিজ ১৮ ১৬
১৯৮ ডোমিনিকা ১৬ ১৬
১৯৯ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৫ ১৫
২০০ গ্রীনল্যাণ্ড ১৩ ১১
২০১ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২০২ সুরিনাম ১২
২০৩ ভ্যাটিকান সিটি ১২
২০৪ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ১২ ১০
২০৫ সিসিলি ১১ ১১
২০৬ মন্টসেরাট ১১ ১০
২০৭ জান্ডাম (জাহাজ)
২০৮ পশ্চিম সাহারা
২০৯ পাপুয়া নিউ গিনি
২১০ সেন্ট বারথেলিমি
২১১ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস
২১২ এ্যাঙ্গুইলা
২১৩ লেসোথো
২১৪ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।