মালি আবুল হত্যা: দুইজনের মৃত্যুদণ্ড

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:০০ পিএম, ০৯ জুলাই ২০২৩
ফাইল ছবি

রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানা এলাকার এক নার্সারির মালি আবুল হোসেনকে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় দুজনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

রোববার (৯ জুলাই) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক এম আলী আহমেদের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন: মাদক মামলায় পরীমণিসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য ২৮ আগস্ট

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি হলেন- নার্সারির মালিক মুস্তাফিজুর রহমান ওরফে লিটন এবং আরেক মালি আনোয়ার হোসেন ওরফে আনারুল। দণ্ডিত দুইজনই এখন পলাতক। আদালত তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, আসামি মুস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে আবু তাহের বিমান বাহিনীর কুর্মিটোলায় ২২২ এম ইউ সংলগ্ন এলাকায় কুর্মিটোলায় জমি লিজ নিয়ে নার্সারি করেন। মুস্তাফিজুর রহমান নার্সারির কর্মচারীদের নিয়োগ, বদলি, বেতনসহ সবকিছু দেখাশোনা করতেন। ২০০১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর সকাল পৌনে ৯টার দিকে মুস্তাফিজুর রহমান হেড মালি আবুল হোসেনকে নার্সারিতে গিয়ে দেখতে পাননি। এসময় তিনি অন্য মালিদের কাছে আবুল হোসেনের কথা জানতে চান।

আরও পড়ুন: সালাউদ্দিন-মুর্শেদী-নাঈমের দুর্নীতির অনুসন্ধান চলবে

তারা জানান, আবুল হোসেন তার আত্মীয়কে দেখতে হাসপাতালে গেছেন। এর দুইদিন পর ৭ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আবুল হোসেনের মরদেহ এম ইউ ভবনের পেছনে ম্যানহোলে পাওয়া যায়। আবু তাহের সেখানে পৌঁছানোর আগে মুস্তাফিজুর রহমান নার্সারি থেকে পালিয়ে যান। নার্সারির অপর দুই মালি রবিউল ও আনোয়ারকে বিমান বাহিনীর সদস্যরা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যান।

এ ঘটনায় আবু তাহের ৭ সেপ্টেম্বর ক্যান্টনমেন্ট থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করে ওই বছরের ১১ নভেম্বর আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়। ২০০৩ সালের ২৬ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বিচার শুরু করেন আদালত। মামলার বিচার চলাকালে ১৪ সাক্ষীর মধ্যে ১৪ জন সাক্ষ্য দেন।

জেএ/কেএসআর/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।