পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
ইন্দোনেশিয়া-ব্রাজিল-আফ্রিকায় রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণের কাজ চলছে
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেছেন, ইউরোপ ও আমেরিকার ঐতিহ্যগত বাজারের বাইরেও বর্তমান সরকার নতুন নতুন দেশে বাজার সম্প্রসারণের কাজ শুরু করেছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে অনেক দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ও ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি সম্প্রসারিত হচ্ছে।
সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেলে জাতীয় সংসদ অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ কথা বলেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, নানা দেশে আমরা পণ্য রপ্তানি করবো। থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, কম্বোডিয়া, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রাজিল ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে নতুন নতুন পণ্য রপ্তানি করবো। নতুন এই বাজারগুলোতে বাংলাদেশের যে পণ্যগুলো রপ্তানির সম্ভাবনা ও সুযোগ তৈরি হচ্ছে, তার মধ্যে অন্যতম পাট ও পাটজাত পণ্য, সিরামিক, ফার্মাসিউটিক্যালস বা ওষুধ শিল্প।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি হলো নতুন বাজার সম্প্রসারণ এবং রপ্তানি পণ্যের বাজার সৃষ্টি করা। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি দেশের সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখণ্ডতা এবং অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি মূলত ঘরোয়া নীতি এবং সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিচালিত হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, পণ্য রপ্তানির জন্য দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, আমেরিকা এবং আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আমরা এরই মধ্যে কথা বলছি। যেমন ব্রাজিল আগ্রহ প্রকাশ করেছে। ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়াও আগ্রহ প্রকাশ করেছে এসব পণ্য নেওয়ার জন্য। সেই কাজগুলো চলছে এবং তাদের সঙ্গে কনসালটেশনের মাধ্যমে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।
শামা ওবায়েদ বলেন, আমাদের যে মিশনগুলো আছে বিভিন্ন দেশে, সেগুলো স্ব-স্ব দেশে আমাদের পণ্য এক্সিবিশন ও রোডশোর মাধ্যমে আমাদের পণ্যগুলো তুলে ধরছে এবং আমরা যাতে বাজারজাত করতে পারি সেই ব্যবস্থা, সেই কাজে কাজ করছে।
দেশে জ্বালানি সংসট নেই দাবি করে সংসদে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে জ্বালানি সংসকট নেই। জ্বালানির যাতে সংকট না হয় সেই জন্য একাধিক সোর্স থেকে সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এজন্য প্রধানমন্ত্রী একাধিকবার আমাদের সঙ্গে বসেছেন। মধ্যপ্রাচ্য ছাড়া অন্য সোর্স থেকে সংগ্রহের কাজ করছি।
এমওএস/বিএ