শিক্ষক শ্যামল কান্তিকে ঢামেকে হত্যার হুমকি


প্রকাশিত: ০২:১৪ পিএম, ২১ মে ২০১৬

নারায়ণগঞ্জের পিয়ার সাত্তার লতিফ উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে। শুক্রবার রাতে ‘সালাউদ্দিনের ঘোড়া’ নামের একটি ফেসবুক পেইজে এই ঘোষণা দেয়া হয়।

পোস্টে ঢাকা মেডিকেলের মেডিসিন বিভাগের ৬০১ নম্বরে ওয়ার্ডে গিয়ে শ্যামল কান্তিকে হত্যার নানা কৌশলও উল্লেখ করা হয়েছে।

সম্প্রতি ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে শ্যামল কান্তি ভক্তকে নির্যাতন করা হয়। পরে তাকে কান ধরিয়ে উঠ-বস করান স্থানীয় সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান। এরপর শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে তাকে ঢামেকের মেডিসিন বিভাগের ৬০১ নং ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। ঠিক সেদিন রাতেই শ্যামলকে হত্যার হুমকি দিয়ে পোস্টটি দেয়া হয়।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ফেসবুক পেইজে ভিজিটর পোস্টের স্থানে শ্যামলকে হত্যার হুমকির বিষয়টি অবগত করেন তন্ময় কর্মকার নামে এক ব্যক্তি।

Tonmoy

এ বিষয়ে শনিবার সন্ধ্যায় ডিএমপি মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মারুফ হোসেন সরদার জাগো নিউজকে বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

এদিকে শুক্রবার দুপুর থেকেই শ্যামল কান্তিকে কয়েকস্তরের নিরাপত্তা দিচ্ছে শাহবাগ পুলিশ। ডাক্তার-নার্স ও পরিবারের হাতেগোনা কয়েকজন ছাড়া অপরিচিত কাউকেই ওয়ার্ডে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না।

ঢামেকে শিক্ষক শ্যামলকে হত্যার হুমকির বিষয়ে জানতে চাইলে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর সিদ্দিক জাগো নিউজকে বলেন, শ্যামল কান্তিকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ডাক্তার-নার্সদের শনাক্ত করে ভেতরে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে। এক কথায় আমরা সব সাইডে নজরদারি করছি।

শনিবার রাতে ঢামেক থেকে জাগো নিউজের প্রতিনিধি মো. হায়দার জানান, শ্যামল কান্তিকে ঢামেকে আনার পর থেকেই নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছিল। বর্তমানে তার ওয়ার্ডের বাইরে শাহবাগ থানার ৩ জন পুলিশ অবস্থান করছেন। ওয়ার্ডের অন্যান্য রোগীর লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের পর প্রবেশের অনুমতি দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকসহ অপরিচিত কাউকে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না।

এআর/জেইউ/এসকেডি/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।