অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় স্কুলছাত্রীকে খুন করেন হোটেলকর্মী

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০২:০৭ পিএম, ১২ জানুয়ারি ২০২৬
ফাতেমা আক্তার নিলি/ফাইল ছবি

রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রীতে ফাতেমা আক্তার নিলি নামের দশম শ্রেণির স্কুলছাত্রীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। তার নাম মো. মিলন মল্লিক (২৮)। পেশায় মিলন একজন হোটেলকর্মী।

অনৈতিক প্রস্তাবে সহযোগিতা না করার কারণে ফাতেমা আক্তার নিলিকে হত্যা করেছে বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করে হোটেলকর্মী মিলন।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, গ্রেফতার মিলনের সঙ্গে নিহত স্কুলছাত্রী নিলির সুসম্পর্ক ছিল। তবে এ সম্পর্কের সুবাদে সে বিভিন্ন সময় আকার-ইঙ্গিতে নিলির কাছে প্রেমের বহিঃপ্রকাশ করত এবং নিলির পরিবার থেকে গ্রামের বাড়িতে গেলে মিলন নিলিকে নিয়ে পালিয়ে যাবে বলে তাকে জানায়।

পরে সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী গত শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুর ২টা ২৫ মিনিটের দিকে বাসায় একা পেয়ে মিলন নিলিকে অনৈতিক প্রস্তাব দেয়। সেই প্রস্তাবে সহযোগিতা না করার কারণে মিলন এ হত্যাকাণ্ড ঘটায়। তবে জিজ্ঞাসাবাদ ও বিস্তর তদন্তে নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য বেরিয়ে আসবে বলেও জানিয়েছে তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

জানা গেছে, গ্রেফতার মিলন নিহত নিলির বাবার রেস্তোরাঁয় কাজ করেন। নিলি বাসায় একা ছিল সেই সুযোগে মিলন তাকে গলাকেটে হত্যা করে।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে মিলনকে গ্রেফতারের কথা জানান র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী।

তিনি বলেন, স্কুলশিক্ষার্থীকে গলাকেটে হত্যার চাঞ্চল্যকর ঘটনার মূল আসামি রেস্তোরাঁকর্মী মো. মিলন মল্লিককে বাগেরহাট জেলার সদর থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার করে র‌্যাব-৩। এ বিষয়ে আজ সোমবার বিকেলে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে।

গত শনিবার বিকেলে দক্ষিণ বনশ্রীর এল ব্লকের প্রীতম ভিলা থেকে ওই ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। জাতীয় জরুরি সেবা নম্বরে ৯৯৯ কল পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয় বলে জানান খিলগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।

টিটি/এমআরএম/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।