সরকারি চাকরিতে শূন্যপদ ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী
দেশে সরকারি চাকরিতে চার লাখ ৬৮ হাজার ২২০টি পদ শূন্য রয়েছে বলে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারী।
বুধবার (১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে নওগাঁ-৬ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মো. রেজাউল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সরকারি কর্মচারীদের জনবল সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্যের ভিত্তিতে সর্বশেষ প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশে বর্তমানে সরকারি চাকরিতে ১৪ লাখ ৫০ হাজার ৮৯১ জন কর্মরত আছেন। এর মধ্যে প্রথম শ্রেণিতে কর্মরত কর্মচারীর সংখ্যা এক লাখ ৯০ হাজার ৭৭৩ জন, দ্বিতীয় শ্রেণিতে কর্মরত ২ লাখ ৩৩ হাজার ৭২৬, ৩য় শ্রেণিতে ৬ লাখ ১৩ হাজার ৮৩৫, চতুর্থ শ্রেণিতে ৪ লাখ ৪ হাজার ৫৫৭ এবং অন্যান্য শ্রেণিতে কর্মকর্তা কর্মচারীর সংখ্যা ৭ হাজার ৯৮০ জন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রথম শ্রেণিতে শূন্যপদ ৬৮ হাজার ৮৮৪ জন, দ্বিতীয় শ্রেণিতে এক লাখ ২৯ হাজার ১৬৬, তৃতীয় শ্রেণিতে এক লাখ ৪৬ হাজার ৭৯৯, চতুর্থ শ্রেণিতে এক লাখ ১৫ হাজার ২৩৫ এবং অন্যান্য শ্রেণিতে শূন্যপদ ৮ হাজার ১৩৬ জন।
আরও পড়ুন
ফ্যামিলি কার্ডে পরিবারের সম্পদের ওপর নারীর নিয়ন্ত্রণ বাড়বে
সংসদ অধিবেশন থেকে জামায়াত-এনসিপির ওয়াকআউট
জনগণকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে দায়ের করা রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত সারা দেশে এ পর্যন্ত মোট ২৩ হাজার ৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান। সরকারি দলের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে হয়রানির উদ্দেশ্যে দায়ের করা বাকি রাজনৈতিক মামলাগুলোও যথাযথ যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
আরেক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, কোনো ব্যক্তি আদালতের মাধ্যমে খালাস পেলে এবং নির্দোষ প্রমাণ হলে মর্যাদার সঙ্গে এবং আইন অনুযায়ী তার সঙ্গে আচরণ করা তার মৌলিক অধিকার।
ময়মনসিংহ-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুল হাসানের আরেক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, অতীতে অনেক শিক্ষক মামলার শিকার হয়েছেন, এমনকি ২০ বছর আগে মারা গেছেন এমন ব্যক্তির বিরুদ্ধেও মামলা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, আমরা দেখেছি প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসব মামলার প্রকৃতি সম্পর্কে আমরা অবগত। যেখানে সম্ভব, আমরা মামলাগুলো প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছি। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিজ নিজ মন্ত্রণালয় বা দপ্তরে আবেদন করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো প্রত্যাহারকৃত মামলাগুলো যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। তবে বিষয়টি সরাসরি আইন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন নয়।
এমওএস/কেএসআর