পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ১৬ হাজার ঘোষণার দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:১৩ পিএম, ১৩ জুলাই ২০১৮

পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ১৬ হাজার টাকা ঘোষণা করে তা বাস্তবায়ন করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পোশাক শিল্প শ্রমিক ফেডারেশন, বাংলাদেশ মেটাল কেমিক্যাল গার্মেন্টস অ্যান্ড টেইলার্স ওয়ার্কার্স ফেডারেশন, সম্মিলিত পোশাক শ্রমিক ফেডারেশন এবং আরএমজি ওয়ার্কার্স ফোরাম। শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ন্যূনতম মজুরি ঘোষণার দাবিতে মানববন্ধন ও মিছিলে এ দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ‘জানুয়ারি মাসে পোশাক শ্রমিকদের মজুরি বোর্ড ঘোষিত হলেও অদৃশ্য কারণে মাত্র দুটি সভা হয়েছে, যাহা কোনোভাবেই কাম্য নয়। মজুরি গঠনের ছয় মাসের মধ্যে তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণপূর্বক শ্রমিক ও মালিক প্রতিনিধির সুপারিশ যাচাই-বাছাই করে সর্বনিম্ন মজুরিসহ সকল গ্রেডের মজুরি সুপারিশ শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের নিকট জমা দেয়ার নিয়ম থাকলেও বর্তমান বোর্ড মালিক তোষণ নীতি অনুসরণ করছে।

তারা বলেন, ‘ইতোমধ্যে সরকারি মিল-কারখানার শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি করা হয়েছে। দেশের বর্তমান ৩৩ বিলিয়ন ডলারের রফতানি শিল্পের খেটে খাওয়া শ্রমিকদের মজুরি সবচেয়ে কম, যা অত্যন্ত লজ্জাজনক।’ এ সময় তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘৩১ জুলাইয়ের মধ্যে ন্যূনতম মজুরি ১৬ হাজার টাকা করতে হবে, অন্যথায় মাঠ পর্যায়ে শ্রমিকদের নিয়ে আন্দোলন-সংগ্রাম গড়ে তুলতে বাধ্য হব।’

অনেক আগে থেকে শ্রমিকরা তাদের ন্যূনতম মজুরি ১৬ হাজার টাকা করার জন্য দাবি জানিয়ে আসছেন। বাড়ি-ভাড়াসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যর ক্রমাগত ঊর্ধ্বগতিতে শ্রমিকরা আজ অসহায়। সরকারি শ্রমিক-কর্মচারীদের জন্য মজুরি ঘোষণা করা হয়েছে, অন্যদিকে পোশাক শ্রমিকরা তাদের মজুরির জন্য অপেক্ষায় রয়েছেন, মানববন্ধনে বক্তারা জানান। 

মানবন্ধন শেষে একটি মিছিল প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে পল্টন মোড় প্রদক্ষিণ করে।

পোশাক শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি নাজমা আক্তারের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পোশাক শিল্প শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি তৌহিদুর রহমান, বাংলাদেশ মেটাল কেমিক্যাল গার্মেন্টস অ্যান্ড টেইলার্স ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের সভাপতি শহীদুল্লাহ বাদল, সম্মিলিত পোশাক শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল হাসান নয়ন, সাংগঠনিক সম্পাদক রহিমা আক্তার রুপা, আরএমজি ওয়ার্কার্স ফোরামের সভাপতি মর্জিনা আক্তার প্রমুখ।

এএস/এসআর/এমএস

আপনার মতামত লিখুন :