দেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা ১ লাখ ৯৮ হাজার ৩৭ জন: সংসদে মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:৩৬ পিএম, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
সংসদে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান-ছবি সংগৃহীত

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এমআইএস-এ (ব্যবস্থাপনা তথ্য পদ্ধতি) সংরক্ষিত সমন্বিত তালিকা অনুযায়ী বর্তমানে দেশে ১ লাখ ৯৮ হাজার ৩৭ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সংসদ সদস্য এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের দেওয়া বিভিন্ন ভাতার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আপাতত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানি ভাতা বৃদ্ধির বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় নেই।

পৃথক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী আরও জানান, কোনো গেজেটধারী মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে ‘অমুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে অভিযোগ পাওয়া গেলে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) উপকমিটি তদন্ত ও শুনানির মাধ্যমে তা যাচাই-বাছাই করে। তদন্তে অমুক্তিযোদ্ধা প্রমাণিত হলে তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়।

মন্ত্রী জানান, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত ৮৪২টি অভিযোগ জামুকায় পাঠানো হয়েছে। সেগুলো যাচাই-বাছাই শেষে ৪৮১ জনের গেজেট, লাল মুক্তিবার্তা বা ভারতীয় তালিকা বাতিল করা হয়েছে। জামুকা প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত ১০৩টি সভার মাধ্যমে মোট ৬ হাজার ৪৬৫ জনের গেজেট বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে।

বিরোধী দলের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানান, ডিলারদের বিরুদ্ধে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ পাওয়া যায়নি। বর্তমানে প্রতিটি বিক্রয়কেন্দ্রে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার উপস্থিতিতে সার বিক্রি হচ্ছে। প্রতিটি কেন্দ্রে দৃশ্যমান স্থানে ব্যানারে সরকারের নির্ধারিত সারের মূল্যতালিকা ঝুলানো আছে এবং প্রকৃত কৃষক যাচাই করে ক্যাশ মেমোতে নাম-ঠিকানা নিশ্চিত করা হচ্ছে। ফলে বেশি দামে সার বিক্রির সুযোগ নেই।

ভূমি অফিসে দুর্নীতি ও দালাল চক্রের বিরুদ্ধে অবস্থান

এদিকে উপজেলা ভূমি অফিসগুলোতে দুর্নীতি ও দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য বন্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়।

এনসিপির সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের প্রশ্নের জবাবে ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু জানান, ই-নামজারি থেকে শুরু করে হটলাইন ১৬১২২ পর্যন্ত মোট ১১টি সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের মাধ্যমে অনিয়ম দূর করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ভূমি অধিগ্রহণ এবং লিজ ও বন্দোবস্ত পদ্ধতিকেও সফটওয়্যারের আওতায় আনার কাজ চলছে। এই ডিজিটাল রূপান্তর সম্পন্ন হলে ভূমি খাতে দুর্নীতির সুযোগ শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে।

এমওএস/এসএইচএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।