স্নানঘরের সাজসজ্জা
ঘরের সার্বিক অবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই আপনার স্নানঘর অর্থাৎ বাথরুমটিকে সাজাতে হবে। আপনার একটু সদিচ্ছা আর কিঞ্চিৎ খরচের মানসিকতা আপনার বাথরুমটিকে সাজিয়ে তুলতে পারে মনের মতো করে। সময়ের ব্যবধানে বাথরুমের ডিজাইন আকার আয়তন ডেকোরেশন পরিবর্তিত হচ্ছে। তেমনি জায়গা, অবস্থান আর বয়সভেদে বাথরুমের চেহারা ভিন্নতর হয়ে থাকে।
মেয়েদের স্নানঘরটি আকৃতিতে একটু বড় আর গোছানো হওয়া প্রয়োজন। বাড়ির গিন্নী যে বাথরুমটি ব্যবহার করবে সেটি অবশ্যই বেডরুমের সঙ্গে হওয়া উচিত। এছাড়া যদি মহিলাদের সবার জন্য একটা বাথরুম হয় তাহলে সেটা কিচেনের পাশে হতে পারে। কিংবা বেডরুম ঘেঁষে তৈরি হওয়া উচিত।
পুরুষদের বাথরুম যেকোনো জায়গাতেই হতে পারে। এক্ষেত্রে পুরুষদের বেডরুমের সঙ্গে না হয়ে ডাইনিংয়ের সঙ্গে হলে তা কমন বাথরুম হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। তবে ছেলেদের স্নানঘরে আয়না বসানো বেসিন গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটা অনেক সময় শেভিংয়ের কাজে ব্যবহূত হয়।
স্নান ঘরটিকে অনেকে আলো-আঁধারিতে রাখতে পছন্দ করেন। অপর দিকে যেহেতু এই ঘরটিতে জানালাটা উঁচুতে অবস্থান করে তাই আলো ঘরের নিচ পর্যন্ত পৌঁছতে পারে না। এজন্য আলো যাতে সহজভাবে চলাচল করতে পারে সে উদ্দেশ্যেই স্নানঘরে বড় জানালা তৈরি করতে পারেন। ঘোলাটে কাচ ব্যবহার করলেই ভেতরটা নিরাপদ রাখা যাবে।
বাথরুমে বৈদ্যুতিক বাতি ব্যবহারের সময় অবশ্যই নিশ্চিত হয়ে নিন প্রতিটি বাল্বের উপরে আলাদা প্লাস্টিক কিংবা কাচের খোলস লাগানো আছে কি না। কারণ গোসলের সময় পানির ফোঁটা পড়ে জ্বলন্ত বাল্ব মুহূর্তেই ফেটে চুরমার হয়ে যেতে পারে।
আজকাল লোডশেডিংয়ের প্রকোপ বেশি হওয়ায় বাথরুমে অবশ্যই মনে করে একটি মোমদানি রাখতে পারেন। স্নানের জায়গাটুকু বাদে বাকি অংশ শুষ্ক রাখতে চেষ্টা করুন। এক্ষেত্রে পাওয়ার কিউব কিনে বসিয়ে নিতে পারেন অথবা বাথরুম বড় হলে কাঁধ পর্যন্ত দেয়াল তুলে দিন।
টয়লেটের ফ্লাশ সম্পর্কে একটা কথা বিশেষভাবে খেয়াল রাখবেন, এটা নষ্ট হলে কিন্তু টয়লেট ব্যবহার বন্ধ করে দিতে হবে।
এইচএন/আরআইপি