রাজবাড়ীতে দেড় হাজার মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ


প্রকাশিত: ০৯:০৮ এএম, ১৭ আগস্ট ২০১৬

সকাল থেকেই থেমে থেমে বৃষ্টি ঝরছিল অাকাশ থেকে। এরই মাঝে ত্রাণ সংগ্রহ করতে বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষ জড়ো হয় সদর উপজেলার ৫ নং বরাট ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে। রাজবাড়ী শহর থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার দূরে পদ্মাঘেঁষা এই ইউনিয়নটির অবস্থান।

শহর থেকে গ্রামের অাঁকাবাঁকা রাস্তা পেরিয়ে সেখানে যাওয়ার সময় দেখা মিলেছে পদ্মার পানি কী হালটাই না করেছে এই এলাকার মানুষের। নদীতে পানি কমলেও কিছু বাড়ি এখনো পানিতে অাবদ্ধ। ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় ত্রাণ বিতরণের সেই স্থানে যাওয়ার পথে চোখে পড়েছে অসংখ্য ঘর মেরামত করার দৃশ্য।

প্রচণ্ড বৃষ্টির মাঝে ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে গিয়ে দেখা মেলে প্রায় দেড় হাজার মানুষ সেখানে ত্রাণ নেয়ার অপেক্ষায়। বুধবার বেলা ২টায় সেখানে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম শুরু করে দেশের অন্যতম শীর্ষ অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪ডটকম।

জাগো নিউজের সহকারী বার্তা সম্পাদক মাহাবুর অালম সোহাগ, ওয়েব ইনচার্জ হাসিবুল হাসান অাশিক ও মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান মনিরুজ্জামান মনির বন্যাকবলিতদের হাতে ত্রাণ তুলে দেন। এসময় বরাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ মনিরুজ্জামানসহ পরিষদের অন্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

Jago

বরাট এলাকার কলেজছাত্রী শাহেদা বলেন, শহর থেকে অনেক দূরে হওয়ায় অামাদের এলাকায় সাধারণত ত্রাণ অাসে না। সম্ভবত এবারই প্রথম। এলাকার লোক ত্রাণ পেয়ে বেশ খুশি।

ত্রাণ পেয়ে বৃদ্ধা জাহেরা বললেন, ‘চাল হলে ভালো হইতো। তারপরও ধন্যবাদ। পাইছি তো এলাটাই মেলা। অন্যজন তো দিবার অাসে না।’

অপরদিকে অাজ দুপুরে মানিকগঞ্জের ঘিওর ও শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলায় তিন হাজার বন্যাদুর্গতের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে।

মানিকগঞ্জে ত্রাণ বিতরণ করেন জাগো নিউজের সম্পাদক সুজন মাহমুদ, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক জিয়াউল হক জিয়া, প্রধান বার্তা সম্পাদক মহিউদ্দিন সরকার, প্রধান প্রতিবেদক মনিরুজ্জামান উজ্জ্বল, বিশেষ প্রতিবেদক অারিফুর রহমান বাবু ও সহকারী বার্তা সম্পাদক অারিফুল ইসলাম অারমান।

শরীয়তপুরে ত্রাণ বিতরণ করেন সহ-সম্পাদক অাব্দুর রাজ্জাক (রাজ), সালাউদ্দিন মাহমুদ ও নিজস্ব প্রতিবেদক মানিক মোহাম্মদ এবং স্থানীয় প্রতিনিধি ছগির অাহম্মেদ।

এর অাগে গত ৯ থেকে ১৪ অাগস্ট পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে জামালপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী ও সিরাজগঞ্জে ১০ হাজার পরিবারকে ত্রাণ দিয়েছে জাগো নিউজ।

এসএইচএস/আরএস/পিআর