ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

স্কুলের গাছ কেটে বিক্রি করলেন স্কুলের সভাপতি

জেলা প্রতিনিধি | কুষ্টিয়া | প্রকাশিত: ০২:০০ পিএম, ১৯ মে ২০১৮

কুষ্টিয়ার খোকসার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি প্রায় দুই লাখ টাকা মূল্যের ১০টি মেহগনির গাছ বিক্রি করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে গ্রামবাসী ফুঁসে উঠেছে।

জানা যায়, উপজেলার বেতবাড়িয়া ইউনিয়নের বেতবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খেলার মাঠের বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণে বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি ইকবাল হোসেন ও প্রধান শিক্ষক শাহানাজ পারভীন স্কুল কম্পাউন্ডের ৩০টি মেহগনীর গাছ বিক্রির সিদ্ধান্ত নেন। চক্রটি ইতোমধ্যে গোপনে বিদ্যালয়টির খেলার মাঠের পূর্ব পাশের ১০টি মেহগনীর গাছ বিক্রি করে দেন। যার আনুমানিক মূল্য ২ লক্ষাধিক টাকা। রমজানের ছুটি শুরুর দ্বিতীয় দিন শুক্রবার ক্রেতা বিল্লাল হোসেন লোকজন দিয়ে স্কুল কম্পাউন্ড থেকে ১০টি গাছ কেটে ফেলেন। এ সময় এলাকাবাসীরা গাছ কাটায় বাধা দেয়। কিন্তু স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও ক্রেতার ক্যাডার বাহিনীর ভয়ভীতি ও চাপের মুখে তার সরে যেতে বাধ্য হন বলে গ্রামবাসীদের অভিযোগ। ইতোমধ্যে অধিকাংশ কাটাগাছ ক্রেতা সরিয়ে ফেলেছে বলে তারা জানায়।

শুক্রবার দুপুরে স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র হাসিব, গৃহিনী কাকলী খাতুনসহ উপস্থিত গ্রামবাসী জানান, কী কারণে গাছ কাটা হয়েছে তা তারা জানে না। বিদ্যালয়ের গাছগুলো ছায়া দিত। শিশুরা সেখানে খেলাধুলা করত।

স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভপতি ও বিদ্যালয়ের সভাপতি ইকবাল হোসেনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, একদিকে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ ও অন্যদিকে শহীদ মিনার নির্মাণের অর্থ সংগ্রহ করার জন্য প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার মিনা পারভীন, প্রধান শিক্ষক ও নেতাদের সঙ্গে আলাপ করেই গাছ বিক্রি করেছেন। কিছু শয়তান লোক গাছ কাটা নিয়ে বিরোধিতা করছে।

বিদ্যালয়টির চলতি দায়িত্বে থাকা প্রধান শিক্ষক শাহানাজ পারভীন বলেন, ‘গাছ কাটার কোনো খবর তিনি শোনেনি। যেহেতু স্কুল ছুটি তাই স্কুল দেখার দায়িত্ব এসএমসির সভাপতিসহ কমিটির লোকের।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মিনা পারভীনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে তারা সিদ্ধান্ত দেবেন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

আল-মামুন সাগর/আরএ/এমএস

আরও পড়ুন