করোনা চিকিৎসায় আইভারমেকটিনের ভূমিকা কী?

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৩:৫৯ পিএম, ২৩ মে ২০২০

চিকিৎসা বিজ্ঞানে পেনিসিলিন ও অ্যাসপিরিনের পরে তৃতীয় যে ওষুধটিকে ‘বিস্ময়কর ওষুধ’ (wonder drug) হিসেবে ধরা হয়, সেটি হলো আইভারমেকটিন। স্বাস্থ্য ব্যবস্থায়, বিশেষ করে গরিবের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আইভারমেকটিনের অবদান অপরিসীম।

শুরুতে পশু চিকিৎসায় ব্যবহৃত হলেও পরে মানবদেহের ভেতরের ও বাইরের প্যারাসাইট ধ্বংসে কয়েক যুগ ধরে ওষুধটি ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কৃমি, ফাইলেরিয়াসিস, উকুন, রিভার ব্লাইন্ডনেস, খোস-পাঁচড়াসহ বহু প্যারাসাইটিক ইনফেকশনে ওষুধটির কার্যকারিতা অনবদ্য। বৈচিত্র্যময় কার্যপরিধি, সহজলভ্যতা, সাশ্রয়ী মূল্য এবং স্বল্প পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া— সবমিলে আইভারমেকটিন আসলেই বিস্ময়কর ওষুধ।

কোভিড-১৯ চিকিৎসায় সম্ভাব্য কার্যকারিতা নিয়ে ওষুধটি এখন আলোচিত বিষয়।

kadrul-huda

আইভারমেকটিন আবিষ্কৃত হয় গত শতাব্দীর ‘৭০-এর দশকে, জাপানের কিতাসাতো ইনস্টিটিউটে। একধরনের জাপানিজ মাইক্রো-অর্গ্যানিজম থেকে এর উৎপত্তি। প্যারাসাইটিক রোগনির্মূল ও নিয়ন্ত্রণসহ জনস্বাস্থ্যের ওপর বিশাল অবদানের জন্য ওষুধটির আবিষ্কারক ও ডেভেলপার সাতোশি ওমুরা ও উইলিয়াম সি. ক্যাম্পবেল ২০১৫ সালে চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান। ওই বছরের মার্চ মাসে অস্ট্রেলিয়ার মোনাশ ইউনিভার্সিটির এক গবেষণায় কোভিড-১৯ চিকিৎসায় আইভারমেকটিন কার্যকর দাবি করলে বিজ্ঞানীরা নড়েচড়ে বসেন।

গবেষণায় বলা হয়, ইন ভিট্রো (in vitro) আইভারমেকটিন কোভিড-১৯ রোগের ভাইরাস সার্স-কোভ-২-কে দমন করতে পারে, এবং সেল কালচারে (in cell culture) ওষুধের একটি সিঙেল ডোজ ভাইরাসের সংখ্যা ৫০০০ ভাগের এক ভাগে নামিয়ে আনতে পারে। এছাড়াও বলা হচ্ছে, আক্রান্ত হবার প্রাথমিক পর্যায়ে প্রয়োগ করা হলে আইভারমেকটিন করোনা রোগীকে সুস্থ করতে পারে।

বাংলাদেশের একদল চিকিৎসক আইভারমেকটিন ও ডক্সিসাইক্লিন দ্বারা চিকিৎসা দিয়ে ৬০ জন কেভিড-১৯ রোগীকে সুস্থ করেছেন বলে দাবি করেছেন। এখন দেখা যাক, আইভারমেকটিন কীভাবে কাজ করে?

kadrul-huda

স্নায়ুতন্ত্র বা নার্ভাস সিস্টেমের একটি ইনহিবিটরি নিউরোট্রান্সমিটার (inhibitory neurotransmitter) হচ্ছে গাবা (GABA), যার কাজ নার্ভ কন্ডাকশন (স্নায়ুতন্ত্রের সঞ্চালন)-কে দমন করা। আর স্নায়ুতন্ত্র (বিশেষ করে motor nerve) দমিত হলে মাংসপেশিও নিস্তেজ হয়ে পড়ে। ফলে প্যারালাইসিস হয়। আইভারমেকটিনের একটি কাজ হলো GABA সিস্টেমকে উত্তেজিত করে নার্ভ কন্ডাকশন প্রক্রিয়াকে তীব্রভাবে দমন করা। অমেরুদণ্ডি প্রাণীর ক্ষেত্রে (যেমন কৃমি), আইভারমেকটিন প্রথমে গ্লুটামেট-গেটেড ক্লোরাইড চ্যানেল (glutamate-gated chloride channel)-কে সক্রিয় করে ক্লোরাইডের জন্য সেল মেমব্রেন (কোষ-ঝিল্লি)-এর ভেদ্যতা (permeability) বাড়িয়ে দেয়। ফলে কোষে প্রচুর ক্লোরাইড প্রবেশ করে, অতিরিক্ত ক্লোরাইড আয়ন ঢোকার ফলে নেগেটিভ চার্জ বেড়ে গিয়ে নিউরো-মাসকুলার সেল (neuromuscular cell) হাইপার-পোলারাইজড হয়, ফলে নার্ভ কন্ডাকশন দুর্বল হয়ে পড়ে এবং শ্বাসনালী ও দৈহিক পেশিসমূহ প্যারালাইজড হয়ে মৃত্যু ঘটে।

প্রশ্ন হতে পারে, যারা আইভারমেকটিন খায়, তারা কেন প্যারালাইজড হয় না? আইভারমেকটিন GABA, এবং গ্লুটামেট-গেটেড ক্লোরাইড চ্যানেলের মাধ্যমে কৃমিসহ অন্যান্য প্যারাসাইট ধ্বংস করে। অমেরুদণ্ডি প্রাণীতে GABA রিসেপ্টর পেরিফেরাল নার্ভে থাকে নিউরো-মাসকুলার জাংশনে, এবং আইভারমেকটিনের প্রতি ১০০ গুণ বেশি সংবেদনশীল হয়। আর স্তন্যপায়ীদের ক্ষেত্রে GABA রিসেপ্টর প্রধানত ‘সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেম’ (Brain)-এ থাকে। কিন্তু ব্লাড-ব্রেন-বেরিয়ার (Blood Brain Barrier) ভেদ করে আইভারমেকটিন মস্তিষ্কে যেতে পারে না। এ কারণে ব্লাড-ব্রেন-বেরিয়ার পূর্ণ ডেভেলপড না হওয়ায় পাঁচ বছরের কম বয়সী বা ১৫ কেজির কম ওজনের শিশুদের জন্য আইভারমেকটিন নিষিদ্ধ, যদিও এখন মনে করা হয় ব্যাপারটি সেরকম না-ও হতে পারে।

অন্যদিকে, গ্লুটামেট-গেটেড ক্লোরাইড চ্যানেল শুধুমাত্র অমেরুদণ্ডি প্রাণীতে থাকে, মেরুদণ্ডি প্রাণীতে থাকে না। ফলে আইভারমেকটিন মানুষ বা অন্য স্তন্যপায়ী প্রাণীকে প্যারালাইসিস করে না। আর যে ডোজে ওষুধ প্রয়োগ করা হয়, তা প্যারাসাইট মারার জন্য যথেষ্ট, তবে মানব কোষ ধ্বংস করে না। তবে উচ্চমাত্রার ডোজ দিলে অন্যান্য লিজান্ড-গেটেড আয়ন চ্যানেল সক্রিয় হতে পারে, তবে সেটা ভিন্ন বিষয়।

এবার দেখা যাক, করোনায় আইভারমেকটিনের ভূমিকা কী? প্যারাসাইটের ওপর আইভারমেকটিন যে আয়ন চ্যানেল প্রক্রিয়ায় কাজ করে, সেই একই প্রক্রিয়া ভাইরাসের ওপর প্রযোজ্য নয়। কিন্তু ডেঙ্গু ভাইরাস পরীক্ষায় দেখা গেছে, আইভারমেকটিন মশা (mosquito vector) থেকে ভাইরাল লোড কমিয়ে দেয়, যদিও কারণটা এখনও অজানা। কিছু হিউম্যান স্ট্যাডিও হয়েছে, কিন্তু সেখানে কোনো ভাইরাল লোড কমেনি বা আশাব্যঞ্জক ফল পাওয়া যায়নি। যেহেতু ডেঙ্গু ভাইরাসও সার্স-কোভ-২ ভাইরাসের মতো একই রকম RNA ভাইরাস, হয়তো এ কারণেই আইভারমেকটিন করোনার ওষুধ হিসেবে চলে এসেছে— কোনো মেকানিজম থাকুক আর নাই থাকুক।

kadrul-huda

মোনাশ ইউনিভার্সিটির ইন ভিট্রো গবেষণায় যে মাত্রার ডোজে আইভারমেকটিন ব্যবহৃত হয়েছে তা অনেক বেশি। এত উচ্চ মাত্রায় ব্যবহার করা হলে অনেক ড্রাগই কোনো নির্দিষ্ট ভাইরাসকে ইন ভিট্রো দমন করতে পারে। সমমাত্রার আইভারমেকটিন রক্তপ্রবাহে পেতে হলে যে পরিমাণ ডোজ লাগবে, তা মানব দেহের জন্য নিরাপদ ভাবা সত্যিই কঠিন। এ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন করোনাভাইরাসের জন্য আইভারমেকটিন গ্রহণ না করার জন্য জনগণকে সতর্ক করেছে।

কিছু পজিটিভ রেজাল্টও আছে। আগেই বলা হয়েছে, আইভারমেকটিন ইন ভিট্রো করোনাভাইরাসকে দমন করে। করোনাভাইরাস সেল মেমব্রেনের ACE-2 (angiotensin-converting enzyme 2)-এর সাথে যুক্ত হয়ে কোষের ভেতরে ঢুকে পড়ে। ভাইরাল প্রোটিন এরপরে গলজি বডি-কে ব্যবহার করে ট্রান্সপোর্টার প্রোটিন তৈরি করে, যার সহায়তা নিয়ে নিউক্লিয়ার মেমব্রেন ভেদ করে নিউক্লিয়াসে ঢুকে অনুলিপি (রেপ্লিকেশন) তৈরি করতে থাকে। আইভারমেকটিন ট্রান্সপোর্টার প্রোটিন থেকে ভাইরাল প্রোটিনকে অপসারণ করে নিজে সেখানে অবস্থান নেয়। ফলে ভাইরাল প্রোটিন আর নিউক্লিয়াসে ঢুকতে পারে না এবং রেপ্লিকেশন বন্ধ হয়ে যায়।

সার্স-কোভ-২ না হলেও অন্য ভাইরাস, যেমন- পোরসাইন সারকো ভাইরাস নিয়ে ইন ভিভো (in vivo) স্ট্যাডিতে দেখা গেছে, আইভারমেকটিন ভাইরাসটিকে দমন করতে সক্ষম। যাই হোক, কোভিড-১৯ চিকিৎসায় আইভারমেকটিন কতটুকু কার্যকর বা আদৌ কার্যকর কি-না, তা আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর বলা যাবে। আমরা ক্লোরোকুইন, হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন, রেমডেসিভির নিয়ে সম্ভাবনার কথা শুনেছি, কিন্তু ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে এখন পর্যন্ত কনক্লুসিভ রেজাল্ট পাওয়া যায়নি। আমরা জানি, মোটামুটি ৮০% কোভিড রোগী এমনিতেই ভালো হয়ে যায়। সুতরাং এই ৮০% রোগীর ওপর পরীক্ষা চালিয়ে লাভ নেই। তারা ওষুধ খেলেও সুস্থ হবেন, না খেলেও সুস্থ হবেন। বরং যে ২০% রোগীকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয় বা বিশেষ করে যেসব রোগীকে মেকানিক্যাল ভেন্টিলেশন দেয়া হয়, তাদের ওপর আইভারমেকটিন কাজ করে কি-না সেটা দেখা দরকার।

বিশ্ব ইতোমধ্যে করোনার পাশাপাশি সেল্ফ-মেডিকেশন, ওষুধ-ঘাটতি, এমনকি ক্লোরোকুইন ওভার-ডোজের মহামারি দেখেছে। এসবের যেন পুনরাবৃত্তি না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। যেকোনো ওষুধ ব্যাপকভাবে প্রয়োগের আগে তার কার্যকারিতা সম্বন্ধে নিশ্চিত হওয়া দরকার। আর অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ খাবেন, সেল্ফ মেডিকেশন আর নয়।

লেখক- কদরুল হুদা, বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ও সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইডিসিএল

এমএআর/জেআইএম

আমরা ক্লোরোকুইন, হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন, রেমডেসিভির নিয়ে সম্ভাবনার কথা শুনেছি, কিন্তু ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে এখন পর্যন্ত কনক্লুসিভ রেজাল্ট পাওয়া যায়নি। আমরা জানি, মোটামুটি ৮০% কোভিড রোগী এমনিতেই ভালো হয়ে যায়। সুতরাং এই ৮০% রোগীর ওপর পরীক্ষা চালিয়ে লাভ নেই। তারা ওষুধ খেলেও সুস্থ হবেন, না খেলেও সুস্থ হবেন

শুরুতে পশু চিকিৎসায় ব্যবহৃত হলেও পরে মানবদেহের ভেতরের ও বাইরের প্যারাসাইট ধ্বংসে কয়েক যুগ ধরে ওষুধটি ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কৃমি, ফাইলেরিয়াসিস, উকুন, রিভার ব্লাইন্ডনেস, খোস-পাঁচড়াসহ বহু প্যারাসাইটিক ইনফেকশনে ওষুধটির কার্যকারিতা অনবদ্য। বৈচিত্র্যময় কার্যপরিধি, সহজলভ্যতা, সাশ্রয়ী মূল্য এবং স্বল্প পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া— সবমিলে আইভারমেকটিন আসলেই বিস্ময়কর ওষুধ।

গবেষণায় বলা হয়, ইন ভিট্রো (in vitro) আইভারমেকটিন কোভিড-১৯ রোগের ভাইরাস সার্স-কোভ-২-কে দমন করতে পারে, এবং সেল কালচারে (in cell culture) ওষুধের একটি সিঙেল ডোজ ভাইরাসের সংখ্যা ৫০০০ ভাগের এক ভাগে নামিয়ে আনতে পারে। এছাড়াও বলা হচ্ছে, আক্রান্ত হবার প্রাথমিক পর্যায়ে প্রয়োগ করা হলে আইভারমেকটিন করোনা রোগীকে সুস্থ করতে পারে।

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৫৯,৭১,৪০৩
আক্রান্ত

৩,৬৪,৩৫৭
মৃত

২৬,৩০,৬৬৩
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৪৪,৬০৮ ৬১০ ৯,৩৭৫
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৭,৭৭,৯১৬ ১,০৩,৮২২ ৫,০২,১১৬
ব্রাজিল ৪,৪৩,৫৪২ ২৬,৯৯১ ১,৯৩,১৮১
রাশিয়া ৩,৮৭,৬২৩ ৪,৩৭৪ ১,৫৯,২৫৭
স্পেন ২,৮৫,৬৪৪ ২৮,৭৫২ ১,৯৬,৯৫৮
যুক্তরাজ্য ২,৭১,২২২ ৩৮,১৬১ ৩৪৪
ইতালি ২,৩২,২৪৮ ৩৩,২২৯ ১,৫২,৮৪৪
ফ্রান্স ১,৮৬,২৩৮ ২৮,৭১৪ ৬৭,৮০৩
জার্মানি ১,৮২,৯১৭ ৮,৫৮০ ১,৬৪,১০০
১০ ভারত ১,৭৩,৩২২ ৪,৯৭৯ ৮২,৪৬৪
১১ তুরস্ক ১,৬২,১২০ ৪,৪৮৯ ১,২৫,৯৬৩
১২ ইরান ১,৪৬,৬৬৮ ৭,৬৭৭ ১,১৪,৯৩১
১৩ পেরু ১,৪১,৭৭৯ ৪,০৯৯ ৫৯,৪৪২
১৪ চিলি ৯০,৬৩৮ ৯৪৪ ৩৮,৫৯৮
১৫ কানাডা ৮৯,৩৮৬ ৬,৯৭৯ ৪৭,১৫১
১৬ চীন ৮২,৯৯৫ ৪,৬৩৪ ৭৮,২৯১
১৭ সৌদি আরব ৮১,৭৬৬ ৪৫৮ ৫৭,০১৩
১৮ মেক্সিকো ৮১,৪০০ ৯,০৪৪ ৫৬,৬৩৮
১৯ পাকিস্তান ৬৪,০২৮ ১,৩১৭ ২২,৩০৫
২০ বেলজিয়াম ৫৮,০৬১ ৯,৪৩০ ১৫,৬৮২
২১ কাতার ৫২,৯০৭ ৩৬ ২০,৬০৪
২২ নেদারল্যান্ডস ৪৬,১২৬ ৫,৯৩১ ২৫০
২৩ বেলারুশ ৪০,৭৬৪ ২২৪ ১৭,৩৯০
২৪ ইকুয়েডর ৩৮,৪৭১ ৩,৩১৩ ১৮,৪২৫
২৫ সুইডেন ৩৬,৪৭৬ ৪,৩৫০ ৪,৯৭১
২৬ সিঙ্গাপুর ৩৩,৮৬০ ২৩ ১৯,৬৩১
২৭ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৩৩,১৭০ ২৬০ ১৭,০৯৭
২৮ পর্তুগাল ৩১,৯৪৬ ১,৩৮৩ ১৮,৯১১
২৯ সুইজারল্যান্ড ৩০,৮২৮ ১,৯১৯ ২৮,৩০০
৩০ দক্ষিণ আফ্রিকা ২৭,৪০৩ ৫৭৭ ১৪,৩৭০
৩১ কলম্বিয়া ২৫,৩৬৬ ৮২২ ৬,৬৬৫
৩২ ইন্দোনেশিয়া ২৫,২১৬ ১,৫২০ ৬,৪৯২
৩৩ কুয়েত ২৫,১৮৪ ১৯৪ ৯,২৭৩
৩৪ আয়ারল্যান্ড ২৪,৮৭৬ ১,৬৪৫ ২২,০৮৯
৩৫ পোল্যান্ড ২৩,১৫৫ ১,০৫১ ১০,৬৯২
৩৬ ইউক্রেন ২২,৮১১ ৬৭৯ ৮,৯৩৪
৩৭ মিসর ২০,৭৯৩ ৮৪৫ ৫,৩৫৯
৩৮ রোমানিয়া ১৮,৯৮২ ১,২৪৮ ১২,৮২৯
৩৯ ইসরায়েল ১৬,৯৮৭ ২৮৪ ১৪,৭২৭
৪০ জাপান ১৬,৬৮৩ ৮৬৭ ১৪,১৪৭
৪১ অস্ট্রিয়া ১৬,৬৫৫ ৬৬৮ ১৫,৩৪৭
৪২ ফিলিপাইন ১৬,৬৩৪ ৯৪২ ৩,৭২০
৪৩ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১৬,৫৩১ ৪৮৮ ৯,২৬৬
৪৪ আর্জেন্টিনা ১৪,৭০২ ৫১০ ৪,৭৮৮
৪৫ আফগানিস্তান ১৩,৬৫৯ ২৪৬ ১,২৫৯
৪৬ পানামা ১২,১৩১ ৩২০ ৭,৩৭৯
৪৭ ডেনমার্ক ১১,৫৯৩ ৫৬৮ ১০,২৪০
৪৮ দক্ষিণ কোরিয়া ১১,৪০২ ২৬৯ ১০,৩৬৩
৪৯ সার্বিয়া ১১,৩৫৪ ২৪২ ৬,৫২৪
৫০ বাহরাইন ১০,৩৫২ ১৫ ৫,৪৯১
৫১ কাজাখস্তান ৯,৯৩২ ৪৮৯ ৫,০৫৭
৫২ ওমান ৯,৮২০ ৪০ ২,৩৯৬
৫৩ চেক প্রজাতন্ত্র ৯,১৮০ ৩১৯ ৬,৪৯৮
৫৪ আলজেরিয়া ৯,১৩৪ ৬৩৮ ৫,৪২২
৫৫ নাইজেরিয়া ৮,৯১৫ ২৫৯ ২,৫৯২
৫৬ আর্মেনিয়া ৮,৬৭৬ ১২০ ৩,২৯৭
৫৭ নরওয়ে ৮,৪২২ ২৩৬ ৭,৭২৭
৫৮ বলিভিয়া ৮,৩৮৭ ২৯৩ ৭৩৮
৫৯ মলদোভা ৭,৮৯৬ ২৮৮ ৪,২৭৮
৬০ মালয়েশিয়া ৭,৭৩২ ১১৫ ৬,২৩৫
৬১ মরক্কো ৭,৬৯৭ ২০২ ৫,২২৩
৬২ ঘানা ৭,৬১৬ ৩৪ ২,৪২১
৬৩ অস্ট্রেলিয়া ৭,১৭৩ ১০৩ ৬,৫৮২
৬৪ ফিনল্যাণ্ড ৬,৭৭৬ ৩১৪ ৫,৫০০
৬৫ ইরাক ৫,৮৭৩ ১৮৫ ৩,০৪৪
৬৬ ক্যামেরুন ৫,৪৩৬ ১৭৫ ১,৯৯৬
৬৭ আজারবাইজান ৪,৯৮৯ ৫৮ ৩,১২৫
৬৮ হন্ডুরাস ৪,৭৫২ ১৯৬ ৫১৯
৬৯ সুদান ৪,৫২১ ২৩৩ ৮১৬
৭০ গুয়াতেমালা ৪,৩৪৮ ৮০ ৫৬৫
৭১ লুক্সেমবার্গ ৪,০১২ ১১০ ৩,৮১৫
৭২ হাঙ্গেরি ৩,৮৪১ ৫১৭ ২,০২৪
৭৩ তাজিকিস্তান ৩,৬৮৬ ৪৭ ১,৭৬৯
৭৪ গিনি ৩,৫৫৩ ২২ ১,৯৫০
৭৫ উজবেকিস্তান ৩,৪৬৮ ১৪ ২,৭২৮
৭৬ সেনেগাল ৩,৪২৯ ৪১ ১,৭৩৮
৭৭ থাইল্যান্ড ৩,০৭৬ ৫৭ ২,৯৪৫
৭৮ জিবুতি ২,৯১৪ ২০ ১,২৪১
৭৯ গ্রীস ২,৯০৯ ১৭৫ ১,৩৭৪
৮০ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ২,৮৩৩ ৬৯ ৪০০
৮১ আইভরি কোস্ট ২,৬৪১ ৩২ ১,৩২৬
৮২ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২,৪৮৫ ১৫৩ ১,৮০৩
৮৩ বুলগেরিয়া ২,৪৮৫ ১৩৬ ১,০১৬
৮৪ গ্যাবন ২,৪৩১ ১৪ ৬৬৮
৮৫ এল সালভাদর ২,২৭৮ ৪২ ১,০১৫
৮৬ ক্রোয়েশিয়া ২,২৪৫ ১০৩ ২,০৫৯
৮৭ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ২,১২৯ ১২৬ ১,৫১৬
৮৮ কিউবা ২,০০৫ ৮২ ১,৭৬০
৮৯ এস্তোনিয়া ১,৮৫৯ ৬৭ ১,৬১০
৯০ সোমালিয়া ১,৮২৮ ৭২ ৩১০
৯১ আইসল্যান্ড ১,৮০৫ ১০ ১,৭৯৪
৯২ কেনিয়া ১,৭৪৫ ৬২ ৪৩৮
৯৩ মায়োত্তে ১,৬৯৯ ২১ ১,৩৮৫
৯৪ লিথুনিয়া ১,৬৬২ ৬৮ ১,২১৬
৯৫ কিরগিজস্তান ১,৬৬২ ১৬ ১,০৮৮
৯৬ শ্রীলংকা ১,৫৪৮ ১০ ৭৫৪
৯৭ স্লোভাকিয়া ১,৫২০ ২৮ ১,৩৩৮
৯৮ মালদ্বীপ ১,৫১৩ ১৯৭
৯৯ নিউজিল্যান্ড ১,৫০৪ ২২ ১,৪৮১
১০০ স্লোভেনিয়া ১,৪৭৩ ১০৮ ১,৩৫৭
১০১ হাইতি ১,৪৪৩ ৩৫ ২৯
১০২ ভেনেজুয়েলা ১,৩২৭ ১৬ ৩০২
১০৩ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১,৩০৬ ১২ ২০০
১০৪ মালি ১,২২৬ ৭৩ ৬৬৯
১০৫ নেপাল ১,২১২ ২০৬
১০৬ গিনি বিসাউ ১,১৯৫ ৪২
১০৭ লেবানন ১,১৭২ ২৬ ৭০৫
১০৮ আলবেনিয়া ১,০৯৯ ৩৩ ৮৫১
১০৯ হংকং ১,০৮০ ১,০৩৫
১১০ তিউনিশিয়া ১,০৭১ ৪৮ ৯৪৬
১১১ লাটভিয়া ১,০৬৫ ২৪ ৭৪৫
১১২ জাম্বিয়া ১,০৫৭ ৭৭৯
১১৩ কোস্টারিকা ১,০০০ ১০ ৬৪৬
১১৪ দক্ষিণ সুদান ৯৯৪ ১০
১১৫ ইথিওপিয়া ৯৬৮ ১৯৭
১১৬ নাইজার ৯৫৫ ৬৪ ৮০৩
১১৭ সাইপ্রাস ৯৪২ ১৭ ৭৮৪
১১৮ প্যারাগুয়ে ৯০০ ১১ ৪০২
১১৯ উরুগুয়ে ৮৮৭ ২২ ৬৫৪
১২০ বুর্কিনা ফাঁসো ৮৪৭ ৫৩ ৭১৯
১২১ সিয়েরা লিওন ৮২৯ ৪৫ ৩৮৬
১২২ এনডোরা ৭৬৪ ৫১ ৬৮৪
১২৩ চাদ ৭৫৯ ৬৫ ৪৪৪
১২৪ নিকারাগুয়া ৭৫৯ ৩৫ ৩৭০
১২৫ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৭৫৫ ২৩
১২৬ জর্জিয়া ৭৪৬ ১২ ৫৭৬
১২৭ জর্ডান ৭৩০ ৫৮৬
১২৮ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫১
১২৯ মাদাগাস্কার ৬৯৮ ১৬৪
১৩০ সান ম্যারিনো ৬৭১ ৪২ ৩৪৪
১৩১ মালটা ৬১৬ ৫১৪
১৩২ ফিলিস্তিন ৫৭৭ ৩৬৮
১৩৩ কঙ্গো ৫৭১ ১৯ ১৬১
১৩৪ জ্যামাইকা ৫৬৯ ২৮৪
১৩৫ চ্যানেল আইল্যান্ড ৫৬০ ৪৫ ৫১৭
১৩৬ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৩৭ রিইউনিয়ন ৪৭০ ৪১১
১৩৮ তাইওয়ান ৪৪২ ৪২০
১৩৯ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৪৩৬ ১৬১
১৪০ টোগো ৪২২ ১৩ ১৯৭
১৪১ কেপ ভার্দে ৩৯০ ১৫৫
১৪২ রুয়ান্ডা ৩৪৯ ২৪৫
১৪৩ মৌরিতানিয়া ৩৪৬ ১৯ ১৫
১৪৪ বেনিন ৩৩৯ ১৩৬
১৪৫ আইল অফ ম্যান ৩৩৬ ২৪ ৩০৯
১৪৬ মরিশাস ৩৩৫ ১০ ৩২২
১৪৭ ভিয়েতনাম ৩২৭ ২৭৯
১৪৮ মন্টিনিগ্রো ৩২৪ ৩১৫
১৪৯ উগান্ডা ৩১৭ ৬৯
১৫০ ইয়েমেন ২৮৩ ৬৫ ১১
১৫১ ইসওয়াতিনি ২৭৯ ১৬৮
১৫২ লাইবেরিয়া ২৭৩ ২৭ ১৪৬
১৫৩ মোজাম্বিক ২৩৪ ৮৪
১৫৪ মায়ানমার ২০৭ ১৩০
১৫৫ মালাউই ২০৩ ৪২
১৫৬ মার্টিনিক ১৯৭ ১৪ ৯১
১৫৭ ফারে আইল্যান্ড ১৮৭ ১৮৭
১৫৮ মঙ্গোলিয়া ১৭৯ ৪৩
১৫৯ গুয়াদেলৌপ ১৬১ ১৪ ১১৫
১৬০ জিব্রাল্টার ১৬১ ১৪৮
১৬১ গায়ানা ১৫০ ১১ ৬৭
১৬২ জিম্বাবুয়ে ১৪৯ ২৮
১৬৩ ব্রুনাই ১৪১ ১৩৮
১৬৪ বারমুডা ১৪০ ৯২
১৬৫ কেম্যান আইল্যান্ড ১৪০ ৬৭
১৬৬ কম্বোডিয়া ১২৪ ১২২
১৬৭ সিরিয়া ১২২ ৪৩
১৬৮ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ১১৬ ১০৮
১৬৯ লিবিয়া ১০৫ ৪১
১৭০ আরুবা ১০১ ৯৮
১৭১ বাহামা ১০১ ১১ ৪৭
১৭২ মোনাকো ৯৮ ৯০
১৭৩ বার্বাডোস ৯২ ৭৬
১৭৪ কমোরস ৮৭ ২৪
১৭৫ লিচেনস্টেইন ৮২ ৫৫
১৭৬ সিন্ট মার্টেন ৭৭ ১৫ ৬০
১৭৭ অ্যাঙ্গোলা ৭৪ ১৮
১৭৮ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৬০ ৬০
১৭৯ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৫৪
১৮০ ম্যাকাও ৪৫ ৪৫
১৮১ বুরুন্ডি ৪২ ২০
১৮২ সেন্ট মার্টিন ৪০ ৩৩
১৮৩ ইরিত্রিয়া ৩৯ ৩৯
১৮৪ বতসোয়ানা ৩৫ ২০
১৮৫ ভুটান ৩১
১৮৬ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ২৫ ১৯
১৮৭ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ২৫ ১৪
১৮৮ গাম্বিয়া ২৫ ১৯
১৮৯ পূর্ব তিমুর ২৪ ২৪
১৯০ নামিবিয়া ২৩ ১৪
১৯১ গ্রেনাডা ২৩ ১৮
১৯২ নিউ ক্যালেডোনিয়া ১৯ ১৮
১৯৩ লাওস ১৯ ১৬
১৯৪ সেন্ট লুসিয়া ১৮ ১৮
১৯৫ কিউরাসাও ১৮ ১৪
১৯৬ ফিজি ১৮ ১৫
১৯৭ বেলিজ ১৮ ১৬
১৯৮ ডোমিনিকা ১৬ ১৬
১৯৯ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৫ ১৫
২০০ গ্রীনল্যাণ্ড ১৩ ১১
২০১ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২০২ সুরিনাম ১২
২০৩ ভ্যাটিকান সিটি ১২
২০৪ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ১২ ১০
২০৫ সিসিলি ১১ ১১
২০৬ মন্টসেরাট ১১ ১০
২০৭ জান্ডাম (জাহাজ)
২০৮ পশ্চিম সাহারা
২০৯ পাপুয়া নিউ গিনি
২১০ সেন্ট বারথেলিমি
২১১ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস
২১২ এ্যাঙ্গুইলা
২১৩ লেসোথো
২১৪ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।