মায়াবতী : পর্ব ১০

মোহিত কামাল মোহিত কামাল , কথাসাহিত্যিক, মনোচিকিৎসক
প্রকাশিত: ০৫:২২ পিএম, ০৩ জুলাই ২০২১

কথাসাহিত্যিক মোহিত কামালের মায়াবতী বাংলা সাহিত্যে দ্বিতীয় মনোবৈজ্ঞানিক উপন্যাস। সাহিত্যের শব্দবিন্যাসে তিনি ব্যবহার করেছেন মনস্তত্ত্ব, সমাজের আড়ালের চিত্র। মা প্রত্যক্ষ করেছেন, মেয়েরা নানাভাবে উৎপীড়ন ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয়, সহজে মুগ্ধ হয়ে অবিশ্বাস্য পাতানো ফাঁদে পা দেয়। মায়ের একান্ত চাওয়া মেয়ে ক্যারিয়ার গড়ে তুলুক। বিধিনিষেধ আরোপ করেন মা। মেয়ে তখন মনে করে, মা স্বাধীনতা দিতে চায় না, বিশ্বাস করে না তাকে। মায়ের অবস্থানে মা ভাবছেন তিনি ঠিক। মেয়ের অবস্থানে মেয়ে ভাবছে, সে ঠিক। মায়ের ‘ঠিক’ এবং মেয়ের ‘ঠিক’র মাঝে সংঘাত বাধে। সংঘাত থেকে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়, ভুল করে বসে মেয়ে রিয়া। পালিয়ে যায় ঘর থেকে। এই ‘ভুল’ই হচ্ছে উপন্যাসের মূলধারা, মূলস্রোত। মায়াবতী পড়ে চিন্তনের বুননে ইতিবাচক গিঁট দেয়ার কৌশল শেখার আলোয় পাঠক-মন আলোকিত হবে। জানা যাবে টিনএজ সমস্যা মোকাবিলার কৌশল। জাগো নিউজের পাঠকের জন্য ধারাবাহিক প্রকাশিত হচ্ছে সাড়া জাগানো উপন্যাসটি—

বারো.
রিয়া বলল, একা এলি কেন?
মুনা চোখ তুলে রিয়ার দিকে তাকিয়ে হাসিমুখে বলল, আমি তো একাই। এখনো দোকা হইনি। দোকা হলে সেভাবেই আসব।
প্রশ্ন করে সহজ ছিল রিয়া।
উত্তর পেয়ে সহজ মন খারাপ হয়ে গেল।
তাই তো! মুনাকে কেন এ প্রশ্নটি করল? মোটেই উচিত হয়নি। নিজের বাসায় এমন প্রশ্ন সাজেনি।
মুনাকে পেয়ে মন ঝলমল করে উঠেছিল। ঝলমলে মন সহজে বদলে গেছে। মলিন হয়ে গেছে মুখ। তবুও জোর করে হাসার চেষ্টা করে রিয়া। হাসি এলো না। বদলে ভেতর থেকে আরেকটা প্রশ্ন ঠেলে বেরিয়ে এলো।
রেজা মামা এলো না?
বলেছিলাম আসতে। এলো না। বলেছে, পরে আসবে।
ওহ! রিয়া থেমে যায়।

মুনা কথা চালিয়ে নেয়। থমথমে আবহাওয়া থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করে, আন্টিকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে গিয়েছিলি?
হ্যাঁ, গিয়েছিলাম।
উনি কেমন আছেন এখন?
এখন অনেক ভালো।
ডাক্তার কী বলেছেন?
আমার উধাও হয়ে যাওয়ার কঠিন চাপ তৈরি করেছিল মামণির মনে। ওই চাপ সইতে পারেনি মায়ের মন। প্রতিরোধ ক্ষমতা, ডিফেন্স ভেঙে যায় তার। ঘটনাটার পুরো সময়কাল মামণির মেমোরি থেকে আউট হয়ে গিয়েছিল। মনের ডাক্তার বলেছেন, ওটা ছিল সাইকোজেনিক এমনেসিয়া। সায়েন্টিফিক ডায়াগনোসিস হচ্ছে ডিসোসিয়েটিভ ডিসঅর্ডার।
থাক। এসব কঠিন শব্দ শোনার দরকার নেই। আন্টি ভালো আছেন। ভালো থাকুন। এটাই চাই। মুনা বড়দের মতো কথা বলছে। ওর কণ্ঠে বদলের হাওয়া। বদলের ছাপ। উচ্ছলতায় গোপন বাধা ভেতরটা এখনো আটকে রেখেছে। পুরোপুরি ইজি হতে পারছে না, পারছে না আপন আলোয় জেগে উঠতে।
রিয়া বলল, কুসুমকে কল করেছি। ও আসছে।
মুনা বলল, দেরি করছে কেন?
রিয়া আবার বলল, কই, দেরি হয়নি। তুই আসার পরই মিসকল দিয়েছি। ওপরতলা থেকে নিচের তলায় নামবে কেবল।
মিসকলই কি নেমে আসার সিগন্যাল?
না। মিসকলের বিভিন্ন ভাষা আছে। একবার কল দিলে জরুরি। নেমে আয়। দুবার দিলে ডিস্টার্ব করিস না, ঘুমাব। তিনবার দিলে, রেডি হ বের হব। এই হচ্ছে মিসকলের ভাষা।

রিয়ার বর্ণনা শুনে হেসে উঠল মুনা। ওপরের তলা আর নিচের তলার ভাষা এমন হলেও ধানমন্ডি ও লালমাটিয়ার ভাষা আলাদা। কারণ মুনা মিসকল পছন্দ করে না। সরাসরি কলেই চলে দুরন্ত মুনা। দুরন্তপনার ঢেউ নেই এ মুহূর্তে। তবু মিসকলের ভাষায় না-হেসে পারল না ও।
মুনা শান্ত গলায় বলল, আন্টিকে দেখছি না কেন?
রিয়া বলল, বাসায় নেই মামণি। আব্বুর সঙ্গে বেরিয়েছে। আব্বু এখন মামণিকে সময় দিচ্ছে।
এখন সময় দিচ্ছেন মানে? আগে সময় দিত না?
মামণি তো আমার পেছনেই লেগে থাকত। আব্বুর সঙ্গে বেড়ানোর ইচ্ছা তো তার মধ্যে দেখতাম না।
এখন দেখছিস?
না। এখনো তেমন নেই। আব্বুই এখন জোর করে নিয়ে যায়। ব্যবসাপাতি বন্ধ করে আম্মুর পেছনে লেগে আছে।
তাহলে তো আন্টির লাভই হলো।
লাভ বলিস কেন? মা ভীষণ কষ্ট পেয়েছেন।
কষ্টের বিনিময়ে লাভ। এই আর কি। মুনা শীতল গলায় বলেই উঠে জানালার পাশে গিয়ে দাঁড়াল।
রিয়াও এলো পিছু পিছু।

রিয়ার শোবার ঘরের পাশেই রয়েছে ঝাঁকড়া মাথার নারকেল গাছ। হাত বাড়ালে গাছের পাতা ছোঁয়া যায়। মুনা পাতা ছোঁয়। ছিঁড়ে নেয় এক টুকরো। পাতা ছিঁড়তে ছিঁড়তে বলল, আরে, তুই তো একদম সিকিউর্ড না!
মানে?
দেখছিস না। নারকেল গাছের কাণ্ড, তোর ব্যালকনির গ্রিল ছুঁয়ে আছে।
আছে। অসুবিধে কী?
অসুবিধে না। ইনসিকিউরিটি, নিরাপত্তার ঘাটতি। যে-কেউ গাছ বেয়ে আসতে পারবে ব্যালকনিতে। ব্যালকনির দরজা খোলা থাকলে ঢুকে যেতে পারবে তোর ঘরে।
রিয়া কখনো এমন করে ভাবেনি। মুনার কথায় গাছের নিচ থেকে ওপর পর্যন্ত দেখে নিল। জানালার পূর্ব পাশ থেকে পুরো গাছ দেখা যায়। বুঝতে পারল মুনা ভুল বলেনি। ব্যালকনির দরজা প্রায় খোলা থাকে। সেই অর্থে সিকিউরিটি বজায় থাকার কথা না। বিপদ কখনো ঘটেনি। ভয় পেল না রিয়া।
মুনা আবার বলল, রেজা মামাকে বলতে হবে বিষয়টা।
কেন, মামাকে কি গাছ বেয়ে আমার ঘরে ঢোকার জন্য পাঠাবি না-কি? প্রশ্ন করেই হেসে উঠল রিয়া।

অকস্মাৎ বজ্রপাত ঘটে গেল। মুনার মনে বিনা মেঘের বজ্র আঘাত হানল। ও ভাবছিল রিয়ার নিরাপত্তাহীনতার কথা। রেজা মামা উদ্ধারকাজে ভূমিকা রেখেছিল। এ বিষয়টাও মামাকে জানানোর প্রয়োজন মনে করেছিল মুনা। রিয়ার চপল উত্তর অন্য সময় হলে মুনাকে হাসিতে লুটিয়ে দিত। এ মুহূর্তে লুটিয়ে যায়নি, মুনার চিরায়ত ধ্রুপদী সত্যের শেকড়ে টান লেগে গেল। আজই মামার পুরুষসত্তা নিয়ে তীক্ষ্ম কথা ছুড়ে দিয়েছে ও। মামার ভেতরের সেই পুরুষসত্তা রিয়াকেও নাড়িয়েছে। ভেতর থেকেই বিষয়টা মেনে নিতে পারল না মুনা। ওপরেও ঘটে গেল বিপদ। কণ্ঠ তার শক্ত হয়ে গেল। বলে বসল, রেজা মামাকে পেতে ইচ্ছা করে তোর?
শক্তস্বর টের পেল না রিয়া। সে আছে ঘোরের মধ্যে। নিজের গহিনে বয়ে যাওয়া চপলতার স্রোতের টানে সাঁতরে যাচ্ছে ও। মুনার পরিবর্তন বুঝতে না-পেরে হাসিতে লুটিয়ে পড়ল রিয়া। ভুলে গেল তার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া বিপর্যয়ের কথা। লুটিয়ে পড়া ভঙ্গিতেই বলল, রেজা মামাকে সুযোগ পেলে সবাই চাইবে।
তুই চাস কি-না বল? মুনা আবারও শক্তস্বরে জানতে চায়।
দূর নাহ্! মাথাখারাপ। দুষ্টুমি করলাম। রিয়া সহজ হতে হতে জবাব দিলো।

ঠিক এ সময় কুসুমকলি লাফাতে লাফাতে ঘরে ঢোকে। সংলাপের শেষ অংশ থেকে আলাপের বিষয় লুফে নিয়ে প্রশ্ন করল, কে কাকে চায়?
মুনা জবাব দিলো না।
রিয়া বলল, রেজা মামাকে।
কুসুমকলি চিৎকার দিয়ে বিস্মিত হয়ে বলল, ধুৎ! কে চায়?
মুনা এবার বলল, রিয়া চায় মামাকে।
কুসুমকলি ক্ষেপে উঠে রিয়াকে বলল, তোর সব অ্যাবনরমাল চাওয়া। ফাজিল কোথাকার।
কুসুমকলির প্রতিক্রিয়া দেখে ভেতর থেকে শান্তি পেল মুনা।

মজার সংলাপে কত কথা থাকতে পারে, আড্ডায় কত বিষয় আসতে পারে। সব কিছুতে গুরুত্ব দিতে নেই। জানে রিয়া। জানে মুনা। কুসুমও জানে। তবু কথার মাঝে মন ভালো হয়, মন খারাপ হয়। মনে ঈর্ষা জাগে। মনে বিস্ময় জাগে। মনে রাগ আসে। মন বোঝা ভার।
রিয়া আসলে মামাকে চায়নি। জোকস করছিল। মুনা সিরিয়াস হয়ে গেছে। জোকস আর জোকস থাকেনি। বাস্তবের কড়ায় টোকা দিয়ে গেছে। মুনার কথায় মন খারাপ হয়ে গেছে রিয়ার। এই খারাপের ফুটো দিয়ে মনের মাঝে আসন গেড়ে বসে গেছে গোপন অভিমান। টের পেল না মুনা। টের পেল না কুসুমকলি। কিছুটা টের পেল রিয়া নিজেই।

চোখ বুজে একবার নিজেকে যাচাই করে দেখে নিল রিয়া। আসলেই কি মামার মতো একজন শ্রদ্ধাস্পদ পুরুষকে মনে মনে কামনা করেছে নিজে? মনে ভাবনা এসেছে? দেহের গোপন ইনস্টিংক্ট, গোপন প্রবৃত্তি কি মামাকে নিয়ে টালমাটাল হয়েছে?
উত্তর খুঁজে পেল না রিয়া। ‘হ্যাঁ’ নেই। ‘না’ও নেই। কোনো উত্তর নেই। উত্তরের হৃদয়ও নেই। উড়ে যায় সব। উড়ে যায় শূন্যচক্রে। এই চক্র রহস্যময়তায় ভরা। এ রহস্যের কূল নেই, কিনারা নেই। নেই কোনো সীমানা।
অভিমানী রিয়া সহজ হয়ে বলল, মজা করলাম। সিরিয়াস হওয়ার কিছু নেই।
কুসুমকলি হেসে বলল, তাই বল। ফাজিল।
মুনা বলল, নো প্রবলেম। রেজা মামাকে আমাদের সার্কেলের একজন বানিয়ে নেব। ফাজলামির কিছু নেই।
রিয়া বলল, ইয়েস।
কুসুম বলল, ইয়েস।

এ সময় বেজে ওঠে কুসুমকলির মুঠোফোন।
হাতে আছে ফোনসেট। চোখের সামনে তুলে ধরে অপ্রত্যাশিত ঢঙে চমকে উঠল কুসুম।
মুনা ইতোমধ্যে জড়তার খোলস থেকে বেরোতে শুরু করেছে। উদ্দামতা জেগে উঠছে তার মনে, আচরণেও। একপলক কুসুমের দিকে তাকিয়ে বলল, এমন চমকে উঠলি কেন, কুসুম?
কুসুমকলি প্রশ্নের জবাব না দিয়ে দ্রুত ওদের কাছ থেকে বসার ঘরে চলে এলো। কুসুমের দেহের ভেতর দিয়ে ছুটে চলে কোটি কোটি বিদ্যুৎকণা। ওর চোখ নড়ে। দেহ নড়ে। মন নড়ে। গোপন নাড়ায় নড়ে ওঠে বর্তমান মুহূর্ত।
মুনাও পেছন পেছন এগিয়ে এলো। টের পেল না কুসুম।
ঝট করে ফোনসেটটা নিজের হাতে নিয়ে নিজের কানে ধরল।
যাহ! লাইন কেটে গেছে।
ফিরিয়ে দেয় সে সেটটা কুসুমের হাতে। ফিরিয়ে দিতে দিতে উচ্ছ্বসিত স্বরে প্রশ্ন করল, মনে হচ্ছে বিশেষ কেউ?
না। না। কেউ না। কেউ না। কুসুম দ্বিত্বস্বরে জবাব দেয়।
অতিমাত্রায় উচ্ছ্বসিত হলে এই ঢঙে কথা বলে কুসুম, জানে রিয়া।
রিয়া বলল, লুকোনোর চেষ্টা করছিস কেন? বল কে?
না। না। বিশেষ কেউ না। বিশেষ কেউ না। আবারও বলল কুসুম। বলতে বলতে ছুটে গেল বাইরে।
মুখ ফিরিয়ে বলল, আয়। আমার বাসায় আয়। রিয়াকে উদ্দেশ্য করে বলল, মুনাকে নিয়ে আয়।
বাসায় কি কেউ এসেছে?
না। না। আয়। আমার বাসায় আয়। বলতে বলতে ছুটে বেরিয়ে গেল কুসুম। মুনা আর রিয়া, দুজনে ওর পিছু পিছু বাসা থেকে বের হয়।
কুসুমকলির ফ্ল্যাটে এসে থমকে গেল রিয়া। থমকে যায় মুনা। বসার ঘর অন্যভাবে সাজানো। সাজানোর ধরন দেখে বোঝা গেল এটা একমাত্র কুসুমকলির কাজ। সব কিছুতেই রয়েছে কুসুমের পছন্দের আলামত। পর্দার রং, ডিভানের কাভারের রং, সোফাসেটে কুশনের রং সব কিছুতেই ফুটে আছে কুসুমের মনের রং, প্রিয় রং। কয়েকদিনের মধ্যেই ঘটেছে এমন পরিবর্তন।

সামনের দেয়ালের দিকে তাকিয়ে অবাক হয়ে গেল রিয়া। অবাক হলো মুনাও। মুগ্ধতায় ভরে ওঠে ওদের মন। কৃতজ্ঞতায় নত হয় মন।
একটা পোস্টার দামি ফ্রেমে বাঁধানো। নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পোস্টার। প্রথম আলো পত্রিকার সঙ্গে দিয়েছিল পোস্টারটা। দুহাত প্রসারিত করে নীলাকাশের মেঘের দেশে দাঁড়িয়ে আছে স্বপ্নবান ইউনূস।
মমতা দিয়ে বাঁধাই করে বসার ঘরের দেয়ালে সেট করে রেখেছে কুসুমকলি।
রিয়া বলল, দারুণ।
মুনা বলল, অসাধারণ।
শব্দ দুটি শোনে কুসুমকলি। হাসিমুখে ওদের সামনে বুক ফুলিয়ে দাঁড়াল এখন।
রিয়া বলল, মনে হয় নোবেল প্রাইজ তুই পেয়েছিস?
মুনা বলল, বাইরে তো তোর তেমন প্রতিক্রিয়া দেখিনি। নোবেল প্রাইজ নিয়ে কখনো আলাপও করিসনি।
কুসুমকলি বলল, ছবিতে আছে নোবেলজয়ী। ছবির ভেতরের স্পিরিটের মধ্যে আছে আরেক ছবি। ওই ছবিকে ভালোবাসি। ভালোবাসি।
মুনা বলল, তোরও ভীমরতি হয়েছে?
রিয়া বলল, ভীমরতি কেন? আলোবতী হয়েছে সে।
কুসুম বলল, ঠিকই বলেছিস। আলো। চারপাশে আলো। ভেতরে আলো। বাইরে আলো। ঘরে ঘরে আলো। বিশ্বজয়ী আলোর মশাল মনের ঘরেও জ্বেলেছে আলো। আলোর মধ্যে ফুটে আছে আরেক মুখ। দু’চোখের অশ্রু। আনন্দাশ্রু। আপন করে অনুভবের কান্না। ভালোবাসার কান্না।
রিয়া আবারও অবাক হয়ে গেল। মুনাও অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল কুসুমকলির দিকে। সহজ-সরল কুসুমকলির মধ্যে জেগে উঠেছে অন্য তরুণী, অন্য নারী। রহস্যময়ী এই নারীর কূল নাই, কিনার নাই...

চলবে...

এসইউ/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]