সিপিএ কার্যক্রম আরো গতিশীল এবং দৃশ্যমান করতে হবে
জাতীয় সংসদের স্পিকার ও কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারী এসোসিয়েশনের (সিপিএ) নির্বাহী কমিটির চেয়ারপার্সন ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, সিপিএ ভুক্ত দেশের মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করতে সকলকে একযোগে সিপিএ কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে। এ জন্য সিপিএ কার্যক্রম আরো গতিশীল এবং দৃশ্যমান করতে হবে।
মঙ্গলবার মালয়েশিয়ার কোটা কিনাবালুতে সিপিএ নির্বাহীর কমিটির মধ্যবর্তী বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।
স্পীকার বলেন, সিপিএ হচ্ছে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর সমন্বয়ে এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যার মাধ্যমে সিপিএভুক্তি দেশগুলোর সাধারণ বিষয়াবলীকে সামনে রেখে প্রত্যেকটি দেশের মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করে। বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে আগামী দিনে সিপিএভূক্ত দেশগুলো কিভাবে এটাকে আরো গতিশীল করবে তার কর্মপরিকল্পনা সামনে রেখে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, ইয়াং কমনওয়েলথ’ এই থীমকে সামনে রেখে সিপিএ কাজ করে যাচ্ছে। তরুণ প্রজন্ম উন্নয়নের সোপান-তরুণ সংসদ সদস্যদেরকে আগামী দিনে সকল বিষয়ে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে। তরুণরাই শক্তির আধার। আগামী দিনে সিপিএভুক্ত দেশগুলোতে তরুণ সংসদ সদস্যদের নেতৃত্বকে আরো গতিশীল করতে হবে।
স্পিকার আরো বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, জেন্ডার সমতা, দারিদ্র্য বিমোচন, স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ, নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন, জ্বালানি সংকট, শান্তি ও নিরাপত্তা, নারীর রাজনৈতিক নেতৃত্ব বৃদ্ধির মাধ্যমে নারী-পুরুষের সমানাধিকার নিশ্চিতকরণ এবং তরুণ প্রজন্মকে উন্নয়নের সকল প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত করে আগামী দিনের সকল উন্নয়নকে টেকসই রুপদান করতে হবে।
বৈঠকে তিনি আরো বলেন, নারীর রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধির মাধ্যমে নারীকে দক্ষ, অধিকার সচেতন এবং তৃণমূল পর্যায়ে নারী নেতৃত্বকে আরো এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে সিপিএ কা করছে। নারীর রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করে দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে নারীর রাজনৈতিক নেতৃত্বকে আরো গতিশীল করতে হবে। তৃণমূল পর্যায় হতে সকল স্তরে নারীর রাজনৈতিক নেতৃত্বকে নিশ্চিত করে নারী-পুরুষের সমতা আনতে হবে।
স্পিকার বলেন, বর্তমান বিশ্ব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষায় উন্নয়নকে টেকসই রুপদানে সংসদ সদস্যদের রয়েছে বিশাল ভূমিকা। সহস্রব্দের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পর টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সংসদ সদস্যসহ সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, টেকসই, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং সমতাভিত্তিক উন্নয়ন নিশ্চিতকরণে কমনওয়েলথভূক্ত দেশসমূহের পার্লামেন্টগুলোর একসাথে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। কমনওয়েলথভূক্ত দেশসমূহের উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে কমনওয়েলথভুক্ত দেশসমূহের জনপ্রতিনিধিদের আরো কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে হবে।
আরএস/এমএস