আবারো পে-স্কেল পুনঃনির্ধারণের দাবি শিক্ষকদের
আবারও স্বতন্ত্র বেতন স্কেল ও প্রস্তাবিত অষ্টম জাতীয় বেতন কাঠামো পুনঃনির্ধারণের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন।
রোববার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনের তারা এ দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ফেডারেশনের মহাসচিব অধ্যাপক ড. মাকসুদ কামাল।
তিনি বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে স্বতন্ত্র পে-স্কেল পুন: নির্ধারণের দাবি জানিয়ে আসছি। এরই ধারাবাহিকতায় শিক্ষামন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী বরাবর গত ১৫ এবং ১৮ জুন স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া কর্মবিরতি, মানববন্ধন ও অবস্থান ধর্মঘট পালন করে আসছে শিক্ষকরা। কিন্তু এ ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকে তেমন কোন যৌক্তিক সাড়া নেই। আমরা চাই অবিলম্বে সরকার আমাদের দাাবি মেনে নেবেন। অন্যথায় ভবিষ্যতে আরো কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে শিক্ষকরা। এসময় তিনি কয়েকটি প্রস্তাব তুলে ধরেন।
প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে-
অবিলম্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র বেতন স্কেল প্রবর্তন করা হোক, শিক্ষকদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের মধ্যবর্তী সময়ে ঘোষিত বেতন কাঠামো পুনঃনির্ধারণ করে সকল বৈষম্য দূরীকরণপূর্বক সিলেকশন গ্রেড অধ্যাপকদের বেতন-ভাতা সিনিয়র সচিবের (যদি ৮ম বেতন কাঠামোতে প্রস্তাবিত পদটি রাখা হয়) সমতুল্য করা, অধ্যাপকদের বেতন-ভাতা পদায়িত সচিবের সমতুল্য করা, সহযোগী অধ্যাপক, সহকারী অধ্যাপক ও প্রভাষকদের বেতন কাঠামো ক্রমানুসারে নির্ধারণ করাসহ শিক্ষকদের যৌক্তিক বেতন স্কেল নিশ্চিত করা হোক, রাষ্ট্রীয় ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স-এ আমাদের প্রত্যাশিত বেতন কাঠামো অনুযায়ী পদমর্যাদাগত অবস্থান নিশ্চিত করা হোক, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সরকারি কর্মকর্তাদের অনুরূপ গাড়ি ও অন্যান্য সুবিধা শিক্ষকদের ক্ষেত্রেও নিশ্চিত করা হোক।
তিনি বলেন, শিক্ষকদের অবমূল্যায়ন ও বঞ্চিত করে এ জাতির উন্নতি, অগ্রগতি, সমৃদ্ধি এবং জ্ঞানভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। তাই শিক্ষকদের উল্লিখিত দাবিসমূহ মেনে নেয়ার জন্য সরকারের কাছে আহŸান জানান তিনি।
এএইচ/এমএস