জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন
জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সভাপতি, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন।
রোববার (৯ জুন) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, সম্প্রতি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট এ জে মোহাম্মদ আলী মারা গেছেন। তার মৃত্যুতে সভাপতির শূন্য পদে সিনিয়র আইনজীবী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীনকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ এবং ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী আইনজীবীদের ঐক্যবদ্ধ করতে ৯০ দশকের গোড়ার দিকে বিচারপতি টি এইচ খানের নেতৃত্বে বিএনপি সমর্থক সংগঠন হিসেবে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের যাত্রা শুরু হয়।
মরহুম বিচারপতি টি এইচ খান প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর পেশাজীবী এ সংগঠনে বিভিন্ন সময় নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মরহুম খন্দকার মাহবুব উদ্দীন আহমদ, মরহুম ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা, মরহুম ব্যারিস্টার আমিনুল হকসহ অন্যরা।
এরপর ২০১০ সালে ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াকে সভাপতি, ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দীন খোকনকে মহাসচিব ও মরহুম অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়াকে প্রথম যুগ্ম মহাসচিব করে তিন সদস্যবিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়।
তিন সদস্যবিশিষ্ট সেই কমিটি দীর্ঘ ৮ বছরেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করতে পারেনি। পরে ২০১৯ সালে মরহুম অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেনকে আহ্বায়ক ও অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানকে সদস্য সচিব করে ১৭৯ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়।
আরও পড়ুন
ওই কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল সদ্য প্রয়াত এ জে মোহাম্মদ আলী। সেই আহ্বায়ক কমিটি জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামকে সারাদেশে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করায় এবং দেশের ৬১টি জেলা বারে (পার্বত্য চট্টগ্রামের তিনটি জেলা বাদে) সাংগঠনিক কমিটি গঠন করে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দিক নির্দেশনায় সারাদেশে ১০টি সাংগঠনিক বিভাগের অন্তর্গত প্রতিটি জেলা বারে শুরু হয় ‘সদস্য সংগ্রহ’ অভিযান। সদস্য সংগ্রহ অভিযানে অভূতপূর্ব সাড়া পড়ে আইনজীবীদের মধ্যে।
কেন্দ্রীয় সব যুগ্ম আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের নেতৃত্বে ১০টি বিভাগে ‘বিভাগীয় উপকমিটি’ গঠনের মাধ্যমে নেতারা ৬১টি জেলায় গিয়ে সদস্য সংগ্রহ অভিযান চালান। পরে সাধারণ সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটাধিকারের মাধ্যমে সফলভাবে ৬১টি জেলা বারে ফোরামের নির্বাচিত কমিটি গঠিত হয়।
কেএইচ/এফএইচ/এমআরএম/এমএস