গ্রাহকের সঙ্গে প্রতারণা : বাংলালিংক সিইওকে লিগ্যাল নোটিশ


প্রকাশিত: ০৮:১০ পিএম, ০৪ এপ্রিল ২০১৬

প্রতারণার অভিযোগে মোবাইল অপারেটর বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী বরাবর আবারো এক গ্রাহক তার আইনজীবীর মাধ্যমে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছেন।

রোববার রেজিস্ট্রি ডাকযোগে ওই গ্রাহকের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জুলফিকার আলী জুনু নোটিশ পাঠিয়েছেন বলে সাংবাদিকদের জানান আইনজীবী নিজেই। আগে পাঠানো নোটিশের কোনো জবাব না দেয়ায় পুনরায় এই নোটিশটি পাঠানো হয় বলে আইনজীবী জুলফিকার আলী জানান।

নোটিশে বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহীকে অভিযোগের সমাধান করতে ৭২ ঘণ্টার সময় বেঁধে দেন গ্রাহক। অন্যথায় আর্থিক ও মানসিক হয়রানির অভিযোগে সংশ্লিষ্ট আদালতে মামলা করা হবে বলে জানানো হয়।

প্যাকেজ জালিয়াতির অভিযোগ এনে এর আগে গত ৩ মার্চ প্রধান নির্বাহীকে একটি লিগ্যাল নোটিশ পাঠান এক গ্রাহক। ওই নোটিশে বলা হয়, ওই গ্রাহক দীর্ঘদিন ধরে বাংলালিংকের একটি অফার ব্যবহার করছিলেন। অফারটি হলো ১৯৯ টাকা রিচার্জ করলে এক পয়সা প্রতি সেকেন্ড পালস সুবিধা পাওয়া যাবে। এই অফারের ধারাবাহিকতায় তিনি গত ৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯ টাকা রিচার্জ করেন। এই রিচার্জের পর একটি মেসেজের মাধ্যমে তাকে অভিনন্দন জানিয়ে বলা হয়, ৯ মার্চ ২০১৬ তারিখের মধ্যে আবার একই পরিমাণ টাকা রিচার্জ করলে ওই সুবিধা অব্যাহত থাকবে।

বাংলালিংকের পাঠানো ওই মেসেজ অনুসারে ওই গ্রাহক গত ২৩ ফেব্রুয়ারি আবার ১৯৯ টাকা রিচার্জ করেন। কিন্তু ওইদিন রিচার্জের পর রিচার্জ সাকসেকফুল দেখালেও সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের মোবাইলে কোনো প্রকার ব্যালেন্স যোগ হয়নি। বিষয়টি নিয়ে তিনি কাস্টমার সার্ভিসে যোগাযোগ করলে তারা জানায় যে, ইতোমধ্যে ওই টাকার বিনিময়ে ইন্টারনেট ডাটার একটি প্যাকেজ চালু করা হয়েছে এবং ওই প্যাকেজ গ্রাহককে দেয়া হয়েছে। ভয়েস কলের জন্য রিচার্জ করা হয়েছে জানালে তারা জানায়, ব্যালেন্স রিফান্ডের কোনো সুযোগ নেই।

নোটিশে আরো বলা হয়, দেশের কোটি কোটি মানুষ বাংলালিংকের গ্রাহক। এসব গ্রাহকের অনেকেই হয়তো এভাবে প্রতারণার শিকার হচ্ছেন।

তাই নোটিশ পাওয়ার ৫ দিনের মধ্যে এই বিষয়ে বাংলালিংক কর্তৃপক্ষকে প্রতারণার এই অভিযোগ সম্পর্কে জবাব দিতে বলা হয়। অন্যথায় বাংলালিংকের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান আইনজীবী। কিন্তু এক মাস অতিবাহিত হলেও বাংলালিংক কর্তৃপক্ষ কোনো জবাব না দেয়ায় তাদের পুনরায় নোটিশ দেয়া হয়।

আইনজীবী জুলফিকার আলী বলেন, আইনগত পদক্ষেপ নেয়ার আগে মোবাইল ফোন কোম্পানিটিকে এটি রিমাইন্ডার নোটিশ হিসবে দেয়া হলো।

এফএইচ/বিএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।