সাইবার বুলিংয়ের শিকার ম্যাক্রোঁ দম্পতি, কারাগারে ১০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:০৯ এএম, ০৬ জানুয়ারি ২০২৬
প্রেসিডেন্টএমানুয়েল ম্যাক্রো এবং স্ত্রী ব্রিজিট ম্যাক্রো/ ছবি : আনাদোলু এজেন্সি

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর স্ত্রী (ফার্স্ট লেডি) ব্রিজিত ম্যাক্রোঁকে নিয়ে সাইবার হয়রানির অভিযোগে ১০ জনকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন দেশটির একটি আদালত। ব্রিজিত ম্যাক্রোঁ একজন ট্রান্সজেন্ডার নারী যিনি জন্মসূত্রে পুরুষ ছিলেন এবং বয়েসের ব্যবধান নিয়ে বিভিন্ন অবমাননাকর মিথ্যা তথ্য অনলাইনে ছড়ানোর অভিযোগে তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আদালতে দোষী সাব্যস্তদের মধ্যে ছিলেন আটজন পুরুষ ও দুইজন নারী। তারা ব্রিজিত ম্যাক্রোর লিঙ্গ ও যৌনতা নিয়ে বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করেছিলেন এবং এমনকি স্বামী-স্ত্রীর বয়সের ব্যবধানকে শিশুকামিতার সঙ্গে তুলনা করেছিলেন।
শাস্তি হিসেবে একজনকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অন্যরা সর্বোচ্চ আট মাসের স্থগিত কারাদণ্ড পেয়েছেন। পাশাপাশি জরিমানা, সাইবার হয়রানি বিষয়ে সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ এবং পাঁচজনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ করার আদেশ দেওয়া হয়েছে।

ব্রিজিত ম্যাক্রোঁ ও তার স্বামী, ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ দীর্ঘদিন ধরেই এ ধরনের ভুয়া সাইবার বুলিংয়ের শিকার হচ্ছিলেন। এর মধ্যে একটি বহুল প্রচারিত গুজব ছিল—ব্রিজিতের জন্মনাম জাঁ-মিশেল ত্রোন্যু যা বাস্তবে তার বড় ভাইয়ের নাম।

এছাড়া স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ২৪ বছরের বয়সের ব্যবধান নিয়েও কটাক্ষ ও আক্রমণ চলেছে যা তারা দীর্ঘদিন উপেক্ষা করলেও সম্প্রতি আইনিগত চ্যালেঞ্জ করার সিদ্ধান্ত নেন ম্যাক্রো দম্পতি।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) আদালতের রায়কে ম্যাক্রো দম্পতির জন্য একটি বড় বিজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে তারা যুক্তরাষ্ট্রে ডানপন্থি প্রভাবক ও পডকাস্টার ক্যান্ডেস ওউয়েন্সের বিরুদ্ধে একটি বড় ধরনের মানহানির মামলাও চালিয়ে যাচ্ছেন। ক্যান্ডেস ওউয়েন্সও ব্রিজিত ম্যাক্রোঁকে নিয়ে একই ধরনের দাবি করেছিলেন।

আসামিদের কয়েকজন দাবি করেছেন, তাদের মন্তব্য ছিল ব্যঙ্গ বা স্যাটায়ার। তবে আদালত সেই যুক্তি গ্রহণ করেনি।

সূত্র : সিএনএন

কে এম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।