নাশকতা বাড়ছে ট্রেনে


প্রকাশিত: ০৩:৪১ এএম, ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৫

চলমান রাজনৈতিক সহিংসতায় বারবার হামলার শিকার হচ্ছে একসময়ের নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থা হিসেবে পরিচিত রেলপথ। রেলকে হামলার অন্যতম লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করছে সন্ত্রাসীরা।

অন্যদিকে, বাড়তি নিরাপত্তা আর গতি কমিয়ে চলাচল করায় প্রতিনিয়তই ঘটছে ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয়। আর আতঙ্ক নিয়েই চলছে মানুষ। রেল যাত্রা নিরাপদ করতে সব ধরণের ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানালেন রেলমন্ত্রী।

চলমান সহিংসতা থেকে বাদ যাচ্ছে না সাধারণ মানুষের চলাচলের বাহন ট্রেন। রাতের আধারে রেল লাইনের ফিসপ্লেট খুলে ফেলা, চলন্ত ট্রেনে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপসহ এ পর্যন্ত ১০ দফা নাশকতা চালানো হয়েছে রেলপথে। আহত হয়েছেন প্রায় অর্ধশত, আর দুর্ভোগে পড়েছেন কয়েক হাজার মানুষ।

২ হাজার ৮শ` ৭৭ কি: মি: দীর্ঘ রেললাইনে নাশকতার আশঙ্কায় গতি কমিয়ে চলাচল করার কারণে প্রতিনিয়তই ঘটছে ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয়। তাই ক্লান্তিহীন অপেক্ষা শেষ হচ্ছে না যাত্রীদের।

ভুক্তভোগী যাত্রীরা জানান, `ট্রেনের জন্য দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হচ্ছে তাদের। বাসে নিরাপদ মনে না করায় ট্রেনকেই বেছে নিচ্ছেন তারা, কিন্তু এখানেও শিডিউল বিপর্যয়ের কবলে পড়তে হচ্ছে।`

এতো অপেক্ষার পর যখন ট্রেন আসে, তখন শুরু হয় নিরাপদ যাত্রার শঙ্কা। গত কয়েকদিনে রেললাইনের ওপর হামলার ঘটনাগুলো এ শঙ্কা বাড়িয়ে দেয় কয়েকগুণ বেশি।

যাত্রীরা বলেন, `গণমাধ্যমে প্রতিদিন যেভাবে নাশকতার খবর দেখছি, তাতে আতঙ্কের মধ্যেই যাতায়াত করতে হচ্ছে আমাদের।`

শিডিউল বিপর্যয় কাটিয়ে উঠা নিয়ে আপাতত আশার কথা নেই। বর্তমান পরিস্থিতিতে ট্রেন চলাচল অব্যাহত রাখতে পারাটাকেই বড় বিষয় বলে মনে করছে রেল বিভাগ।

এআরএস/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।