নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় সুষ্ঠু ভোটের সাফল্য ম্লান: ভয়েস নেটওয়ার্ক

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:৩২ পিএম, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোর সমন্বিত প্ল্যাটফর্ম ভয়েস নেটওয়ার্ক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামগ্রিকভাবে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হলেও নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা সেই সাফল্যকে ম্লান করে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছে নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোর সমন্বিত প্ল্যাটফর্ম ভয়েস নেটওয়ার্ক।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তাদের নির্বাচন পর্যবেক্ষণের প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে সংগঠনটি।

সংবাদ সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য দেন ভয়েস নেটওয়ার্কের চেয়ারম্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. জসিম উদ্দীন। প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন সংগঠনের নির্বাহী কমিটির সভাপতি ও ইমপ্যার ইনিশিয়েটিভের সিইও এনায়েত হোসেন জাকারিয়া এবং রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং কো-অর্ডিনেটর বুরহান উদ্দীন।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সেক্রেটারি একরামুল হক সায়েম। এ সময় হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির সিইও ইজাজুল ইসলাম ও বাকেরগঞ্জ ফোরামের নির্বাহী পরিচালক শাহ আলম হাওলাদারসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান ভিত্তি হলো একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন। নির্বাচন কেবল ভোটগ্রহণের প্রক্রিয়াই নয়, এটি জনগণের আস্থা, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং রাষ্ট্রের বৈধতার প্রতীক।

এ কারণে নির্বাচন সংক্রান্ত আইন, বিধি ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কি না— তা মূল্যায়ন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্যেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে, চলাকালীন এবং পরবর্তী সময়ে সক্রিয়ভাবে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করেছে ভয়েস নেটওয়ার্ক।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিস্তারিত প্রতিবেদন আগামী সপ্তাহের মধ্যে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হবে।

পর্যবেক্ষণের পরিধি সম্পর্কে প্রতিবেদনে বলা হয়, কয়েকটি নিবন্ধিত পর্যবেক্ষক সংস্থার সমন্বয়ে মোট এক হাজার ৬৯ জন স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক ১৫০টি আসনের ৩ হাজার ৫৪১টি ভোটকেন্দ্র পর্যবেক্ষণ করেন। এর মধ্যে এক হাজার ৮টি কেন্দ্রে ভোট গণনাও সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা হয়।

ইএআর/এমএএইচ/

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।