পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের নির্দেশ ডিসিদের

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১১:১৮ এএম, ০৪ মে ২০২৬
ডিসি সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের প্রথম অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম

পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম (রিতা)।

সোমবার (৪ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের প্রথম অধিবেশন শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের এ কথা জানান। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এই অধিবেশন হয়।

মন্ত্রী বলেন, জেলা প্রশাসকদের সম্মেলনে মূল আলোচনার বিষয় ছিল বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প। দেশের প্রতিটি জেলায় ছড়িয়ে থাকা পর্যটন স্থানগুলো সংস্কার এবং নতুন পর্যটকদের আকর্ষণ করার জন্য কী কী পদক্ষেপ নেওয়া যায়, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে মনপুরা এবং নেত্রকোনার মতো জায়গাগুলোতে পর্যটন সুবিধা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এভাবে চার পাঁচটা জেলার কথা এসেছে। পর্যটনটা যদি সুন্দর করে গড়ে তোলা হয় তবে অনেক দর্শনার্থী আসবে। দেশকেও মানুষ জানবে চিনবে।

তিনি বলেন, মাঠ পর্যায় থেকে প্রস্তাবগুলো এলে মন্ত্রণালয় সেগুলো বাস্তবায়নে সব রকম সহযোগিতা করব।

পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাইলে পর্যটন মন্ত্রী বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয়টিও আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে। জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে আগত দর্শনার্থীরা কোনো নিরাপত্তাহীনতায় না ভোগেন।

পাশাপাশি কক্সবাজারকে যাতে আরও ভালো রাখা যায় আরও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা রাখা যায় বিচটা, সেদিকেও কাজ করার জন্য তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সেন্টমার্টিন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সেন্টমার্টিনে বছরের কিছু সময় বন্ধ থাকার বিষয়টি নিয়ে আজ আলোচনা হয়নি, কিন্তু সেটি নিয়ে আমরা চিন্তা করছি। কারণ আমাদের যে মন্ত্রণালয় সেই মন্ত্রণালয়ের কাজটাই হলো বিমান আর পর্যটন নিয়ে।

বিগত সময়ে পর্যটনের কোনো কাজই হয়নি দাবি করে পর্যটনমন্ত্রী বলেন, সবচেয়ে রুগ্ন অবস্থায় আছে পর্যটনটা। সেটাকে আমরা চাচ্ছি যে একটা ভালো অবস্থানে নেওয়ার জন্য এবং এটার জন্য আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও চাচ্ছেন যে পর্যটনটাকে একটা শিল্পে পরিণত করা। আমরা সবাই মিলে সেটা চেষ্টা করছি এবং বেসরকারিভাবেও আমরা চাচ্ছি যে কেউ যদি ইন্টারেস্ট থাকে তাহলে সে পর্যটনে আমাদের সহযোগিতা করতে পারে।

যে জেলাগুলোতে বিমানবন্দর আছে সেই জেলাগুলোর ডিসিরা কিছু জানিয়েছেন কি না জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, সৈয়দপুরের কথা তারা বলছে যে আরেকটু ডেভেলপ করতে। এটা যেন আরেকটু ডেভেলপ করা হয়। সৈয়দপুর নিয়ে, তো সেটা কিন্তু আমরা অলরেডি কাজও শুরু করেছি সৈয়দপুরের ব্যাপারে। বেশ কিছু বিমানবন্দর চালুর ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঠাকুরগাঁও তারপর আমরা বগুড়া, আমরা ৭ তারিখে বগুড়া যাচ্ছি দেখার জন্য। আমরাও চাচ্ছি বগুড়ায় এয়ারপোর্ট হবে প্লাস আমরা ফ্লাইং একাডেমিও করতে চাচ্ছি সেখানে যাতে আমরা পাইলট বানাতে পারি। আমাদের অনেক পাইলটের প্রয়োজন, যাতে গরিব মেধাবী স্টুডেন্টরা পাইলট হওয়ার ইচ্ছা থাকলে তারা সেখানে পড়াশোনা করতে পারে।

আরএমএম/এমআইএইচএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।