পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন
ইভিএম রাখা স্ট্রংরুম ঘিরে রেখেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী
পশ্চিমবঙ্গে টানটান উত্তেজনার মধ্যে শেষ হয়েছে বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। তবে রাজনৈতিক উত্তাপ এখনো কমেনি। রাজ্যের ক্ষমতা কার হাতে যাচ্ছে, তা জানতে অধীর আগ্রহে বসে আছে জনগণ। তবে এর উত্তর জানতে অপেক্ষা হবে আরও কিছুদিন।
আগামী ৪ মে হবে ভোটগণনা। ওইদিনই নির্ধারণ হবে ২৯৪ আসনের প্রার্থীদের ভাগ্য। তার আগে কড়া নিরাপত্তায় রাখা হয়েছে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনগুলো (ইভিএম)। ইভিএম যেখানে জড়ো করা হয়েছে, সেই ‘স্ট্রংরুম’ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করেছে ভারতীয় নির্বাচন কমিশন।
ভোট শেষে কোথায় যায় ইভিএম?
ভোট শেষে ইভিএমগুলো নিয়ে আসা হয় ডিসি-আরসি কেন্দ্রে, সেখান থেকে নিয়ে যাওয়া হয় গণনা কেন্দ্রে। এরপর ইভিএমগুলো ঢুকে পড়ে সুরক্ষিত স্ট্রংরুমে। সেখানে প্রার্থীদের উপস্থিতিতে স্ট্রংরুম সিলগালা করা হয়। কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি সেখানে নজরদারি চালায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও। তারা নিজস্ব সিসি ক্যামেরা লাগিয়ে ১০০ মিটার দূরে নিজেদের ক্যাম্প থেকে নজরদারি চালায়।
জানা গেছে, স্ট্রংরুমগুলো এরই মধ্যে সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে, চারপাশে বসানো হয়েছে সিসি ক্যামেরা। মোতায়েন করা হয়েছে বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী। প্রতিটি স্ট্রংরুমে ১৫ থেকে ১৮ জন কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্য দায়িত্বপালন করছেন।
যদিও এবারের গণনা কেন্দ্রের সংখ্যা আগের তুলনায় অনেকটাই কম। ২৯৪ আসনে ৮৭টি গণনা কেন্দ্র নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন।
পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ক্যানিং পূর্ব কেন্দ্রের ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের প্রার্থী আরাবুল ইসলাম বলেন, ভোটের ফল আগামী ৪ তারিখে জানা যাবে। ভোট খুব ভালো হয়েছে। কোথাও ৯৩ শতাংশ কোথাও আবার ৯৫ শতাংশ ভোট পড়েছে। মানুষ ঢালাওভাবে ভোট দিয়েছে। আমি অনেক নির্বাচন দেখেছি, কিন্তু এবারের মতো কখনো দেখিনি। স্ট্রংরুমের পাহারা খুব ভালো আছে। আশা করছি জিতবো।
ডিডি/কেএএ/