কামারুজ্জামানের রিভিউ শুনানি সোমবার
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের রায়ের রিভিউ আবেদনের শুনানি সোমবার দিন ধার্য করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।
রোববার দুপুরে চেম্বার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী এ দিন ধার্য করেন। মামলাটি আগামীকালের সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় রাখা হয়েছে।
গত বছর ৩ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি (বর্তমান প্রধান বিচারপতি) সুরেন্দ্রকুমার সিনহার নেতৃত্বে চার সদস্যের বেঞ্চ মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। সেই প্রেক্ষিতে তিনি রায় পুনর্বিবেচনার আপিল করেন।
কামারুজ্জামানের মৃত্যুদণ্ডাদেশের রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) শুনানির দিন নির্ধারণের ব্যাপারে আদেশের দিন ধার্য ছিল রোববার। রাষ্ট্রপক্ষের অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী গত ৫ মার্চ বৃহস্পতিবার এ দিন ধার্য করেন।
১৯ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানসহ তিন বিচারপতি কামারুজ্জামানের মৃত্যু পরোয়ানায় সই করেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই বিচারপতি হলেন মো. মুজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি শাহীনুর ইসলাম।
পরে ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার মুস্তাফিজুর রহমান মৃত্যু পরোয়ানা জারি করে আইজিপি (প্রিজন) বরাবর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠান। কারাগারে কামারুজ্জামানকে মৃত্যু পরোয়ানা পড়ে শোনানো হয়।
২০১৩ সালের ৯ মে কামারুজ্জামানকে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। একই বছর ৬ জুন সাজা বাতিল করে খালাস চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আবেদন করেন কামারুজ্জামান। তবে রাষ্ট্রপক্ষ কোনো আপিল করেনি। আসামিপক্ষের শুনানির বিপরীতে বক্তব্য পেশ করে রাষ্ট্রপক্ষ।
২০১০ সালের ২৯ জুলাই কামারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করা হয়। ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ওই বছরের ২ আগস্ট তাঁকে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
এমজেড/বিএ/এমএস