ঢাকা-১৩ আসন
ভোটার তালিকায় গড়মিলের অভিযোগ ববি হাজ্জাজের
বিভিন্ন কেন্দ্রে প্রিসাইডিং অফিসার ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে থাকা ভোটার তালিকার সঙ্গে তাদের পোলিং এজেন্টদের কাছে থাকা তালিকার গড়মিল রয়েছে। এ কারণে অনেক ভোটার নাম খুঁজে না পেয়ে কেন্দ্র থেকে ফিরে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন ঢাকা-১৩ আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থী জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন-এনডিএম এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ।
বৃহস্পতিবার (১২ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মোহাম্মদপুর সরকারি শারীরিক শিক্ষা কলেজের ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনের আগে এসব কথা বলেন তিনি।
ববি হাজ্জাজ বলেন, নির্বাচন কমিশনের অনলাইন ডেটাবেজ থেকে প্রাপ্ত ভোটার তথ্যের সঙ্গে কেন্দ্রের পোলিং অফিসারদের খাতার মিল পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকি তাদের পোলিং এজেন্টদের কাছে থাকা প্রিন্টকৃত তালিকার সঙ্গেও অমিল দেখা যাচ্ছে। এতে ভোটারদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
এর আগে সাতটি কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন জানিয়ে তিনি বলেন, প্রায় প্রতিটি কেন্দ্রেই এক বা একাধিক ক্ষেত্রে এমন অসঙ্গতি পাওয়া গেছে। এক কেন্দ্রে দীর্ঘ সময় রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে নাম, জন্ম তারিখ ও ঠিকানা দিয়ে পুনরায় খুঁজে বের করার পর ভোটারের নাম পাওয়া গেছে। তবে অনেক ভোটার দীর্ঘ সময় অপেক্ষা না করে ফিরে গেছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
এ পরিস্থিতিকে অত্যন্ত দুঃখজনক উল্লেখ করে ববি হাজ্জাজ বলেন, ভোটার তালিকার এই গড়মিল নির্বাচনি প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে। তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তাকে অনুরোধ জানিয়েছেন, যেখানে তালিকায় অমিল দেখা যাবে সেখানে যেন প্রিসাইডিং অফিসাররা সময় নিয়ে খুঁজে ভোটারকে সহায়তা করেন এ মর্মে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়।
তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, গতরাতে কয়েকটি কেন্দ্রে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা হলেও আইনশৃঙ্খলা ও প্রতিরক্ষা বাহিনী তা দক্ষতার সঙ্গে মোকাবিলা করেছে। কারা এ চেষ্টা করেছে, তা তদন্তের দাবি জানান তিনি।
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর ‘সুষ্ঠু ভোট হলে ফল মেনে নেওয়া হবে’ এমন বক্তব্যের প্রসঙ্গে ববি হাজ্জাজ বলেন, ভোটাররা যদি স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিতে পারেন এবং পোলিং এজেন্টদের উপস্থিতিতে সবকিছু সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়, তাহলে গণতান্ত্রিকভাবে ফল মেনে নেওয়াই সবার দায়িত্ব।
কোনো কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ মনে করছেন কি না এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কেন্দ্র দখল বা সহিংসতার মতো পরিস্থিতি এখনো দেখা যায়নি। তবে ভোটার ডেটাবেজের গড়মিল নিয়ে তারা শঙ্কিত এবং দ্রুত সমাধান চান।
কেআর/এসএনআর