মমতার মন্ত্রিসভায় ৬ মুসলিম, ৯ নারী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৪:২৮ পিএম, ১০ মে ২০২১ | আপডেট: ০৪:৪৫ পিএম, ১০ মে ২০২১

তৃতীয়বারের মতো বিধানসভা নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়লাভ করে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দায়িত্ব নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। সোমবার (১০ মে) নবনির্বাচিত সরকারের মন্ত্রিসভা রাজভবনে শপথগ্রহণ করে।

মমতা ব্যানার্জির এবারের মন্ত্রিসভায় মুখ্যমন্ত্রীসহ নারী মন্ত্রীর সংখ্যা ৯ জন। এছাড়াও তিনজন মন্ত্রী এবং তিনজন প্রতিমন্ত্রীসহ মোট ছয়জন মুসলিম রয়েছেন তার মন্ত্রিসভায়। এছাড়া সাবেক ক্রিকেটার মনোজ তিওয়ারিও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।

মন্ত্রিসভার নারী সদস্যরা হলেন- মমতা ব্যানার্জি, শশী পাঁজা, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, রত্না দে নাগ, সন্ধ্যা রাণী টুডু, শিউলি সাহা, সবিনা ইয়াসমিন, বীরবাহা হাঁসদা এবং জ্যোৎস্না মান্ডি।

এছাড়া মুসলিম হিসেবে মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব পেয়েছেন- ফিরহাদ হাকিম, গোলাম রব্বানি, সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী, হুমায়ুন কবীর, আক্রুজ্জমান, সবিনা ইয়াসমিন।

করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। মাত্র ছয় মিনিটের মধ্যে মন্ত্রিসভার ৪৩ জন মন্ত্রী শপথ নেন।
এছাড়াও অমিত মিত্র, ব্রাত্য বসু বাড়ি থেকে ভার্চুয়ালি শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতা ব্যানার্জি আগেই শপথ নিয়েছিলেন। সোমবার রাজভবনে ৪৩ জন মন্ত্রী শপথ নিলেন। সাধারণত একজন একজন করে মন্ত্রী রাজ্যপালের সামনে যান এবং শপথবাক্য পাঠ করেন। দেশের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, বিশিষ্ট মানুষদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়। জনগণও শপথ দেখতে পারেন। কিন্তু এবার কোভিডের কারণে তার কোনো কিছুই হয়নি।

সকাল সাড়ে ১০টায় মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যপাল অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান। তার আগেই সেখানে পৌঁছে গিয়েছিলেন মন্ত্রীরা। তিন দফায় শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল। প্রথমে পূর্ণ মন্ত্রী, তারপর স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী এবং সব শেষে প্রতিমন্ত্রীরা একসঙ্গে শপথবাক্য পাঠ করেন। করোনার কারণে আলাদা আলাদা করে শপথবাক্য পাঠ করানো হয়নি।

করোনায় আক্রান্ত রাজ্যের মন্ত্রী ব্রাত্য বসু, পূর্বতন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রও অসুস্থ। ফলে তারা ভার্চুয়ালি বাড়ি থেকে শপথবাক্য পাঠ করেন। শারীরিক কারণে নির্বাচনে লড়েননি অমিত মিত্র। কিন্তু তৃণমূল সুপ্রিমো তাকে ফের মন্ত্রিত্ব দিচ্ছেন। ছয় মাসের মধ্যে উপনির্বাচনে তাকে জিতে আসতে হবে।

শপথের পরপরই নবান্নে যান মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে তিনি বলেন, রাজ্যে এখনই সার্বিক লকডাউন ঘোষণা করা হবে না। তবে আংশিক লকডাউনের যে নিয়মগুলো জারি করা হয়েছে তা বহাল থাকবে। তবে জনগণকে লকডাউনের মতোই আচরণ করতে হবে। অকারণে বাড়ি থেকে বের হওয়া যাবে না।

এদিকে শুভেন্দু অধিকারীকে বিরোধী নেতা করেছে বিজেপি। তিনি এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিকে নন্দীগ্রামে হারিয়েছেন। একসময় মমতার ডানহাত বলে পরিচিত এবার বিধানসভায় বিজেপির নেতৃত্ব দেবেন।

এআরএ/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]