যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের জ্বালানি-খনি-আকাশযান নিয়ে চুক্তির সম্ভাবনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:১৩ এএম, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প/ছবি: এএফপি

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরান একটি পারমাণবিক চুক্তির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে যা উভয় পক্ষের জন্য অর্থনৈতিক সুবিধা বয়ে আনবে। দুদেশের মধ্যে জ্বালানি, খনি এবং আকাশযান নিয়ে চুক্তির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে দ্বিতীয় দফা আলোচনার কয়েকদিন আগে রোববার এক ইরানি কূটনীতিক এ তথ্য জানিয়েছেন।

আগামী মঙ্গলবার জেনেভায় তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে দ্বিতীয় পর্বের বৈঠক হওয়ার কথা। তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচী নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দেশটির কয়েক দশক ধরে বিরোধ চলছে। এ নিয়ে উত্তেজনায় সম্ভাব্য নতুন সামরিক সংঘাতের ঝুঁকিতে আছে দুই দেশ। এ ধরনের ঝুঁকি এড়াতে দেশ দুটি চলতি মাসের প্রথমদিক থেকে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় বিমানবাহী রণতরী ও অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানসহ ব্যাপক সামরিক তৎপরতা চালাচ্ছে। সম্প্রতি এই জলসীমার উদ্দেশে দ্বিতীয় আরেকটি বিমানবাহী রণতরী পাঠানো হয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তারা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, আলোচনা সফল না হলে যুক্তরাষ্ট্র লম্বা সময় ধরে ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।

ব্রাতিস্লাভায় এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলে দিয়েছেন যে, তিনি কূটনীতি এবং আলোচনার মাধ্যমে সমাধান পছন্দ করবেন। তিনি আরও বলেন, কেউ কখনো ইরানের সঙ্গে সফল চুক্তি করতে পারেনি তবে আমরা চেষ্টা করবো।

অপরদিকে মার্কিন বাহিনী যদি ইরানে আক্রমণ করলে তেহরান মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছে। তবে রোববার তারা একটি সমঝোতামূলক নীতি গ্রহণ করেছে।

আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফার্সের তথ্য অনুসারে, চুক্তির স্থায়িত্বের জন্য, উচ্চ এবং দ্রুত অর্থনৈতিক লাভের ক্ষেত্রগুলোতেও যুক্তরাষ্ট্রকে লাভবান করা অপরিহার্য।

টিটিএন

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।