আলুর মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে ভুটানের দ্বারস্থ ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:১৪ পিএম, ৩১ অক্টোবর ২০২০

আলুর ঘাটতি দূর করতে এবার প্রতিবেশী ভুটানের দ্বারস্থ হচ্ছে ভারত। ভারতীয় ব্যবসায়ীরা আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত বিনা লাইসেন্সেই ভুটান থেকে আলু আমদানি করতে পারবেন। শুক্রবার এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করেছে ভারতের বৈদেশিক বাণিজ্য অধিদপ্তর (ডিজিএফটি)।

শনিবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, দেশটিতে বর্তমানে আলু বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ রুপিতে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই ভুটান থেকে ৩০ হাজার টন আলু পৌঁছাবে বলে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেছেন ভারতের কেন্দ্রীয় খাদ্যমন্ত্রী পীযুষ গয়াল।

পৃথক এক নোটিশে ডিজিএফটি জানিয়েছে, শুল্ক হার কোটা প্রকল্পের আওতায় আলু আমদানির সুযোগ রেখেছে ভারত সরকার। এ পদ্ধতিতে একটি আমদানি-রপ্তানি কোডের বিপরীতে একটিই আবেদন বিবেচনা করা হবে এবং সফল আবেদনকারীদের আগামী বছরের ৩১ জানুয়ারির আগে চালান ভারতীয় বন্দরে পৌঁছাবে তা নিশ্চিত করতে হবে। এভাবে মোট ১০ লাখ টন আমদানির অনুমতি দেয়া হচ্ছে।

এর আগে, ভারতীয় খাদ্যমন্ত্রী ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, বাড়তি দাম কমাতে ভারতীয় সরকার পেঁয়াজ ও ডাল (উড়াদ ও অড়হর) আমদানি অব্যাহত রাখবে।

তিনি জানিয়েছেন, ভারতের বেসরকারি আমদানিকারকরা ইতোমধ্যেই সাত হাজার টন পেঁয়াজ আমদানি করেছেন এবং আরও ২৭ হাজার টন দীপাবলির আগেই পৌঁছে যাবে।

ডালের চাহিদা মেটাতে মোজাম্বিক থেকে আমদানি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। পূর্ব আফ্রিকার দেশটি থেকে আগামী পাঁচ বছর প্রতিবছর দুই লাখ টন করে অড়হর ডাল আমদানি করবে ভারতীয়রা।

এছাড়া, আগামী পাঁচ বছরের জন্য প্রতিবছর দুই লাখ টন উড়াদ ডাল আমদানিতে মিয়ানমারের সঙ্গেও নতুন চুক্তি করতে পারে ভারত।

ভারতীয় খাদ্যমন্ত্রী বলেন, পেঁয়াজ, আলু ও কিছু ডালের খুচরা দাম বেড়েছে। কিন্তু সরকার পেঁয়াজ রপ্তানি নিষিদ্ধকরণ, বেসরকারি ব্যবসায়ীদের জন্য আমদানির প্রক্রিয়া সহজ করাসহ কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের পর গত কয়েকদিন ধরে দাম স্থিতিশীল রয়েছে।

তিনি আরও জানান, ডালের সাশ্রয়ী সরবরাহ নিশ্চিত করতে ভারত সরকার চার লাখ টন অড়হর ডাল আমদানির সময়সীমা আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়েছে এবং দেড় লাখ টন উড়াদ আমদানির লাইসেন্স ইস্যু করা হয়েছে। তবে মসুর ডালের ওপর ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক ডিসেম্বরের শেষ নাগাদ থাকবে।

কেএএ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]