যুক্তরাষ্ট্রে নিহত বৃষ্টির জানাজা বুধবার, দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে

কূটনৈতিক প্রতিবেদক কূটনৈতিক প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:২৯ পিএম, ০৩ মে ২০২৬
বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি, ফাইল ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় হত্যাকাণ্ডের শিকার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। আগামী ৬ মে দুপুর ২টায় টাম্পায় তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

ওয়াশিংটনে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে, ৬ মে (বুধবার) দুপুর ২টায় ফ্লোরিডার টাম্পায় বৃষ্টির জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এতে স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যরা অংশ নেবেন।

বৃষ্টির মরদেহ দেশে পাঠানোর পুরো প্রক্রিয়াটি সমন্বয় করছে ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস। এ কাজে সহায়তা করছে মায়ামিতে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল।

মিয়ামিতে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল সেহেলী সাবরীন জানান, নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মরদেহ দ্রুত সময়ে দেশে পাঠাতে ওয়াশিংটন ডিসির বাংলাদেশ দূতাবাস ও মায়ামির বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল যৌথভাবে কাজ করছে।

এর আগে একই ঘটনায় নিহত আরেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জাহিদ লিমনের মরদেহ দেশে পাঠানো হয়েছে। দূতাবাস জানায়, স্থানীয় সময় ২ মে রাত ৯টা ৫০ মিনিটে ফ্লোরিডার অরল্যান্ডো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তার মরদেহ ঢাকার উদ্দেশে পাঠানো হয়। মরদেহটি ৪ মে সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

গত ১৬ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় অধ্যয়নরত দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন (২৭) ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি (২৭) নিখোঁজ হন। পরদিন তাদের এক বন্ধু বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জানান।

এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে লিমনের রুমমেট মার্কিন নাগরিক হিশাম আবুঘরবেহকে তার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় জানায়, জিজ্ঞাসাবাদের পর ২৪ এপ্রিল ফ্লোরিডার হাওয়ার্ড ফ্রাঙ্কল্যান্ড ব্রিজ এলাকায় কয়েকটি কালো আবর্জনার ব্যাগের মধ্যে লিমনের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

আদালতের নথি অনুযায়ী, লিমনের মরদেহে কোনো কাপড় ছিল না এবং একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় আবুঘরবেহর বিরুদ্ধে ফার্স্ট ডিগ্রি হত্যার দুটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তার কাছ থেকে একটি অস্ত্র উদ্ধারের কথাও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

নিহত আরেক শিক্ষার্থী বৃষ্টির মরদেহও পরে শনাক্ত করা হয়। যেখানে লিমনের মরদেহ পাওয়া যায়, সেখান থেকে কিছুটা দূরের একটি জলাশয় থেকে ২৬ এপ্রিল খণ্ডিত দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়। গত ১ মে স্থানীয় পুলিশ সেটি বৃষ্টির মরদেহ বলে পরিবারকে নিশ্চিত করে।

জেপিআই/এসএনআর 

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।