ক্রসফায়ারের হুমকি
পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে বাদীর নারাজি, তদন্ত করবে পিবিআই
ক্রসফায়ারের হুমকি দিয়ে ৩০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও অপহরণের অভিযোগে চট্টগ্রামের রাউজান থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশসহ তিন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে করা মামলায় পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি দিয়েছেন বাদী ডা. জাহাঙ্গীর আলম।
সোমবার (৪ মে) সকালে চট্টগ্রাম সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-২ আদালত বাদীর নারাজি গ্রহণ করে পিবিআইকে মামলা পুনঃতদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
বাদীর আইনজীবী মোহাম্মদ রাসেল জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ডা. জাহাঙ্গীর আলম আদালতে মামলাটি (জিআর মামলা নং-১৩০/২৪) দায়ের করেন। চট্টগ্রাম জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বাদীর এজাহার রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) মামলা হিসেবে নিতে নির্দেশ দেন।
মামলার আসামিরা হলেন- রাউজান থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, এসআই টোটন মজুমদার, এসআই শাফায়েত আহমদ, পাইওনিয়ার হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডা. ফজল করিম প্রকাশ বাবুল, পরিচালক মনজুর হোসেন ও সুপারভাইজার মো. জাহাঙ্গীর আলম। তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই হোসেন ইবনে নাঈম ভূঁইয়া গত ২৬ নভেম্বর এই মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেন।
মামলার বাদী চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, তদন্ত কর্মকর্তা এসআই হোসেন ও ১ নম্বর আসামি টোটন মজুমদার রাউজান থানার সহকর্মী। সহকর্মী পুলিশ সদস্যদের রক্ষা করতে মূল ঘটনা আড়াল করে আদালতে মিথ্যা ও সাজানো চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা।
ডা. জাহাঙ্গীর মামলায় অভিযোগ করেন, ২০১৫ সালের ১৫ এপ্রিল দুপুর ১২টার দিকে নোয়াপাড়ায় প্রাইভেট চেম্বারে রোগী দেখার সময় রাউজান থানার তখনকার এসআই টোটন মজুমদার তাকে বিএনপির কমিটিতে নাম থাকায় ক্রসফায়ার দেওয়ার হুমকি দেন; বাঁচতে চাইলে ৩০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। পরে আসামিরা মিলে ২০১৫ সালে ৪ এপ্রিল একটি মিথ্যা মামলা সাজায়। সেই মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।
এমডিআইএইচ/ইএ