তিন ক্যাটাগরিতে আরও ৭১৩ জুলাইযোদ্ধার গেজেট প্রকাশ
তিনটি ক্যাটাগরিতে আরও ৭১৩ জন জুলাইযোদ্ধার গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। এর আগে এ বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। তিন ধাপে গত ১৭, ১৩ ও ১১ ফেব্রুয়ারি গেজেট প্রকাশ করা হয়।
জুলাইযোদ্ধাদের মধ্যে ‘ক’ ক্যাটাগরির অতি গুরুতর আহত ৬ জন, ‘খ’ ক্যাটাগরির গুরুতর আহত ৩৩ জন রয়েছেন। বাকি ৬৭৪ জন ‘গ’ ক্যাটাগরির আহত জুলাইযোদ্ধা।
‘গ’ ক্যাটাগরির আহত জুলাইযোদ্ধাদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ২০১ জন, বরিশাল বিভাগে দুজন, সিলেট বিভাগে ২৪ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ২৩৬ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৫৫ জন, রংপুর বিভাগে ৫১ জন ও খুলনা বিভাগে পাঁচজন রয়েছেন।
‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও জুলাইযোদ্ধাদের কল্যাণ এবং পুনর্বাসন অধ্যাদেশ, ২০২৫’ অনুযায়ী মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়কে দেওয়া ক্ষমতাবলে জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪-এ ‘জুলাইযোদ্ধা’ গেজেট সরকার প্রকাশ করে বলে গেজেটে উল্লেখ করা হয়েছে।
এখন তিন শ্রেণিতে জুলাইযোদ্ধার সংখ্যা ১৬ হাজার ছাড়িয়েছে বলে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে।
২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন আন্দোলনে অংশ নিয়ে নিহত ব্যক্তিদের ‘জুলাই শহীদ’ এবং আহত ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’র মর্যাদা দিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
অতি গুরুতর আহতদের ‘ক’ শ্রেণি, গুরুতর আহতদের ‘খ’ শ্রেণি ও সাধারণ আহতদের ‘গ’ শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সরকার কয়েক দফায় তিন ক্যাটাগরির জুলাইযোদ্ধাদের তালিকা প্রকাশ করে। পরে মিথ্যা তথ্য দিয়ে তালিকাভুক্ত হওয়া এবং একাধিকবার নাম আসা ১২৮ জন জুলাইযোদ্ধার গেজেট বাতিল করা হয়।
আহতদের ক্যাটাগরি অনুযায়ী সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে সরকার। যারা অতি গুরুতর আহত (ক-শ্রেণি) তারা এককালীন ৫ লাখ টাকা পেয়েছেন এবং প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা করে ভাতা পাচ্ছেন। একটি অঙ্গহানি হয়েছে এমন গুরুতর আহত (খ-শ্রেণি) যারা আছেন তারা প্রতি মাসে ১৫ হাজার টাকা ভাতা পাচ্ছেন এবং এককালীন ৩ লাখ টাকা পেয়েছেন। গ-শ্রেণির আহতদের এককালীন এক লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া তারা প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা করে ভাতা পাচ্ছেন। পাশাপাশি তাদের চিকিৎসা বাবদ সহায়তাও দেওয়া হচ্ছে।
আরএমএম/এমকেআর