হাইকোর্টে বেঞ্চ বাড়াতে প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:০০ পিএম, ২১ এপ্রিল ২০২১

লকডাউনের সময় আগামী ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত বর্ধিত হওয়ায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে হাইকোর্টে বেঞ্চ বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী (বার অ্যাসোসিয়েশন) সমিতি।

বুধবার (২১এপ্রিল) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বরাবর সমিতির সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল স্বাক্ষরিত এক আবেদনে এই আহ্বান জানানো হয়।

আবেদনে বলা হয়, 'বর্তমানে দেশে করোনার সংক্রমণ ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। এটি নিয়ন্ত্রণে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। আমরা সন্তোষের সঙ্গে লক্ষ্য করেছি যে, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিচার বিভাগ সচল রাখতে আপনি (প্রধান বিচারপতি) কার্যকর ভূমিকা রেখেছেন। আপিল বিভাগও সচল রয়েছে এবং হাইকোর্ট বিভাগে চারটি বেঞ্চের মাধ্যমে সীমিত আকারে বিচারকাজ অব্যাহতভাবে চলছে।'

আবেদনে আরও বলা হয়, 'এই কঠিনতম সময়ে হয়তো শারীরিক উপস্থিতিতে আদালত পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। এই কারণে শারীরিক উপস্থিতি ব্যতীত ভার্চুয়াল পদ্ধতির মাধ্যমে যেমন আপিল বিভাগ সচল রয়েছে তেমন করে হাইকোর্টের আরও কয়েকটি বেঞ্চ বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।'

'তারই আলোকে ২০ এপ্রিল এক জরুরি সভায় হাইকোর্ট বিভাগে বেঞ্চ বৃদ্ধির বিষয়ে প্রধান বিচারপতির প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।'

আবেদনে বলা হয়, 'রমজান মাস চলছে, সামনে ঈদুল ফিতর। লকডাউন এবং আদালতের স্বল্পতার কারণে বিজ্ঞ আইনজীবী তাদের পেশা পরিচালনা করতে পারছেন না। ফলে অত্র সমিতির সদস্যসহ বিজ্ঞ আইনজীবীগণ মারাত্মক আর্থিক ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। একইভাবে সীমিত সংখ্যক আদালত চালু থাকায় বিচারপ্রার্থী মানুষ কাঙ্ক্ষিত বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এ পরিস্থিতি উত্তরণে সর্বাত্মক লকডাউনের মধ্যও আপিল বিভাগের মত হাইকোর্ট বিভাগকে কার্যকরী করতে আরও অধিক সংখ্যক ফৌজদারি, রিট, সিভিল ও আনুষঙ্গিক বিষয়ে বেঞ্চ বৃদ্ধি করা জরুরি।'

'বিচার বিভাগের প্রাতিষ্ঠানিক প্রধান হিসেবে আপনার প্রতি প্রত্যাশা, আপনি বিজ্ঞ আইনজীবীদের আর্থিক ঝুঁকি এড়াতে ও কাঙ্ক্ষিত ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় হাইকোর্ট বিভাগে বেঞ্চ বৃদ্ধির বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।'

এফএইচ/জেডএইচ/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]