তৃতীয় কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট সার্জারি কর্মশালার উদ্বোধন শনিবার


প্রকাশিত: ০৩:১৮ পিএম, ২৯ মে ২০১৫

তৃতীয় কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট সার্জারি (অস্ত্রপচারের মাধ্যমে শ্রবণযন্ত্র স্থাপন) কর্মশালা শনিবার শুরু হতে যাচ্ছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যায়ের শহীদ ডা. মিলন হলে সমাজ কল্যাণ সচিব তারিক-উল-ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে এ কর্মশালার উদ্বোধন করবেন।

ডেভেলপমেন্ট অব কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট প্রোগ্রাম ইন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (২য় পর্যায়)-এর উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মশালায় সভাপতিত্ব করবেন আয়োজক কর্মসূচির ব্যবস্থাপনা ও বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান।

কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট সার্জারির মাধ্যমে বধির ও কানে একবারেই কম শোনা রোগীর অস্ত্রপচারের মাধ্যমে শ্রবণযন্ত্র স্থাপন করে শোনার ব্যবস্থা করা হয়। এটি একটি ব্যয়বহুল চিকিৎসা। বিদেশে এ চিকিৎসা করাতে একজন রোগীর অর্ধকোটি টাকারও বেশি ব্যয় হয়। আমাদের এখানেও এ চিকিৎসা করাতে ১০ থেকে ১৬ লাখ টাকার মত ব্যয় হয়। কিন্তু কর্মশালার মাধ্যমে নামমাত্র মূল্যে এ চিকিৎসা প্রদান করা হবে।

শুক্রবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এক বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

ডেভেলপমেন্ট অব কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট প্রোগ্রাম ইন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (২য় পর্যায়)-এর এ উদ্যোগে মোট ৭২ জনকে এ চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হবে। প্রত্যেক বছর ৩৬ জন রোগীকে এ চিকিৎসা দেয়া হবে। রোগী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে শিশুদেরকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ রয়েছে। ২০১৬ সালের জুন মাসে এ প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হবে।

শনিবারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি থাকবেন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল’র প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক আবু সফি আহমেদ আমিন। স্বাগত বক্তব্য রাখবেন ডেভেলপমেন্ট অব কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট প্রোগ্রাম ইন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (২য় পর্যায়ে)’র কর্মসূচি পরিচালক এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় নাক কান ও গলা বিভাগের চেয়ারম্যান, অধ্যাপক ডা. মো. আবুল হাসনাত জোয়ারদার। নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞ ডা. নাসিমা আখতার অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের কক্লিয়ার ইমপ্লান্টের উপর বিস্তারিত বক্তব্য রাখবেন। এছাড়া বিদেশ থেকে আগত চিকিৎসকবৃন্দ, কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট গ্রহীতা ও অভিভাবকগণ বক্তব্য রাখবেন।

উল্লেখ্য, এ প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে ৫৪ জনকে এ সেবা দেয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে ১০ থেকে ১৬ লাখ টাকার ব্যয়বহুল এ চিকিৎসাসেবা ৪৮ জনকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রদান করা হয়। ৬ জনকে নামমাত্র মূল্যে শ্রবণযন্ত্রের ডিভাইস স্থাপন করে দেয়া হয়। এছাড়া আরো ১২ জন রোগী নিজ খরচে ডিভাইস ক্রয় করে দিলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে তাদেরও এ চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়।

একে/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।