আটলান্টিকে তেলবাহী জাহাজের নিরাপত্তায় সাবমেরিন মোতায়েন রাশিয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৭:১৩ পিএম, ০৭ জানুয়ারি ২০২৬
বেলা-১ নামক তেল ট্যাংকারের নিরাপত্তায় রাশিয়া একটি সাবমেরিন ও বেশ কয়েকটি যুদ্ধজাহাজ পাঠিয়েছে/ ছবি: রক্সম টিভি

আইসল্যান্ডের কাছে একটি তেলবাহী ট্যাংকারের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সাবমেরিনসহ একাধিক নৌযান মোতায়েন করেছে রাশিয়া। ট্যাংকারটি আগে ভেনেজুয়েলা থেকে তেল রপ্তানির সঙ্গে যুক্ত ছিল। যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্ররা জাহাজটির গতিবিধি নজরদারিতে রেখেছে- এমন শঙ্কা থেকেই রাশিয়া এই পদক্ষেপ নিয়েছে বলে উল্লেখ করেছে ব্রিটিশ পত্রিকা দ্য গার্ডিয়ান।

মার্কিন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ট্যাংকারটি সম্প্রতি নিজের পতাকা পরিবর্তন করে রাশিয়ার পতাকা টানিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, আন্তর্জাতিক নজরদারি ও তদারকি এড়াতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘বেলা ১’ নামের ওই ট্যাংকারটি গত মাসে ভেনেজুয়েলা থেকে তেল সংগ্রহের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। কিন্তু গত ২০ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের কোস্ট গার্ড জাহাজটির কাছে আসে। সন্দেহ করা হচ্ছিল, জাহাজটির নিবন্ধনভুক্ত দেশ বৈধ নয়। তখন বলা হয়েছিল, জাহাজটি গায়ানায় নিবন্ধিত।

তবে ট্যাংকারটির ক্রু সদস্যরা কোস্ট গার্ডকে জাহাজে উঠতে দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এরপর জাহাজটি সেখান থেকে পালিয়ে যায়। এই সময়ের মধ্যেই এটি রাশিয়ার সোচি বন্দরে গিয়ে নতুন করে নিবন্ধন সম্পন্ন করে এবং নাম পরিবর্তন করে ‘মারিনেরা’ রাখে। জাহাজটির ট্র্যাকিং ট্রান্সপন্ডার, যা ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে বন্ধ ছিল, উত্তর দিকে যাত্রার সময় আবার চালু করা হয়।

এর আগে ‘বেলা ১’ নামেই ট্যাংকারটি ২০২৪ সালের জুলাই মাস থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের নিষেধাজ্ঞার আওতায় ছিল। মার্কিন কর্তৃপক্ষ অভিযোগ করেছিল, ইরানসমর্থিত লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর মালিকানাধীন একটি কোম্পানির জন্য অবৈধ কার্গো পরিবহনের সঙ্গে জাহাজটি জড়িত ছিল।

এদিকে, নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে যে ভেনেজুয়েলার জলসীমায় এমন আরও তিনটি ট্যাংকার দেখা গেছে, যেগুলো আগেও নিষেধাজ্ঞার আওতায় ছিল। সেগুলোও সম্প্রতি নিজেদের পতাকা পরিবর্তন করে রাশিয়ার পতাকা ধারণ করেছে।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

এসএএইচ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।