ভূমধ্যসাগরকে নতুন ‘যুদ্ধক্ষেত্রে’ রূপ দিচ্ছে ইউক্রেন: রাশিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯:৪৯ পিএম, ০৮ এপ্রিল ২০২৬
ছবি: তাস

ইউক্রেন তার সামরিক কর্মকাণ্ড ভূমধ্যসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত করছে। ইউক্রেনের এই ধরনের পদক্ষেপ আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে এবং ভূমধ্যসাগরকে নতুন যুদ্ধক্ষেত্রে রূপ দিতে পারে।

রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ সতর্কবার্তা দেন। তিনি বলেন, ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার একটি ইউনিট (গ্রুপ ১৩) গোপন সামুদ্রিক অভিযানে সক্রিয় রয়েছে। তারা ভূমধ্যসাগরে রাশিয়ার শ্যাডো ফ্লিট পর্যবেক্ষণে একটি কার্গো জাহাজ ব্যবহার করছে।

জাখারোভা জানান, জাহাজটি বাইরে থেকে একটি সাধারণ পণ্যবাহী জাহাজ হিসেবে পরিচিত হলেও এটি বিশেষভাবে সামুদ্রিক ড্রোন মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। তার দাবি, এই জাহাজ রাশিয়ার জ্বালানি রপ্তানিতে যুক্ত জাহাজগুলোর ওপর হামলা চালাতে সক্ষম।

তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, রাশিয়ার গ্যাসবাহী জাহাজ আর্কটিক মেটাগেজ-এর ওপর হামলাটি কৃষ্ণসাগরের বাইরে ইউক্রেনের প্রথম এমন অভিযান। এটি ইঙ্গিত দেয় যে, ইউক্রেন এখন তার সামরিক কার্যক্রমের পরিধি ভূমধ্যসাগর পর্যন্ত সম্প্রসারণ করছে, যা অঞ্চলটিকে নতুন সংঘাতের কেন্দ্রে পরিণত করতে পারে।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিক্রিয়া নিয়েও সমালোচনা করেন জাখারোভা। তার মতে, যথাযথ মূল্যায়নের অভাবের কারণে বেসামরিক জাহাজে সশস্ত্র হামলার ঝুঁকি বাড়ছে এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, এই ধরনের ঘটনার বিস্তার দেখায় যে সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মধ্যে জরুরি আলোচনা প্রয়োজন।

এছাড়া তিনি পশ্চিমা দেশগুলোর দ্বৈত মানদণ্ড নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তার অভিযোগ, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স-এর মতো ইউরোপীয় দেশগুলো জাতিসংঘ ও ইন্টারন্যাশনাম মেরিটাইম অর্গানাইজেশন-এর মতো ফোরামে হরমুজ প্রণালির এ বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার নিন্দা জানালেও ভূমধ্যসাগরে একই ধরনের হুমকির বিষয়ে নীরব থাকছে।

সূত্র: তাস

কেএম 

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।