রাখাইনে ২০০ বাংলাদেশিকে উদ্ধার করেছে মিয়ানমার


প্রকাশিত: ০৮:৩৩ এএম, ২২ মে ২০১৫

রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক চাপে থাকা মিয়ানমার এই প্রথমবারের মতো সাগর থেকে ২০৮ জন বাংলাদেশিকে উদ্ধার করেছে। দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্যের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা তিং মুয়াং সোয়ে শুক্রবার জানান, ২১ মে নৌ-বাহিনীর একটি জাহাজ সাগরে পরিদর্শনের সময় দুটি নৌযান দেখতে পায়। ওই দুটি নৌযানে ২০৮ জন বাংলাদেশি ছিলেন। খবর এএফপি, এনডিটিভি।

সাগরপথে মানবপাচার নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গত প্রায় এক মাস ধরে তুমুল আলোচনার প্রেক্ষাপটে এই প্রথম মিয়ানমার উপকূলে অবৈধ অভিবাসীদের উদ্ধারের কোনো ঘটনা ঘটলো। গতমাসের শেষে দক্ষিণ থাইল্যান্ডের জঙ্গলে পাচারকারীদের পরিত্যক্ত এক ক্যাম্পে অভিবাসীদের গণকবরের সন্ধান পাওয়ার পর আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়।

এরই মধ্যে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও থাইল্যান্ডে পাচারকারীদের কয়েকটি নৌকা থেকে তিন হাজারের বেশি মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে জাতিসংঘ উদ্বেগ জানালে এ বিপদগ্রস্ত মানুষদের সাগর থেকে উদ্ধার করে আপাতত আশ্রয় ও নিজেদের দেশের ফেরত পাঠানোর বিষয়ে সম্মত হয় মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া।

রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়ন বন্ধ ও তাদের জীবনমানের উন্নয়নের জন্য মিয়ামারের ওপর দীর্ঘদিন ধরে চাপ থাকলেও সাম্প্রতিক মানবপাচারের ঘটনায় রোহিঙ্গা সঙ্কট নতুন মাত্রা পায়। মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া পাচারের শিকার মানুষদের সাহায্য করতে রাজি হওয়ায় মিয়ানমার সরকারও সুর বদলাতে থাকে।

মিয়ানমারের জেনারেল মিন অং হ্লিং বৃহস্পতিবার বলেন, এই অবৈধ অভিবাসীরা বাংলাদেশি হলেও জাতিসংঘের সাহায্য পাওয়ার আশায় তারা নিজেদের মিয়ানমারের রোহিঙ্গা বলে দাবি করেছে।

তবে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের বলেন, মানবপাচারের শিকার হয়ে এখন আন্দামান সাগরে আটকাপড়া মানুষদের অধিকাংশই মিয়ানমারের রোহিঙ্গা।

জেআর/বিএ/এএইচ/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।