চিকিৎসা নিতে ভারতে, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ায় ৬ বাংলাদেশি গ্রেফতার

পশ্চিমবঙ্গ প্রতিনিধি পশ্চিমবঙ্গ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১২:১৭ পিএম, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

মেডিক্যাল ভিসায় ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গিয়েছিলেন। কিন্তু ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও বাংলাদেশে না ফেরার অপরাধে কলকাতায় গ্ৰেফতার হয়েছেন ৬ বাংলাদেশি নাগরিক। তাদেরকে কলকাতার কলিন স্ট্রিটের একটি হোটেলে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশ।

গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের পরিচয় জানানো হয়েছে। এরা হলেন, মোহাম্মদ আলিমুন গাজী, আবির হোসেন, মোহাম্মদ মামুন রশিদ, আজম মোল্লা, জাহিদুল ইসলাম এবং ফয়সাল আমিন । তারা বাংলাদেশের নোয়াখালী ও টাঙ্গাইল জেলার বাসিন্দা এবং তাদের বয়স ২৫ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে।

কলকাতা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানের পর তারা মেডিকেল ভিসা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করেন। পরে কলকাতার নিউমার্কেটের বিভিন্ন হোটেলে থাকতে শুরু করেন। তাদের মধ্য কয়েকজন কলকাতায় কাজের সন্ধানও করছিলেন বলে জানা গেছে।

কলকাতার পার্ক স্ট্রিট ও কলিন স্ট্রিটের বিভিন্ন হোটেলে কলকাতা পুলিশের কর্মকর্তা নিয়মিত নথিপত্র পরীক্ষা করতে গিয়ে তাদের উপর সন্দেহ হয় পুলিশের। এরপর তাদের নথী-পত্র পরীক্ষা করতে গিয়ে দেখেন, ৬ জনের ভিসার মেয়াদ বহু আগেই শেষ হয়ে গেছে। সঙ্গে সঙ্গে তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে আটক করা হয়।

এদের মধ্যে একজন সংগীতশিল্পীও আছেন যার নাম আজম মোল্লা। তাদের প্রত্যেকের কাছে বৈধ বাংলাদেশের পাসপোর্ট উদ্ধার হয়েছে।

কলকাতা পুলিশ সূত্রে এও জানা গেছে, তারা সকলেই বাংলাদেশের আওয়ামী লীগের সদস্য। চলতি বছরেই জানুয়ারি মাসে তাদের সকলের ভিসার মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে যায়। কিন্তু দেশে ফেরার বদলে তারা সকলেই কলকাতায় থেকে যায়। অভিযুক্তরা জানিয়েছে, তারা এই মুহূর্তে বাংলাদেশে ফিরতে চান না।

পুলিশ জানিয়েছে, তবে সাজার মেয়াদ শেষে নিয়ম মেনেই তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। গত রবিবার ১৫ ফেব্রুয়ারি রাতে তাদেরকে গ্রেপ্তার করে কলকাতা পুলিশ। সোমবার ১৬ ফেব্রুয়ারি তাদের সকলকে কলকাতার ব্যাঙ্কশাল আদালতে তোলা হলে বিচার ক সাতাশে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জেল হেফাজতে নির্দেশ দেন।

ডিডি/টিটিএন

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।