রোহিঙ্গা শিশুদের কাপড় দেবে ব্র্যাক

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:১০ পিএম, ০৪ অক্টোবর ২০১৭

মিয়ানমারের রাখাইন থেকে চলে আসা অসহায় শিশুদের জন্য উখিয়া ও টেকনাফের ১০টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৭৮ হাজার কাপড় বিতরণ করবে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাক। ইতোমধ্যে এসব কেন্দ্রে আশ্রয় নেয়া এক হাজার শিশুকে কাপড় দেয়া হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বাকি কাপড়গুলো বিতরণ করা হবে।

এর পাশাপাশি রাখাইন থেকে চলে আসা অসহায় এক হাজার সাতশ’ পরিবারকে ঠান্ডা থেকে রক্ষা ও বসবাসের জন্য মাদুর দেয়া হয়। এছাড়া বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্র আলোকময় করার জন্য ৩৪৫টি পরিবারকে সৌর বাতি দেয়া হয়েছে। ব্র্যাক থেকে এসব তথ্য জানানো হয়।

মিয়ানমার থেকে আগত প্রায় ৫ লাখ ৭ হাজার মানুষের মধ্যে ৬০ ভাগই শিশু। এই পরিস্থিতিতে ব্র্যাক ভুক্তভোগী শিশুদের জন্য এই উদ্যোগ গ্রহণ করে।

বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংস্থার উদ্যোগের পাশাপাশি দেশের পাঁচটি শিল্প-কারখানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এসব কাপড় দানে সহায়তা করেন। কারখানাগুলো হচ্ছে হা-মিম গ্রুপ, গ্রাফিক্স টেক্সটাইল, ইকোটেক্স লিমিটিড, ফখরুদ্দিন টেক্সটাইল মিলস, স্যাটার্ন টেক্সটাইলস। এছাড়া আড়ং এর মাধ্যমে এসএফ ডেনিম অ্যাপারেলস লিমিটেড কাপড় দানে সহায়তা করেছে।

শিশুদের মানসিক চাপ কমাতে ইতোমধ্যে ৫৬টি শিশুবান্ধব কেন্দ্র স্থাপন করে প্রতিদিন ৩ হাজারেরও বেশি শিশুকে খেলাধুলা ও গল্প বলার মাধ্যমে বিনোদনমুখী কার্যক্রম পরিচালনা করছে ব্র্যাক। ব্র্যাকের ৬০টি ভ্রাম্যমাণ সেবা কেন্দ্র থেকে এ পর্যন্ত ৭০ হাজার ৪২৯ জন অসহায় মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা দেয়া হয়েছে।

সারাদেশ থেকে একত্র হওয়া ব্র্যাকের ছয় শ’য়ের বেশি কর্মী সহায়তা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। মূলত নারী ও শিশুদের জন্য জরুরি স্বাস্থ্যসেবা, টিউবওয়েল এবং শৌচাগার স্থাপনের মাধ্যমে নিরাপদ পানি, পরিচ্ছন্ন ও জীবাণুমুক্ত উপকরণ সরবরাহ ও শিশুবান্ধব পরিসর গড়ে তোলায় কাজ করছেন তারা। এই কার্যক্রম চলছে আন্তর্জাতিক অভিবাসী সংস্থা (আইওএম), ইউনিসেফ, অসএইড, ডিএফআইডি এবং গ্লোবাল ফান্ডের সমন্বয় ও সহযোগিতায়।

উল্লেখ্য, ব্র্যাকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নিয়মিত উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন আশ্রয় শিবির পরিদর্শন ও সহায়তা কার্যক্রম তদারকি করছে।

এমএ/ওআর/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।