ছাড়পোকার পেটভর্তি রক্ত, রোগীরা ঘুমাবে কীভাবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:৪৪ পিএম, ০৮ মার্চ ২০২৬
হাসপাতাল পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী, ছবি: জাগো নিউজ

রাজধানীর জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে রোগীদের বেডে রক্তমাখা দাগ ও ছাড়পোকার উপদ্রব দেখে বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল।

হাসপাতালের নাজুক পরিবেশ দেখে তিনি প্রশ্ন রাখেন, ছাড়পোকার পেটভর্তি রক্ত, রোগীরা ঘুমাবে কীভাবে?

রোববার (৮ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে হঠাৎ হাসপাতালটি পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিতও উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শনকালে রোগী ও তাদের স্বজনরা হাসপাতালের খাবারের নিম্নমান, তেলাপোকা-ছাড়পোকার উপদ্রব এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের বিষয়ে মন্ত্রীদের কাছে অভিযোগ করেন।

এসময় রোগীরা মন্ত্রীকে বলেন, হাসপাতালের খাবারের মান ও পরিবেশ খুবই খারাপ। প্রচুর পরিমাণে ছাড়পোকা রয়েছে এবং রাতে ঘুমানো যায় না। সেইসঙ্গে তেলাপোকার জন্য কিছু রাখা যায় না। মশার উপদ্রবও রয়েছে।

তারা বলেন, হাসপাতাল থেকে যে খাবার দেওয়া হয়, তার মানও ভালো নয় এবং অনেক সময় তা খাওয়া যায় না। বাধ্য হয়ে বাইরে থেকে খাবার কিনে এনে খেতে হয়। অনেক রোগীই হাসপাতালের দেওয়া খাবার খেতে পারেন না।

রোগীদের স্বজনরা বলেন, রোগীর সঙ্গে যারা হাসপাতালে থাকেন তারাও অসুস্থ হয়ে পড়েন এমন অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে। তেলাপোকা ও ছাড়পোকার কারণে খাবার নষ্ট হয়ে যায়।

এসময় রোগীরা স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে রক্তমাখা বেড দেখান।

হাসপাতালটির পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. মাহবুবুর রহমান স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে বলেন, এত তেলাপোকা আর ছাড়পোকা-পারতেছি না। ব্যর্থতা আছে। ছাড়পোকা প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, কিন্তু কমছে না।

পাশ থেকে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত পরিচালককে উদ্দেশ্য করে বলেন, দেড় মাস ধরে ডেঙ্গুর সময় যাচ্ছে। আপনি জানেন এবং দেখেন। তবুও এমন কেন?

পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতালের রান্নাঘরও ঘুরে দেখেন এবং রোগীদের জন্য তৈরি করা রুটির মেয়াদ আছে কি না তাও পরীক্ষা করেন।

এসইউজে/এসএনআর 

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।