ব্যবসায়ী হত্যা : এসআইসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র


প্রকাশিত: ০৭:৪২ এএম, ১৬ মার্চ ২০১৫

রাজধানীর মিরপুরের ঝুট ব্যবসায়ী সুজন হত্যা মামলায় মিরপুর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাহিদসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছেন আদালত।

সোমবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ইমরুল কায়েস এ অভিযোগপত্র আমলে নেন।

মামলার এজহার থেকে জানা যায়, মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাউদ্দিন আহেম্মদ ও এসআই জাহিদুর রহমান ক্ষমতার অপব্যবহার করে মামলার সব আসামি পরস্পর যোগসাজসে মাহবুবুর রহমান সুজনকে মারধর করে হত্যা করে।

সুজনের কাছে এসআই জাহিদুর রহমান জাহিদ মোটা অংকের চাঁদা দাবি করেছিলেন। চাঁদা না দেওয়ায তাকে বিভিন্ন মামলায় জড়ানোর হুমকি দেন এসআই জাহিদ।

গত বছরের ১৩ জুলাই রাত সোয়া ১২টার দিকে ২৭৭, পশ্চিম জাফরাবাদ, শংকর, হাজারীবাগে সুজনের ভাড়াবাসায় এসে এসআই জাহিদসহ পাঁচজন বলেন, ‘সুজনের বিরুদ্ধে মামলা আছে, তাই বাসা তল্লাশি করব।’

এসআই জাহিদ তার পকেট থেকে একটি পিস্তল এবং দুটি ম্যাগজিন বের করে নিহত সুজনের খাটে রাখেন। সুজনের স্ত্রী ও মামলার বাদী মমতাজ সুলতানা লুসি বাধা দিলে তাকে বলেন, ‘তুই চুপ থাক, তা না হলে এই অস্ত্র ও গুলি দিয়ে তোকে মামলায় ফাঁসিয়ে দেব।’

নিহত সুজন পুলিশের কখা শুনতে পেয়ে ভয়ে রান্নাঘরের সানসেটে লুকিয়ে ছিলেন। তাকে সেখান থেকে এএসআই রাজকুমার নামিয়ে আনেন। জাহিদ ও রাজকুমার সুজনের চোখ ও হাত বেঁধে বাথরুমে নিয়ে বালতির মধ্যে মাথা ডুবিয়ে রড দিয়ে পেটান বলে এজহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এজাহারে আরও বলা হয়, এসআই জাহিদ লুসির কাছে দুই লাখ টাকা দাবি করে। তা না হলে তার স্বামীকে মেরে ফেলার হুমকি দেন। এ সময় লুসি টাকা দিতে পারবেন না বলে জানালে জাহিদ তার চুল ধরে মেঝেতে ফেলে পেটে লাথি মারেন।

কনস্টেবল আসাদ ও রাশেদুল জোর করে আলমারিতে রাখা টাকা, স্বর্ণের চেইন, দুল, হাতের বালা ও নাকের নথ নিয়ে সুজনকে মিরপুর থানায় নিয়ে আসে। থানায় নিয়ে সুজনকে মারধর করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিএ/এআরএস/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।