৯৯৯ নিয়ে ভ্রান্তি, আসছে সতর্কতার টিপস

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:১১ পিএম, ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮

দশ মাসেই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে জরুরি সেবা ‘৯৯৯’ সার্ভিস। পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস আর অ্যাম্বুলেন্সের জন্য অনেকেই প্রতিনিয়ত ফোন করছেন এই নম্বরে। গত ১০ মাসে মোট ৪৩ লাখ ৭৪ হাজার ৮১১টি ফোন এসেছে এই সার্ভিসে। তবে এর ৫০ শতাংশই ভুয়া।

ফোন করে কেউ কল সেন্টারের নারী পুলিশ কর্মকর্তাদের বিয়ের প্রস্তাব দিচ্ছেন, কেউ আবার নিশ্চিত হচ্ছেন ‘৯৯৯’ এ কেউ ফোন ধরে কি না।

জনমনের এমন ভ্রান্তি দূর করতে সোমবার ‘কমিউনিটি সেফটি অ্যাওয়ার্নেস’ শীর্ষক একটি কর্মশালার আয়োজন করা হয়। আব্দুল গনি রোডে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কেন্দ্রীয় নির্দেশনা এবং নিয়ন্ত্রণ ভবনের ‘৯৯৯’ কনফারেন্স রুমে আয়োজন করা হয় কর্মশালাটি।

999-1

কর্মশালায় দেশের কয়েকটি জনপ্রিয় ফেসবুক পেজ ও গ্রুপের অ্যাডমিন, অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট এবং সাইবার ক্রাইমের ভুক্তভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।

কর্মশালায় সার্বিক সহযোগিতা করেছে ক্রাইম রিসাচ অ্যান্ড এনালাইসিস ফাউন্ডেশন (ক্রাফ)। ক্রাফের প্রেসিডেন্ট জেনিফার আলম বলেন, ডেসপারেটলি সিকিং ঢাকাসহ (ডিএসডি) বিপুল সংখ্যক মেম্বার আছেন, এমন ফেসবুক গ্রুপের অ্যাডমিনরা এই কর্মশালায় অংশ নিয়েছেন। এই ৯৯৯ নম্বর নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিভিন্ন গ্রুপ এবং পেজের মাধ্যমে মানুষের মাঝে কিছু সতর্কবার্তা পৌঁছে দেয়া হবে। এই গ্রুপ ও পেজগুলো থেকে প্রতি বৃহস্পতি ও শুক্রবার সতর্কতামূলক সেফটি টিপস দেয়া হবে।

999-2

৯৯৯ এর দায়িত্বরত পুলিশ সুপার (এসপি) তবারক উল্লাহ্ বলেন, সাধারণ জনগণ ও নাগরিকদের সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য এই কর্মশালা। নাগরিকরা যাতে ৯৯৯ সম্পর্কে জানে এবং সঠিক জায়গায় প্রয়োগ করতে পারে, সে জন্যই এই আয়োজন।

999-3

বিমানকর্মী ও কর্মশালার অন্যতম আয়োজক কাজী আশরাফ আল কাদের হ্যাপী জানান, কর্মশালায় বিভিন্ন সেবাসহ সাইবার জগতের সংগঠিত বিভিন্ন অপরাধ এবং এর থেকে প্রতিকারের উপায়, নিজেদের ফেসবুক আইডিসহ অনলাইন আইডিয়াগুলো কীভাবে নিরাপদে রাখতে হবে এবং সাইবার আইন সম্পর্কে সকলকে সচেতন করা হচ্ছে।

এআর/জেডএ/পিআর